Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০৬

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
30 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর

রাত ১০টা ৪৭।

শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা।

মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আবার অন্ধকারে ডুবিয়ে দিচ্ছে।

পুলিশের গাড়িগুলো গ্রামের বাইরে থেমে আছে।

মেহেদী ইচ্ছা করেই কাউকে সঙ্গে নিল না।

শুধু মারুফ, মিতু আর সৌরভ দূর থেকে নজর রাখছে।

রুদ্রের শর্ত ছিল পরিষ্কার।

"একাই আসবি।"

---

অনাথ আশ্রমের লোহার গেটটি আধখোলা।

জং ধরা গেট বাতাসে কাঁপছে।

মেহেদী ভেতরে পা রাখতেই একটি পুরোনো ঘণ্টা নিজে থেকেই বেজে উঠল।

ঢং...

একবার।

দুবার।

তারপর আবার নীরবতা।

---

আশ্রমের মূল ভবনে ঢুকতেই সে দেখল, ধুলোমাখা করিডোরে ছোট ছোট পায়ের ছাপ।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়...

সব পায়ের ছাপ একই মানুষের।

ইচ্ছে করেই বিভিন্ন মাপের জুতা ব্যবহার করা হয়েছে, যেন মনে হয় এখানে অনেক লোক চলাফেরা করেছে।

মেহেদী মৃদু হেসে বলল,

"এখনও একই কৌশল..."

---

করিডোরের শেষ প্রান্তে একটি কাঠের টেবিল।

টেবিলের ওপর সেই পুরোনো কাঠের বাক্স।

যেটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল।

বাক্সের ঢাকনায় খোদাই করা দুটি নাম।

মেহেদী

রুদ্র

---

মেহেদী ধীরে বাক্সটি খুলল।

ভেতরে কোনো অস্ত্র নেই।

কোনো নথিও নেই।

শুধু দুটি কাঁচের গুলি, একটি লাল কাপড়ের বল, আর একটি ভাঁজ করা চিঠি।

চিঠিটি শিশুসুলভ হাতের লেখায় লেখা।

«"যদি আমরা বড় হয়ে আলাদা হয়ে যাই, তাহলে যে আগে এই বাক্স খুলবে, সে অন্যজনকে খুঁজে বের করবে। আমরা কেউ খারাপ মানুষ হব না।"»

নিচে দুটি ছোট্ট স্বাক্ষর।

মেহেদী

রুদ্র

---

মেহেদীর চোখ ভিজে উঠল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"আমরা কথা রাখতে পারিনি..."

---

ঠিক তখনই পেছন থেকে একটি কণ্ঠ ভেসে এল।

"না।"

"তুই কথা রেখেছিস।"

---

মেহেদী ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।

দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে রুদ্র।

আজ তার হাতে কোনো অস্ত্র নেই।

মুখে কোনো মুখোশও নেই।

শুধু চোখে গভীর ক্লান্তি।

---

দুজন কয়েক সেকেন্ড একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল।

কেউ কথা বলল না।

বিশ বছরের দূরত্ব যেন সেই নীরবতার মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে।

---

রুদ্র মৃদু হেসে বলল,

"তুই অনেক বদলে গেছিস।"

---

মেহেদী উত্তর দিল,

"তুইও।"

---

রুদ্র মাথা নাড়ল।

"না।"

"আমি বদলাইনি।"

"আমাকে বদলে দেওয়া হয়েছে।"

---

বাতাস হঠাৎ জোরে বইতে শুরু করল।

পুরোনো জানালাগুলো কাঁপতে লাগল।

---

মেহেদী এক পা সামনে এগিয়ে এল।

"চল।"

"সব শেষ করি।"

---

রুদ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

"সব শেষ করার সময় অনেক আগেই চলে গেছে।"

"আজ শুধু সত্য বলার সময়।"

---

সে পকেট থেকে একটি ছোট রেকর্ডার বের করে মেঝেতে রাখল।

"এটার ভেতরে সব আছে।"

"Project Mirror।"

"কামরান।"

"আমাদের অপহরণ।"

"সব।"

---

মেহেদী রেকর্ডারের দিকে এগোতেই রুদ্র হাত তুলে থামাল।

"একটা কথা আগে শুন।"

---

"বল।"

---

রুদ্র ধীরে বলল,

"বিশ বছর আগে..."

"সেদিন ওরা দুজনকে নিয়ে গিয়েছিল।"

"কিন্তু পরীক্ষার জন্য একজনকেই বেছে নিয়েছিল।"

---

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

"তাহলে..."

---

রুদ্র তিক্ত হেসে বলল,

"তোর পরীক্ষা সফল হয়েছিল।"

"আমারটা হয়নি।"

---

সে চোখ বন্ধ করল।

তারপর খুব আস্তে বলল,

«"আমি কখনো কামরানের প্রথম পছন্দ ছিলাম না, মেহেদী।"»

«"আমি ছিলাম... তার ব্যর্থ পরীক্ষার ফল।"»

ঠিক সেই মুহূর্তে...

আশ্রমের বাইরে গুলির শব্দ ভেসে এল।

ধাম!

ধাম!

মারুফের কণ্ঠ ওয়্যারলেসে চিৎকার করে উঠল,

"মেহেদী! বের হয়ে আসো!"

"আমরা হামলার মুখে পড়েছি!"

রুদ্র চোখ বন্ধ করল।

তার মুখে কোনো বিস্ময় নেই।

সে যেন আগেই জানত।

ধীরে বলল,

«"সে এসে গেছে..."»

মেহেদী ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল,

"কে?"

রুদ্র ধীরে চোখ খুলল।

তার চোখে প্রথমবার ভয় স্পষ্ট।

সে বলল,

«"কামরান।"»

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4481
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৬: ছায়ার আড়ালের ছায়া হেলিকপ্টারের শব্দে পুরো অনাথ আশ্রম কেঁপে উঠছে। রোটরের বাতাসে ভাঙা জানালার কাচ ছিটকে পড়ছে মেঝেতে। মারুফ ও ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ। পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে। ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭২: শেষ সাক্ষাৎকার ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ নড়ল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে কালো হয়ে যাওয়া মনিটরের দিকে তাকিয়ে রইল। রুদ্রের শেষ �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...