Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ১৩: কবরের ভেতরের মানুষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,400 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পর্ব ১৩: কবরের ভেতরের মানুষ

ঘরের ভেতর এমন নীরবতা নেমে এল যে কম্পিউটারের কুলিং ফ্যানের শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।

মেহেদী ধীরে ধীরে স্পিকারের দিকে তাকাল।

"তুমি বলছ, যাদের আমরা মৃত ভেবেছি... তারা বেঁচে আছে?"

কোনো উত্তর এল না।

কয়েক সেকেন্ড পর স্ক্রিনে একটি ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার।

দুইজন মানুষ স্ট্রেচারে শুয়ে আছে।

তাদের মুখ কাপড়ে ঢাকা।

চারপাশে সাদা পোশাক পরা কয়েকজন ব্যক্তি।

একজনের কণ্ঠ শোনা গেল,

"Subject-03 প্রস্তুত। Subject-08 নিয়ে আসো।"

ভিডিওর ডান পাশে তারিখ লেখা।

মেহেদী চোখ ছোট করে তাকাল।

তারিখটা প্রথম হত্যার আঠারো দিন আগে।

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"কিন্তু Subject-03 তো প্রথম খুন হওয়া মানুষ!"

"ঠিক।"

মেহেদী ভিডিও থামিয়ে জুম করল।

স্ট্রেচারে শোয়া মানুষের ডান হাতে একটা পুরোনো পোড়ার দাগ।

সে দ্রুত প্রথম লাশের ছবি বের করল।

দুই ছবির দাগ এক।

একই মানুষ।

অর্থাৎ...

খুনের অনেক আগেই তাকে কোথাও আটকে রাখা হয়েছিল।

---

মারুফ গম্ভীর গলায় বললেন,

"তাহলে খুনি মানুষগুলোকে অপহরণ করত..."

"...অনেক দিন জীবিত রাখত..."

মেহেদী বাকিটা বলল,

"...তারপর কোনো পরীক্ষার অংশ বানাত।"

---

ঠিক তখনই কম্পিউটারের স্ক্রিনে আবার লেখা ভেসে উঠল।

> "যদি সত্য জানতে চাও, মৃতদের কবর খুলো।"

সৌরভ চমকে উঠল।

"এটা কী পাগলামি!"

মেহেদী চুপ।

তার মাথায় একের পর এক তথ্য মিলছে।

কম রক্ত।

মৃত্যুর সময় নিয়ে অসঙ্গতি।

অস্বাভাবিক রাসায়নিক।

ডিএনএর অদ্ভুত ফলাফল।

সবকিছু যেন একটা জায়গায় গিয়ে মিলছে।

সে মারুফের দিকে তাকাল।

"আমি জানি, এটা আইনগতভাবে কঠিন।"

"কিন্তু..."

মারুফ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

"...আমাদের কবর খুলতেই হবে।"

---

পরদিন আদালতের বিশেষ অনুমতি পাওয়ার পর গ্রামের কবরস্থানে কাজ শুরু হলো।

পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে রেখেছে।

গ্রামের মানুষ আতঙ্কিত।

কেউ বলছে, "মৃতদের শান্তি নষ্ট করা হচ্ছে।"

কেউ বলছে, "অভিশাপ আরও বাড়বে।"

মেহেদী কারও কথায় কান দিল না।

প্রথম কবর খোঁড়া হলো।

কফিন ওপরে তোলা হলো।

মারুফ নিজে দাঁড়িয়ে আছেন।

ধীরে ধীরে ঢাকনা খুলল।

সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে রইল।

তারপর...

মিতু হঠাৎ এক পা পিছিয়ে গেল।

"এটা..."

কফিনের ভেতরে একজন মানুষের কঙ্কাল নেই।

আছে প্রায় অক্ষত একটি দেহ।

মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ পর কোনো দেহের এমন থাকার কথা নয়।

মেহেদী নিচু হয়ে পরীক্ষা করল।

তারপর সে থমকে গেল।

"এটা..."

সে মৃতের ডান কানটা দেখল।

কানের নিচে তিনটি সূক্ষ্ম ছিদ্র।

ঠিক আগের রিপোর্টের মতো।

কিন্তু আরও অদ্ভুত কিছু ছিল।

মৃতের ঘাড়ের পেছনে একটি ক্ষুদ্র অস্ত্রোপচারের দাগ।

আগে কেউ খেয়ালই করেনি।

---

মিতু দাগটা পরীক্ষা করে বলল,

"এটা সাধারণ অস্ত্রোপচার নয়।"

"কেন?"

"কারণ কাটাটা মেরুদণ্ডের একেবারে ওপরে।"

সে ধীরে বলল,

"এখানে সাধারণত নিউরোসার্জারিতে কাজ করা হয়।"

মেহেদীর বুক ধক করে উঠল।

---

ঠিক তখনই দ্বিতীয় কবর খোঁড়া হলো।

সেখানেও একই অবস্থা।

একই দাগ।

একই তিনটি ছিদ্র।

একই ধরনের সংরক্ষিত দেহ।

মারুফ অবিশ্বাসের গলায় বললেন,

"এটা কীভাবে সম্ভব?"

মিতু উত্তর দিল,

"কেউ মৃত্যুর আগে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করেছে, যাতে দেহের পচন অনেক ধীর হয়েছে।"

---

সন্ধ্যায় ল্যাবে ফিরে মেহেদী একা বসে দুই মৃতের এক্স-রে দেখতে লাগল।

হঠাৎ তার চোখ থেমে গেল।

সে দ্রুত স্ক্রিন বড় করল।

ঘাড়ের পেছনে...

মেরুদণ্ডের গোড়ায়...

একটি ক্ষুদ্র ধাতব বিন্দু।

প্রথমে মনে হয় এক্স-রের ত্রুটি।

কিন্তু দ্বিতীয় এক্স-রেতেও একই জিনিস।

মেহেদী চিৎকার করে উঠল,

"মিতু!"

মিতু দৌড়ে এল।

"কী হয়েছে?"

মেহেদী স্ক্রিন দেখাল।

মিতুর মুখ সাদা হয়ে গেল।

"এটা..."

"হ্যাঁ।"

"ইমপ্লান্ট?"

"সম্ভবত।"

---

রাত আটটা।

ফরেনসিক সার্জন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ধাতব বস্তুটি বের করলেন।

সেটা ছিল চালের দানার থেকেও ছোট।

সৌরভ লেন্সে দেখে বলল,

"এটা তো চিপের মতো!"

ল্যাবের মাইক্রোস্কোপে বস্তুটি পরীক্ষা করা হলো।

সার্জন ধীরে বললেন,

"এটা চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোনো সাধারণ ইমপ্লান্ট নয়।"

মেহেদী চুপচাপ তাকিয়ে আছে।

ঠিক তখনই সৌরভ সেটাকে একটি বিশেষ রিডারের কাছে নিতেই...

বিপ...

যন্ত্রটি সাড়া দিল।

সবার চোখ বড় হয়ে গেল।

সৌরভ ফিসফিস করে বলল,

"এটার ভেতরে এখনও বিদ্যুৎ আছে..."

পরের মুহূর্তেই কম্পিউটারের স্ক্রিন নিজে থেকেই জ্বলে উঠল।

কোনো কিবোর্ড ছাড়াই লেখা ভেসে উঠল।

> IMPLANT S-03 DETECTED

তারপর দ্বিতীয় লাইন।

> MEMORY ARCHIVE AVAILABLE

মেহেদীর বুকের ভেতর ধাক্কা লাগল।

সে ধীরে ধীরে স্ক্রিনের দিকে এগিয়ে গেল।

যদি এই চিপ সত্যিই স্মৃতি সংরক্ষণ করে...

তাহলে হয়তো...

একজন মৃত মানুষের শেষ দেখা মুহূর্তগুলো এখনও এর ভেতরে জীবিত আছে।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 515 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10400। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4367
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পর্ব ১৬: আয়নার ওপারের মানুষ হলঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে ভারী হয়ে উঠল। কাঁচের কক্ষের ভেতরে শুয়ে থাকা যুবকটি ধীরে ধীরে চোখ খুলে তাকিয়ে আছে। তার মুখ... চোয়ালের গঠন... নাক... কপালের ডান পাশে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পর্ব ৭: ছায়ার মানুষ কম্পিউটারের স্ক্রিনে স্থির হয়ে থাকা ছবিটার দিকে সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে রইল। গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে প্রথমে শুধু একটা কালো ছায়া মনে হচ্ছিল। কি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ২৬: নতুন রহস্যের শুরু স্ক্রিনের আলো ধীরে ধীরে নিভে গেল। শুধু শেষ শব্দগুলো এখনো মেহেদীর মাথায় ঘুরছে। NEXUS: CASE FILE 02 ACTIVATED আর নিচে লেখা নাম... তান্ত্রিক অঘোরী রুদ্র। --- [...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...