Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ১০: যে লাশের কোনো পরিচয় ছিল না

মারুফের কথা শেষ হতেই ঘরের ভেতরের বাতাস যেন জমে গেল।

"আমার... বাড়ির পেছনে?"

মেহেদীর গলায় প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়তার ছাপ ফুটে উঠল।

মারুফ শুধু মাথা নাড়লেন।

"এখনই রওনা দিতে হবে।"

---

দুই ঘণ্টার মধ্যে তারা শহরে পৌঁছে গেল।

ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ফোটেনি। মেহেদীদের বাড়ির সামনে মানুষের ভিড়। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।

প্রতিবেশীরা ফিসফিস করছে।

"এই ছেলেটাই তো তদন্ত করছে..."

"তাহলে খুনি কি ওদের বাড়ির আশপাশেই ছিল?"

মেহেদী কোনো দিকে না তাকিয়ে সরাসরি বাড়ির পেছনের আমবাগানে চলে গেল।

লাশটি সাদা কাপড়ে ঢাকা।

মারুফ ধীরে কাপড় সরালেন।

সবাই স্তব্ধ।

এটা আগের লাশগুলোর মতো ছিন্নভিন্ন নয়।

বরং শরীর প্রায় অক্ষত।

শুধু বুকের মাঝখানে একটি ছোট গোলাকার ক্ষত।

আর চোখ দুটি সম্পূর্ণ খোলা।

মনে হচ্ছে মৃত্যুর আগে মানুষটি ভয়ঙ্কর কিছু দেখেছিল।

মিতু হাঁটু গেড়ে বসে পরীক্ষা করতে লাগল।

কয়েক মিনিট পর সে ফিসফিস করে বলল,

"অদ্ভুত..."

"কী?"

"এই মানুষটার শরীরে কোনো পরিচয়পত্র নেই।"

"সেটা তো স্বাভাবিক।"

"না... আমি সেটা বলছি না।"

সে মৃতের দুই হাত তুলে দেখাল।

সবাই অবাক হয়ে গেল।

লোকটির আঙুলে কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্টই নেই।

মনে হচ্ছে আঙুলের চামড়া অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ফেলা হয়েছে।

---

মারুফ গম্ভীর গলায় বললেন,

"এটা কি মৃত্যুর পরে করা হয়েছে?"

মিতু মাথা নাড়ল।

"না। ক্ষত শুকিয়ে গেছে। অন্তত এক সপ্তাহ আগে করা হয়েছে।"

মেহেদী এতক্ষণ চুপ ছিল।

হঠাৎ সে মৃতের জুতোর দিকে তাকাল।

জুতোর নিচে শুকিয়ে থাকা কাদা।

সে ছুরি দিয়ে সামান্য অংশ তুলে কাগজে রাখল।

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"কাদা নিয়েও তদন্ত হবে?"

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলে মানুষ। সবচেয়ে কম মিথ্যা বলে মাটি।"

---

ফরেনসিক টিম লাশ নিয়ে চলে গেল।

কিন্তু মেহেদী বাড়ির পেছনের পুরো এলাকাটা ঘুরে দেখতে লাগল।

কিছুক্ষণ পর সে আমগাছের গায়ে একটা ছোট্ট আঁচড় দেখতে পেল।

খুবই সরু।

যেন ধারালো ধাতু দিয়ে কাটা হয়েছে।

সে নিচু হয়ে মাটি পরীক্ষা করল।

তারপর মারুফকে ডাকল।

"এখানে দেখুন।"

মাটিতে পাশাপাশি দুটি অদ্ভুত দাগ।

সাইকেলের চাকার মতো নয়।

গাড়িরও নয়।

খুব সরু।

সমান দূরত্বে।

মারুফ বললেন,

"কীসের দাগ?"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল না।

সে নিজের নোটবুক খুলে আগের দুইটি হত্যাস্থলের ছবি বের করল।

সেখানে...

একই দাগ।

তার চোখে এক ঝলক উজ্জ্বলতা ফুটে উঠল।

"আমরা এতদিন বড় বড় প্রমাণের পেছনে ছুটেছি..."

"...আসল সূত্রটা আমাদের পায়ের নিচেই ছিল।"

---

সেদিন বিকেলে কাদার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলো।

রাতের দিকে রিপোর্ট এল।

মাটিতে প্রচুর ম্যাগনেটাইট কণা পাওয়া গেছে।

সাধারণ গ্রামের মাটিতে এত পরিমাণে ম্যাগনেটাইট থাকার কথা নয়।

সৌরভ ভ্রু কুঁচকে বলল,

"এটা কোথা থেকে এলো?"

মেহেদী বলল,

"যেখানে ভারী শিল্পযন্ত্র চলে, সেখানে এই ধরনের কণা পাওয়া যায়।"

"মানে?"

"খুনি হয় কোনো শিল্পকারখানায় কাজ করে..."

সে একটু থামল।

"...অথবা এমন কোনো যন্ত্র ব্যবহার করছে, যেটাতে শক্তিশালী চুম্বক আছে।"

---

ঠিক তখনই মিতুর ফোনে ফরেনসিক ল্যাব থেকে আরেকটি খবর এল।

সে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে শুনল।

তারপর ধীরে ফোনটা নামিয়ে রাখল।

তার মুখের রঙ বদলে গেছে।

"মেহেদী..."

"হ্যাঁ?"

"এই মৃত মানুষটার ডিএনএ কোনো জাতীয় ডেটাবেসে নেই।"

মারুফ বললেন,

"বিদেশি?"

"হতে পারে।"

মিতু আবার বলল,

"কিন্তু আরও অদ্ভুত একটা বিষয় আছে।"

"কী?"

"তার রক্তে সেই একই নীল রাসায়নিক পাওয়া গেছে..."

সবাই একসঙ্গে তাকাল।

"...কিন্তু এর ঘনত্ব আগের তিনজনের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি।"

ঘরে নীরবতা।

মেহেদী ধীরে ধীরে জানালার দিকে এগিয়ে গেল।

তার মাথায় যেন একের পর এক হিসাব মিলছে।

"যদি এই রাসায়নিক মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়..."

"...তাহলে মাত্রা বাড়ালে কী হবে?"

মিতু উত্তর দিল,

"সম্ভবত মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজ পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।"

---

ঠিক সেই মুহূর্তে সৌরভ ল্যাপটপ নিয়ে দৌড়ে এল।

"আমি হার্ডডিস্ক থেকে একটা ভিডিও উদ্ধার করেছি!"

সবাই স্ক্রিনের সামনে বসল।

ভিডিও শুরু হলো।

ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন একজন মধ্যবয়স্ক বিজ্ঞানী।

এবার মুখ ঝাপসা নয়।

স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

তার চোখে অদ্ভুত ক্লান্তি।

তিনি বললেন,

> "আমার নাম ড. আরিফ সালেহ।"

ঘরের সবাই নিঃশ্বাস আটকে শুনছে।

তিনি আবার বললেন,

> "যদি এই ভিডিও কেউ দেখে, তাহলে ধরে নেবে আমি হয় মৃত... নয়তো আমাকে মৃত বানানো হয়েছে।"

ভিডিওতে তিনি টেবিলের ওপর একটি ফাইল রাখলেন।

ফাইলের ওপর বড় করে লেখা—

PROJECT NIRVANA

ড. আরিফ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বললেন,

> "আমি মানুষকে অমর করার গবেষণা করিনি।"

> "আমি গবেষণা করছিলাম..."

তিনি থামলেন।

তারপর এমন একটি বাক্য বললেন, যা শুনে মেহেদীর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

> "আমি গবেষণা করছিলাম, কীভাবে একজন মানুষের স্মৃতি অন্য একজন মানুষের মস্তিষ্কে স্থানান্তর করা যায়।"

ভিডিও হঠাৎ কেটে গেল।

স্ক্রিন কালো হয়ে গেল।

ঘরে কেউ কোনো কথা বলল না।

কারণ এই একটি তথ্য পুরো কেসটাকে নতুন দিকে ঘুরিয়ে দিল।

এখন প্রশ্ন শুধু খুনি কে, সেটা নয়।

প্রশ্ন হলো... এই রহস্যের কেন্দ্রে কি শুধু খুন, নাকি মানুষের স্মৃতি নিয়েও ভয়ঙ্কর এক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চলছে?

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4364
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৮: যে জীবন কখনো ছিল না মেহেদী দীর্ঘক্ষণ পরিচয়পত্রটার দিকে তাকিয়ে রইল। ছবিটা তারই। অন্তত প্রথম দেখায় তাই মনে হয়। কিন্তু যত ভালো করে দেখছে, ততই ছোট ছোট পা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৯: যে প্রমাণ সত্য ছিল না ফরেনসিক রিপোর্টটা হাতে নিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্থির দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের ডিএনএ... একজন খুন হওয়া মানুষের নখের নিচে? ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে দেয়�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৮: যে শিকার শিকারিকে খুঁজছিল ফাইলটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রইল মেহেদী। তার নিজের স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছবি। আরও কয়েকটি ছবি। একটিতে সে স্কুলের লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ছে। [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৫: আগুনে পোড়ে না সত্য বিস্ফোরণের শব্দ থামার পরও কয়েক সেকেন্ড কেউ নড়ল না। চারদিকে ধুলো আর ধোঁয়ার মেঘ ছড়িয়ে পড়েছে। জমিদারবাড়ির পশ্চিম অংশে আগুন জ্বলছে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে পুরো ভ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...