Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৫৩ : মাহির রহমানের প্রত্যাবর্তন ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (10,400 পয়েন্ট)   57 মিনিট পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ২০: মাহির রহমানের প্রত্যাবর্তন

ঘরের বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে গেল।

মারুফের চোখ স্থির হয়ে আছে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির ওপর।

বিশ বছর ধরে যে মানুষটিকে মৃত কিংবা হারিয়ে যাওয়া বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল...

সে আজ তাদের সামনে দাঁড়িয়ে।

জীবিত।

---

মারুফ ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলেন।

"মাহির..."

শব্দটা বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কণ্ঠ কেঁপে উঠল।

লোকটি কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

তারপর খুব শান্তভাবে বলল,

"হ্যাঁ, মারুফ।"

"আমি মাহির।"

---

মুহূর্তের মধ্যে মারুফের চোখে রাগ, কষ্ট আর বিস্ময় একসঙ্গে ফুটে উঠল।

তিনি মাহিরের কলার ধরে ফেললেন।

"তুই বেঁচে ছিলি?"

"বিশ বছর!"

"একবারও খবর দিলি না?"

মাহির কোনো প্রতিরোধ করল না।

শুধু নিচু স্বরে বলল,

"কারণ আমি জানতাম..."

"...আমি ফিরে এলে অনেক মানুষ মারা যাবে।"

---

মারুফ তাকে ছেড়ে দিলেন।

"মিথ্যা কথা।"

"তুই আমাদের ছেড়ে গিয়েছিলি।"

মাহিরের চোখে এক মুহূর্তের জন্য অপরাধবোধ দেখা গেল।

"না।"

"আমি পালাইনি।"

"আমি লুকিয়ে ছিলাম।"

---

মেহেদী এতক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল।

সে এবার এগিয়ে এল।

"আপনি যদি সত্যিই মাহির রহমান হন..."

"...তাহলে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন।"

মাহির তার দিকে তাকাল।

"বল।"

"Subject M-7 কে?"

---

ঘরে আবার নীরবতা।

মাহিরের মুখের অভিব্যক্তি বদলে গেল।

সে ধীরে ধীরে মেহেদীর দিকে তাকাল।

যেন বহু বছর পর কোনো পুরোনো পরিচিত মুখ দেখছে।

তারপর বলল,

"তুমি।"

---

সৌরভ এক পা পিছিয়ে গেল।

মিতু চুপ হয়ে গেল।

মারুফ অবিশ্বাসের চোখে তাকালেন।

"অসম্ভব।"

মাহির ধীরে মাথা নাড়ল।

"না, মারুফ।"

"এটাই সত্য।"

---

মেহেদী শান্ত থাকার চেষ্টা করল।

"প্রমাণ?"

মাহির হালকা হাসল।

"তোমার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যটাই তোমার প্রমাণ।"

"কোনটা?"

"তুমি কোনো কিছু সহজে বিশ্বাস করো না।"

"সবকিছু বিশ্লেষণ করো।"

"প্যাটার্ন খোঁজো।"

"এটা সাধারণ প্রতিভা না।"

---

মেহেদী বলল,

"এগুলো জেনেটিকও হতে পারে।"

মাহির মাথা নাড়ল।

"হতে পারে।"

"তাই শুধু এটুকু যথেষ্ট নয়।"

---

সে পকেট থেকে একটি ছোট ডিভাইস বের করল।

পুরোনো ধরনের মেমোরি রিডার।

তার ভেতর একটি চিপ।

"এটা তোমার।"

মেহেদী নিল না।

"কী আছে এতে?"

মাহির বলল,

"তোমার আসল স্মৃতি।"

---

ঘরে নীরবতা।

মেহেদী চিপটির দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর বলল,

"যদি এটা সত্য হয়..."

"...তাহলে আমার এতদিনের জীবন?"

মাহির ধীরে উত্তর দিল,

"সব মিথ্যা নয়।"

"এটাই ECHO-এর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক।"

"তারা পুরো স্মৃতি মুছে দেয়নি।"

"তারা কিছু সত্যের সঙ্গে কিছু তৈরি করা স্মৃতি মিশিয়ে দিয়েছে।"

---

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"এটা কীভাবে সম্ভব?"

মাহির তার দিকে তাকাল।

"মানুষের মস্তিষ্ক কম্পিউটার না।"

"এখানে ফাইল ডিলিট করে নতুন ফাইল বসানো যায় না।"

"বরং..."

"পুরোনো স্মৃতির সঙ্গে নতুন অভিজ্ঞতা জুড়ে দেওয়া হয়।"

"মানুষ তখন বুঝতেই পারে না কোনটা আসল আর কোনটা তৈরি।"

---

মেহেদী ধীরে বলল,

"আর আপনি?"

"আপনি এই পরীক্ষার অংশ ছিলেন?"

মাহিরের মুখ গম্ভীর হয়ে গেল।

"আমি ছিলাম গবেষক।"

"ড. আরিফ ছিল প্রধান বিজ্ঞানী।"

"আমরা মানুষের স্মৃতি নিয়ে গবেষণা করছিলাম।"

"উদ্দেশ্য ছিল..."

সে থামল।

"যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা মানুষদের ট্রমা কমানো।"

"ভয়ংকর স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করা।"

---

সৌরভ বলল,

"কিন্তু পরে এটা অপব্যবহার করা হলো?"

মাহির মাথা নাড়লেন।

"হ্যাঁ।"

"NEXUS তৈরি হয়েছিল সেই অপব্যবহারের জন্য।"

---

মেহেদী বলল,

"আর ড. আরিফ?"

মাহিরের চোখে অদ্ভুত ছায়া নেমে এল।

"ড. আরিফ..."

"...একই সঙ্গে নায়ক এবং অপরাধী।"

"তিনি প্রকল্প শুরু করেছিলেন মানুষকে সাহায্য করার জন্য।"

"কিন্তু পরে বুঝতে পারেন..."

"...যে সৃষ্টি করা জ্ঞান ধ্বংসও করতে পারে।"

---

ঠিক তখনই মেহেদীর হাতে থাকা চিপটি হঠাৎ জ্বলে উঠল।

ছোট স্ক্রিনে একটি ভিডিও চালু হলো।

একটি আট বছরের ছেলে।

সাদা ল্যাব কোট পরা একজন মানুষের সামনে বসে আছে।

লোকটি বলছে,

"মেহেদী, ভয় পেয়ো না।"

"তোমার মস্তিষ্ক খুব বিশেষ।"

ছেলেটি জিজ্ঞেস করল,

"আমি কি আবার বাসায় যেতে পারব?"

লোকটি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

"হ্যাঁ।"

"কিন্তু তার আগে..."

"...তোমাকে কিছু জিনিস ভুলে যেতে হবে।"

---

ভিডিওতে শিশুটির মুখ পরিষ্কার হলো।

মেহেদী নিজের মুখের সঙ্গে মিল খুঁজে পেল।

তারপর স্ক্রিনে শেষ লাইন ভেসে উঠল।

> Memory Reconstruction Started: 18:40

ভিডিও বন্ধ।

---

মেহেদী চোখ বন্ধ করল।

তার মাথার ভেতর হঠাৎ কিছু অস্পষ্ট ছবি ভেসে উঠতে লাগল।

একটি ল্যাব।

একটি আয়না।

ড. আরিফ।

মাহির।

আর...

একটি ছোট ছেলে কাঁদছে।

---

হঠাৎ মেহেদী চোখ খুলে বলল,

"একটা জিনিস..."

"কী?"

"আপনি বললেন, আমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল।"

"হ্যাঁ।"

"তাহলে..."

"...আমার স্মৃতি ফিরে আসছে কেন?"

মাহির কিছু বলার আগেই বাইরে প্রচণ্ড শব্দ হলো।

একটি বিস্ফোরণ নয়...

বরং পুরো ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ।

লাল আলো জ্বলে উঠল।

একটি যান্ত্রিক কণ্ঠ ঘোষণা করল—

> "ECHO PROTOCOL RESTARTED."

মাহিরের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

সে ফিসফিস করে বলল,

"না..."

"এটা সম্ভব না।"

মেহেদী তাকাল।

"কী হয়েছে?"

মাহির ধীরে বলল,

"কারণ ECHO আবার চালু হলে..."

"...শুধু তোমার স্মৃতি ফিরবে না।"

"...পুরো শহরের মানুষের স্মৃতি বদলে যেতে পারে।"

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 515 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 10400। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4407
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ... মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়। একই চোখ। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২২: দুই মেহেদী ঘরের ভেতর কেউ কোনো কথা বলল না। শুধু ECHO সিস্টেমের যান্ত্রিক শব্দ। বিপ... বিপ... বিপ... মেহেদীর চোখ আটকে আছে ছবিটার ওপর। ছবিতে দুটি শিশু। দুজনের বয়স প্রায়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২১: ECHO প্রোটোকল লাল আলো পুরো গবেষণাকক্ষকে রক্তিম করে তুলেছে। দেয়ালের ভেতর থেকে মৃদু যান্ত্রিক শব্দ আসছে। যেন বহু বছর ঘুমিয়ে থাকা কোনো বিশাল যন্ত্র আবার জেগে উঠে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...