Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭৯: নীরব খেলা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
28 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৪৬: দ্বিতীয় খেলা

ধাতব বাক্সের ঢাকনাটি ধীরে ধীরে খুলে গেল।

ঘরের সবাই নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে আছে।

কিন্তু ভেতরে কোনো বোমা নেই।

কোনো অস্ত্রও নেই।

শুধু একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার।

আর তার পাশে একটি সাদা দাবার গুটি।

রানী।

---

ট্যাবলেটের স্ক্রিন নিজে থেকেই জ্বলে উঠল।

কালো পর্দায় সাদা অক্ষর ভেসে উঠল।

«"তুমি এখন এমন এক খেলায় প্রবেশ করেছ, যেখানে প্রতিটি উত্তর একটি নতুন প্রশ্ন তৈরি করবে।"»

কয়েক সেকেন্ড পর একটি ভিডিও চালু হলো।

ভিডিওতে সেই পরিচিত মুখোশধারী মানুষ।

কিন্তু এবার তার কণ্ঠ আগের চেয়ে শান্ত।

"স্বাগতম, মেহেদী।"

"তুমি কি জানো..."

"তদন্তের সবচেয়ে বড় শত্রু কে?"

ভিডিও কয়েক সেকেন্ড থেমে গেল।

তারপর সে নিজেই উত্তর দিল।

"অপরাধী নয়।"

"নিশ্চয়তা।"

---

মেহেদী চুপচাপ ভিডিওটি দেখছে।

মুখোশধারী আবার বলল,

"যে তদন্তকারী খুব দ্রুত নিশ্চিত হয়ে যায়..."

"...সে নিজের চোখেই সত্যকে হত্যা করে।"

---

ভিডিও শেষ হওয়ার আগে স্ক্রিনে একটি মানচিত্র ভেসে উঠল।

শহরের তিনটি স্থান লাল রঙে চিহ্নিত।

১. পুরোনো আদালত ভবন।

২. পরিত্যক্ত জল শোধনাগার।

৩. শহরের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার।

তার নিচে লেখা।

«"আমি তিনটি দরজা খুলে দিলাম।"»

«"কিন্তু সত্য লুকিয়ে আছে মাত্র একটিতে।"»

«"তোমার হাতে সময় মাত্র তিন ঘণ্টা।"»

ভিডিও বন্ধ হয়ে গেল।

---

সৌরভ উৎফুল্ল হয়ে বলল,

"তিন ভাগে ভাগ হয়ে যাই!"

মারুফও মাথা নাড়লেন।

"এতে সময় বাঁচবে।"

---

"না।"

মেহেদীর কণ্ঠ দৃঢ়।

সবাই তার দিকে তাকাল।

---

"এটাই ওদের প্রত্যাশা।"

"আমরা যদি তিন ভাগে ভাগ হয়ে যাই..."

"...আমাদের শক্তিও তিন ভাগে ভাগ হয়ে যাবে।"

---

মিতু বলল,

"তাহলে কোন জায়গায় যাব?"

---

মেহেদী ট্যাবলেটটি আবার চালু করল।

মানচিত্রটি বড় করল।

তারপর তিনটি লাল বিন্দুর দিকে তাকিয়ে রইল।

হঠাৎ সে হেসে ফেলল।

---

"ওরা একটা ভুল করেছে।"

মারুফ জিজ্ঞেস করলেন,

"কী ভুল?"

---

"মানচিত্রে উত্তর দিক দেখানোর চিহ্ন নেই।"

---

মিতু বলল,

"তাতে কী?"

---

"যারা সাধারণ মানুষ, তারা এটা খেয়াল করবে না।"

"কিন্তু যারা নিজেরা মানচিত্র তৈরি করে..."

"...তারা প্রায় সব সময় উত্তর দিকের চিহ্ন দিতে ভুলে যায় না।"

---

সে আরও জুম করল।

দেখা গেল তিনটি বিন্দু সরলরেখায় নয়।

একটি ত্রিভুজ তৈরি করেছে।

ত্রিভুজের ঠিক মাঝখানে একটি ছোট ফ্যাকাশে দাগ।

এত ক্ষীণ যে প্রথমে বোঝাই যায় না।

---

মিতু বিস্মিত।

"ওটা কী?"

---

মেহেদী বলল,

"এটাই আসল লক্ষ্য।"

"তিনটি লাল বিন্দু শুধু আমাদের দৃষ্টি সরানোর জন্য।"

---

মারুফ দ্রুত মানচিত্রে স্থানাঙ্ক মিলিয়ে দেখলেন।

ত্রিভুজের মাঝখানে...

একটি বহু বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি ভবন।

নাম...

কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টার।

---

মিতু অবাক হয়ে বলল,

"এই নাম তো আগে কোথাও পাইনি!"

---

মারুফ ফাইল খুঁজে বললেন,

"এটা মাত্র পাঁচ বছর চালু ছিল।"

"তারপর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।"

---

মেহেদীর চোখে অদ্ভুত এক দৃষ্টি।

"আমি নিশ্চিত..."

"PROJECT MIRROR এখানেই শেষ হয়নি।"

"এখান থেকেই নতুন রূপে শুরু হয়েছে।"

---

দলটি দ্রুত গাড়িতে উঠল।

রাত বাড়ছে।

ঘড়িতে ২টা ১৭।

বৃষ্টিও শুরু হয়েছে।

গাড়ি যখন কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের সামনে পৌঁছাল...

তখন তারা দেখল প্রধান দরজাটি খোলা।

ভেতরে সব আলো জ্বলছে।

যেন কেউ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

মারুফ পিস্তল শক্ত করে ধরলেন।

মেহেদী ধীরে দরজার ভেতরে পা রাখল।

ঠিক সেই মুহূর্তে ভবনের সব আলো একসঙ্গে নিভে গেল।

অন্ধকারের মধ্যে একটি কণ্ঠ ভেসে এল।

«"স্বাগতম, বিষয় নম্বর ১৭।"»

মেহেদীর শরীর হঠাৎ স্থির হয়ে গেল।

কারণ...

এই প্রথম কেউ তাকে "গোয়েন্দা মেহেদী" নয়,

"বিষয় নম্বর ১৭" বলে সম্বোধন করল।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4454
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৪৫: নীরব সংকেত ইমরানের পকেট থেকে আসা বিপ... বিপ... শব্দ মুহূর্তেই চারপাশের পরিবেশ বদলে দিল। মিতু হাত তুলে সবাইকে পেছনে সরে যেতে বলল। "কেউ কাছে আসবেন না!" পুলিশ দ্র[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫১: রুদ্রের স্বীকারোক্তি টেলিফোনের লাইন কেটে গেছে। কিন্তু কেউ রিসিভার নামাল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে ফোনটির দিকে তাকিয়ে রইল। ঘরে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...