Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৮: যে শিকার শিকারিকে খুঁজ ছিল

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
28 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   25 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ৮: যে শিকার শিকারিকে খুঁজছিল

ফাইলটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী।

তার নিজের স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছবি।

আরও কয়েকটি ছবি।

একটিতে সে স্কুলের লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ছে।

আরেকটিতে বিজ্ঞান মেলার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

আরেকটিতে...

সে মারুফ আংকেলের সঙ্গে থানার সামনে কথা বলছে।

মেহেদীর বুকের ভেতর হালকা কাঁপন শুরু হলো।

এই ছবিগুলো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নেওয়া নয়।

এগুলো খুব কাছ থেকে তোলা।

অর্থাৎ...

কেউ দীর্ঘদিন ধরে তার আশপাশেই ছিল।

"মেহেদী..."

মারুফ ধীরে বললেন, "তুই ঠিক আছিস?"

মেহেদী গভীর শ্বাস নিল।

"আমি ঠিক আছি।"

কিন্তু সে জানত, সে মিথ্যা বলছে।

প্রথমবারের মতো তার নিজের ওপরই অদ্ভুত এক অস্বস্তি কাজ করছে।

---

ক্যাম্পে ফিরে সবাই ফাইলগুলো সাজিয়ে বসলো।

মিতু প্রথমেই একটা বিষয় খেয়াল করল।

"দেখো, প্রতিটি ফাইলেই একটা করে সংখ্যা লেখা আছে।"

Subject-03

Subject-07

Subject-09

Subject-11...

সৌরভ বলল,

"এগুলো কি শুধু সিরিয়াল নম্বর?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না।"

সে নিজের ফাইলটা খুলে শেষ পাতায় গেল।

সেখানে একটি টেবিল।

তারিখ।

সময়।

পর্যবেক্ষণ।

প্রথম লাইন।

> 'গণিত পরীক্ষায় অস্বাভাবিক বিশ্লেষণী দক্ষতা।'

দ্বিতীয় লাইন।

> 'বয়সের তুলনায় সন্দেহপ্রবণতা বেশি।'

তৃতীয় লাইন।

> 'মানুষের কথা নয়, আচরণ পর্যবেক্ষণ করে।'

চতুর্থ লাইন।

> 'প্রয়োজন হলে ভবিষ্যৎ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত।'

শাহীনুর অবাক হয়ে বলল,

"পরীক্ষা মানে?"

কেউ উত্তর দিতে পারল না।

---

সেদিন রাতেই মেহেদী একটা সিদ্ধান্ত নিল।

"আমাকে একা বের হতে হবে।"

মারুফ প্রায় ধমক দিয়ে বললেন,

"অসম্ভব।"

"ওরা আমাকে অনুসরণ করছে।"

"তাই বলে তুই নিজেকে টোপ বানাবি?"

"টোপ না হলে শিকারি সামনে আসে না।"

কথাটা শুনে ঘরে আবার নীরবতা নেমে এল।

---

রাত বারোটা।

মেহেদী একাই গ্রামের পুরোনো কাঁচা রাস্তা ধরে হাঁটছে।

ইচ্ছা করেই সে মোবাইল বন্ধ রেখেছে।

পেছনে কেউ নেই।

কমপক্ষে তার তাই মনে হচ্ছে।

প্রায় পনেরো মিনিট হাঁটার পর...

ডান পাশের ঝোপে হালকা শব্দ হলো।

মেহেদী হাঁটা থামাল না।

আরও দশ কদম।

আবার শব্দ।

এবার নিশ্চিত।

কেউ তাকে অনুসরণ করছে।

সে রাস্তার বাঁকে পৌঁছেই হঠাৎ দৌড় দিল।

পেছন থেকেও দৌড়ানোর শব্দ।

মেহেদী সরাসরি একটা পরিত্যক্ত ধান গুদামে ঢুকে পড়ল।

ভেতরে অন্ধকার।

সে একটি ভাঙা দেয়ালের আড়ালে দাঁড়িয়ে নিঃশ্বাস আটকে রইল।

কয়েক সেকেন্ড পরে...

কালো পোশাক পরা একজন মানুষ ভেতরে ঢুকল।

লোকটা চারদিকে তাকাচ্ছে।

মেহেদী ধীরে ধীরে তার পেছনে চলে গেল।

হঠাৎ বলল,

"আমাকে খুঁজছেন?"

লোকটা চমকে ঘুরে দাঁড়াল।

মুখে কালো মাস্ক।

এক সেকেন্ডও দেরি করল না।

একটা ধাতব গোলক ছুঁড়ে মারল মাটিতে।

ফসসস...

সাদা ধোঁয়ায় পুরো ঘর ভরে গেল।

মেহেদী চোখ বন্ধ করে মুখ ঢেকে ফেলল।

কয়েক সেকেন্ড পর ধোঁয়া সরে গেলে...

লোকটা নেই।

শুধু মেঝেতে পড়ে আছে একটি ছোট্ট প্লাস্টিকের কার্ড।

---

ক্যাম্পে ফিরে কার্ডটা পরীক্ষা করল সৌরভ।

কার্ডের ভেতরে একটি NFC চিপ।

সৌরভ মোবাইলে স্ক্যান করতেই একটি মাত্র অডিও ফাইল খুলল।

সেখানে বিকৃত কণ্ঠে একজন বলছে,

"ভালো..."

"তুমি আগের চেয়ে দ্রুত শিখছ।"

"তুমি বুঝতে পেরেছ, আমরা ভয় বিক্রি করি।"

"কিন্তু এখনও একটা জিনিস বুঝোনি।"

কণ্ঠটা কয়েক সেকেন্ড থামল।

তারপর বলল,

"এই খেলায় তুমি প্রথম দিন থেকেই অংশগ্রহণ করছ।"

অডিও শেষ।

ঘরে অদ্ভুত নীরবতা।

---

পরদিন সকালে সৌরভ ছবিগুলো আবার বিশ্লেষণ করছিল।

হঠাৎ সে চিৎকার করে উঠল।

"মেহেদী! এটা দেখ!"

সে প্রথম লাশের ছবির পাশে দ্বিতীয় লাশের ছবি রাখল।

তারপর তৃতীয় একটি ছবি।

যেটা মেহেদীর ফাইল থেকে পাওয়া।

তিনটি ছবিতেই দূরে একই মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।

একই উচ্চতা।

একই ভঙ্গি।

একই কালো টুপি।

মিতু বিস্ময়ে বলল,

"এটা কি একই লোক?"

মেহেদী অনেকক্ষণ ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর ধীরে বলল,

"না..."

সবাই অবাক।

"কেন?"

"কারণ তিনটি ছবিতে সূর্যের দিক আলাদা।"

"তাতে কী?"

"তবুও ছায়ার দৈর্ঘ্য এক।"

সৌরভ থমকে গেল।

"মানে?"

"এই মানুষটাকে পরে ছবিতে বসানো হয়েছে।"

"আবার এডিট?"

"হ্যাঁ।"

"কিন্তু কেন?"

মেহেদী জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,

"কারণ খুনি চায় আমরা এমন একজনকে খুঁজি..."

"...যে আদৌ অস্তিত্বই রাখে না।"

ঠিক তখনই মারুফ দ্রুত ঘরে ঢুকলেন।

তার হাতে নতুন ফরেনসিক রিপোর্ট।

তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন,

"সব শেষ..."

মেহেদী উঠে দাঁড়াল।

"কী হয়েছে?"

মারুফ রিপোর্টটা তার হাতে দিলেন।

রিপোর্টের শেষ লাইনে লেখা ছিল,

> "দ্বিতীয় মৃতদেহের নখের নিচে যে ত্বকের কোষ পাওয়া গেছে, তার ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা গেছে সেটি কোনো অজানা ব্যক্তির নয়..."

মেহেদী দ্রুত নিচের লাইনটা পড়ল।

তার মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

সেখানে লেখা—

> "...ডিএনএটি ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র মেহেদী হাসানের সঙ্গে ৯৯.৯% মিলেছে।"

ঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে ভারী হয়ে উঠল।

মারুফ ধীরে ধীরে মেহেদীর দিকে তাকালেন।

আর মেহেদীর মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে লাগল...

কেউ কি তার ডিএনএ ব্যবহার করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে, নাকি এমন কোনো সত্য আছে যা সে নিজেই জানে না?

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4362
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল। "আমার... বাড়ির পেছনে?" মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল। মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না ফরেনসিক রিপোর্টটা হাতে নিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্থির দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের ডিএনএ... একজন খুন হওয়া মানুষের নখের নিচে? ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে দেয়�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৯: আগুন যে সত্য লুকিয়ে রেখেছিল সকালের প্রথম আলো জানালা দিয়ে ঢুকলেও থানার তদন্তকক্ষে কারও চোখে ঘুম নেই। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে পুরোনো ছবি, ফরেনসিক রিপোর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...