Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৭৭: মধ্যরাতের ফাঁদ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
33 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৪৪: মধ্যরাতের ফাঁদ

রাত ১১টা ৪৫।

থানার ভেতর অস্বাভাবিক নীরবতা।

মেহেদী ইচ্ছা করেই সবাইকে ব্যস্ত থাকার অভিনয় করতে বলেছে।

কেউ ফাইল গুছাচ্ছে।

কেউ কম্পিউটারের সামনে বসে আছে।

কিন্তু প্রকৃত পরিকল্পনা জানে মাত্র চারজন।

মেহেদী।

মারুফ।

মিতু।

শাহীনুর।

---

টেবিলের ওপর রাখা সেই ক্ষুদ্র ট্রান্সমিটারটি এখনো চালু।

মেহেদী ইচ্ছে করেই জোরে জোরে বলল,

"সব প্রস্তুত?"

মারুফও অভিনয় করে উত্তর দিলেন,

"হ্যাঁ। রাত বারোটায় আমরা উত্তর মহাসড়ক দিয়ে শহর ছাড়ব।"

ডিভাইসটির ছোট সবুজ আলো একবার জ্বলে উঠল।

মিতু নিচু গলায় বলল,

"ওপাশে কেউ সিগন্যাল গ্রহণ করেছে।"

---

কিন্তু বাস্তবে...

তারা শহর ছাড়ার কোনো পরিকল্পনাই করেনি।

বরং থানার পেছনের একটি পরিত্যক্ত গুদামে অবস্থান নিল।

সেখানে আগে থেকেই ক্যামেরা, ড্রোন এবং কয়েকজন সাদাপোশাকের পুলিশ মোতায়েন ছিল।

---

রাত ১২টা।

উত্তর মহাসড়কে পুলিশের একটি খালি গাড়ি ধীরে ধীরে এগোতে লাগল।

দূর থেকে দেখলে মনে হবে, মেহেদীর দল সেটিতেই আছে।

দশ মিনিট কেটে গেল।

কিছুই ঘটল না।

---

হঠাৎ...

মহাসড়কের পাশে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ।

ধাম!

আগুনের গোলা আকাশে উঠে গেল।

খালি গাড়িটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ল।

দূর থেকে সবকিছু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।

মারুফ দাঁত চেপে বললেন,

"ওরা সত্যিই আক্রমণ করেছে!"

মেহেদী শান্তভাবে বলল,

"এটাই দরকার ছিল।"

---

ঠিক তখনই ড্রোন অপারেটর চিৎকার করে উঠল।

"স্যার!"

"দুইজন লোক বিস্ফোরণের জায়গা থেকে দক্ষিণের জঙ্গলের দিকে পালাচ্ছে!"

---

মারুফ নির্দেশ দিলেন,

"সব ইউনিট এগিয়ে যাও!"

---

অন্ধকার জঙ্গলের ভেতর ধাওয়া শুরু হলো।

একজন দ্রুত পালিয়ে গেল।

অন্যজন কাঁটাঝোপে আটকে পড়ল।

পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলল।

লোকটির মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা।

হাতকড়া পরানো হলো।

---

মারুফ মুখোশ খুলতেই সবাই অবাক।

লোকটি অঘোরী রুদ্র নয়।

সে মাত্র বিশ-বাইশ বছরের এক যুবক।

ভয়ে কাঁপছে।

---

মারুফ কঠিন গলায় বললেন,

"রুদ্র কোথায়?"

যুবক মাথা নাড়ল।

"আমি জানি না।"

---

মেহেদী ধীরে তার সামনে বসল।

"তোমার নাম?"

"ইমরান।"

"কত দিন ধরে কাজ করছ?"

"ছয় মাস।"

---

"তোমার কাজ কী ছিল?"

"শুধু নির্দেশ পালন করা।"

"কার নির্দেশ?"

যুবক চুপ।

---

মেহেদী তার হাতে তাকাল।

আঙুলে পোড়ার দাগ।

নখের নিচে কালো রাসায়নিকের চিহ্ন।

মিতু ফিসফিস করে বলল,

"বিস্ফোরক বানানোর উপাদানের সংস্পর্শে এলে এমন দাগ হতে পারে। তবে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত করতে হবে।"

---

মেহেদী আবার বলল,

"তোমাকে কি বলা হয়েছিল গাড়িটা উড়িয়ে দিতে?"

ইমরান ধীরে মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ।"

"কেন?"

"কারণ..."

"ওরা বলেছিল, গোয়েন্দা মেহেদী আজ রাতেই মারা যাবে।"

---

ঘরে আবার নীরবতা।

মারুফ বললেন,

"ওরা তোমাকে ব্যবহার করেছে।"

---

ইমরানের চোখে পানি চলে এল।

"আমি কাউকে মারতে চাইনি।"

"ওরা বলেছিল গাড়িতে কেউ থাকবে না।"

---

মেহেদী এক মুহূর্ত চুপ করে রইল।

তারপর জিজ্ঞেস করল,

"তোমার সঙ্গে যোগাযোগ কীভাবে হতো?"

ইমরান উত্তর দিল,

"আমি কাউকে কখনো দেখিনি।"

"প্রতি বৃহস্পতিবার একটি লকারে নতুন নির্দেশ পেতাম।"

---

"কোন লকার?"

"নম্বর..."

সে কিছুক্ষণ ভাবল।

"...৩২৩।"

---

মেহেদী আর মারুফ একে অপরের দিকে তাকালেন।

আবার সেই সংখ্যা।

৩২৩।

---

ঠিক তখনই থানা থেকে জরুরি ফোন এল।

শাহীনুরের কণ্ঠ কাঁপছে।

"স্যার!"

"একটা বড় সমস্যা হয়েছে!"

মারুফ বললেন,

"কী হয়েছে?"

"আমরা যে ট্রান্সমিটারটা টেবিলে রেখেছিলাম..."

"...ওটা আসল ট্রান্সমিটার ছিল না।"

মেহেদীর মুখ গম্ভীর হয়ে গেল।

"মানে?"

---

"আসল ট্রান্সমিটার অনেক আগেই বদলে ফেলা হয়েছিল।"

"আমরা যে ডিভাইসটা খুঁজে পেয়েছিলাম..."

"...সেটা ছিল শুধু আমাদের বিভ্রান্ত করার জন্য।"

---

মেহেদী কয়েক সেকেন্ড কিছু বলল না।

তারপর ধীরে হাসল।

মারুফ বিস্মিত হয়ে বললেন,

"হাসছিস কেন?"

মেহেদী উত্তর দিল,

"কারণ এবার নিশ্চিত হলাম..."

"আমাদের প্রতিপক্ষ শুধু আমাদের পরিকল্পনা জানে না।"

"...সে জানে আমরা কীভাবে চিন্তা করি।"

ঠিক সেই মুহূর্তে ইমরানের পকেটের ভেতর থেকে একটি ক্ষুদ্র ডিভাইস বিপ... বিপ... শব্দ করতে শুরু করল।

মিতু চিৎকার করে উঠল,

"সবাই দূরে সরে যান!"

ডিভাইসটি কি শুধু একটি ট্র্যাকার...

নাকি আরও ভয়ংকর কিছু?

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4452
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ৪: তৃতীয় বৃত্তের ফাঁদ পুলিশের গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে গ্রামের কাঁচা রাস্তা ধরে ছুটে চলেছে। মারুফ ওয়্যারলেসে বারবার বলছেন, "কেউ বৃত্তের ভেতরে যাবে না।" "এলাকা খালি ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ২: স্মৃতি চোর পর্ব ২৬: পুরোনো রেলস্টেশনের ফাঁদ রাতভর কারও চোখে ঘুম এল না। পুরোনো রেলস্টেশনে যাওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে থানার তদন্তকক্ষে দীর্ঘ আলোচনা চলল। মারুফ দৃঢ় গলায় বললেন, "এটা স্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
38 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৪: তৃতীয় বিজ্ঞানী ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ একটি কথাও বলল না। ঘরের মধ্যে শুধু কম্পিউটারের ফ্যানের মৃদু শব্দ। মেহেদী ধীরে স্ক্রিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫৩: হার্ডড্রাইভ ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কগনিটিভ রিসার্চ সেন্টারের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া এখনো উঠছে। মেহেদী কালো হার্ডড্রাইভটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৫২: আগুনের ভেতরের সত্য নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া দ্রুত ওপরে উঠতে শুরু করল। ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। পিঁ... পিঁ... পিঁ... শাহীনুর চিৎকার কর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...