Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ৪২: মৃত মানুষের ছায়া ( কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
31 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   25 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত

পর্ব ৯: মৃত মানুষের ছায়া

রাত সাড়ে দশটা।

মারুফের অফিসের তদন্তকক্ষে চারজন চুপচাপ বসে আছে।

টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে তিনটি কেসের ছবি, মানচিত্র, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ড. আরিফ সালেহের পুরোনো গবেষণার কাগজপত্র।

ঘরের একমাত্র শব্দ ছিল দেয়ালের ঘড়ির টিকটিক।

হঠাৎ মেহেদী নীরবতা ভাঙল।

"আমি একটা প্রশ্ন করছি।"

"যদি ড. আরিফ সত্যিই NEXUS তৈরি করে থাকেন..."

"...তাহলে তিনি কোথায়?"

কেউ উত্তর দিতে পারল না।

---

মিতু ল্যাপটপে পুরোনো সরকারি নথি খুলে বলল,

"ড. আরিফকে আঠারো বছর আগে নিখোঁজ ঘোষণা করা হয়েছিল।"

সৌরভ অবাক হয়ে বলল,

"লাশও পাওয়া যায়নি?"

"না।"

"মৃত ঘোষণা করা হয়?"

"আইনগতভাবে নয়।"

মেহেদী চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করল।

"তাহলে..."

"...তিনি মারা গেছেন, এই ধারণারও কোনো প্রমাণ নেই।"

---

ঠিক তখনই শাহীনুর একটি ফাইল টেবিলে রাখল।

"এটা দেখ।"

ফাইলটি প্রথম ভিকটিম আবদুল কাদেরের ব্যাংক হিসাবের।

মৃত্যুর মাত্র তিন দিন আগে তার অ্যাকাউন্টে পাঁচ লাখ টাকা জমা হয়েছে।

মারুফ ভ্রু কুঁচকে বললেন,

"একজন সাধারণ কৃষকের হিসাবে এত টাকা?"

মিতু বলল,

"আরও অদ্ভুত ব্যাপার আছে।"

"টাকাটা পাঠিয়েছে একটি গবেষণা ট্রাস্ট।"

"নাম?"

Aster Foundation for Cognitive Research

ঘরে আবার নীরবতা।

---

মেহেদী ধীরে ধীরে ফাইল বন্ধ করল।

"ASTER টাকা দিল।"

"NEXUS হত্যা করল।"

"নাকি..."

"...দুটোই একই খেলার অংশ?"

---

এই সময় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো।

একজন কনস্টেবল ভেতরে ঢুকে একটি খাম দিল।

"স্যার, বাইরে একজন মোটরসাইকেল আরোহী এটা দিয়ে চলে গেছে।"

"লোকটাকে ধরতে পারেননি?"

"না স্যার। হেলমেট পরে ছিল।"

---

খামের ওপর শুধু লেখা,

"মেহেদীর জন্য। একা পড়বে।"

মারুফ বললেন,

"সাবধানে খোল।"

মেহেদী গ্লাভস পরে খাম খুলল।

ভেতরে একটি পুরোনো সাদা-কালো ছবি।

ছবিতে চারজন মানুষ দাঁড়িয়ে।

তিনজনের মুখ স্পষ্ট।

চতুর্থ ব্যক্তির মুখ কালো কালি দিয়ে ঘষে মুছে ফেলা।

ছবির পেছনে হাতে লেখা একটি বাক্য।

> "যে মানুষটাকে তুমি খুঁজছ, সে কখনো নিজের নাম ব্যবহার করে না।"

---

মেহেদী ছবিটা আলোয় ধরতেই তার চোখ আটকে গেল।

ডান পাশে দাঁড়ানো মানুষটিকে সে চিনতে পারল।

"এটা..."

মারুফ ছবির দিকে তাকালেন।

"চেনিস?"

"হ্যাঁ।"

"উনি ড. আরিফ।"

সবাই অবাক হয়ে তাকাল।

---

মিতু হঠাৎ ছবির নিচের অংশে আঙুল রাখল।

"এক মিনিট..."

সেখানে একটি ছায়া দেখা যাচ্ছে।

চারজন মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও...

মাটিতে পড়েছে পাঁচজনের ছায়া।

সৌরভ হেসে বলল,

"ক্যামেরার ভুল?"

মেহেদী মাথা নাড়ল।

"না।"

"সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী এটা সম্ভব না।"

---

সে ছবিটা বড় করে দেখল।

ধীরে ধীরে রহস্যটা পরিষ্কার হলো।

পঞ্চম ছায়াটি কোনো মানুষের নয়।

ক্যামেরার ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজনের।

অর্থাৎ...

ছবিটি যিনি তুলেছেন, তিনিও এত কাছে দাঁড়িয়েছিলেন যে তাঁর ছায়াও ফ্রেমে পড়েছে।

---

মেহেদীর চোখ জ্বলে উঠল।

"ছবি কে তুলেছে?"

মারুফ বললেন,

"পেছনে কি স্টুডিওর নাম আছে?"

ছবির উল্টো পাশে ছোট্ট একটি সিল।

রূপালী স্টুডিও, ময়মনসিংহ।

---

ঠিক তখনই মিতুর কম্পিউটার থেকে একটি সতর্কবার্তার শব্দ এল।

"মেহেদী!"

"কী হয়েছে?"

"আমি ছবিটা ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যারে চালিয়েছি।"

"ফলাফল?"

মিতুর গলা শুকিয়ে গেল।

"ড. আরিফের পাশে দাঁড়ানো মানুষটার মুখ..."

"...মারুফ স্যারের সঙ্গে ৯১ শতাংশ মিল পাচ্ছে।"

ঘরের বাতাস যেন জমে গেল।

মারুফ হতবাক।

"অসম্ভব!"

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনের দিকে এগিয়ে গেল।

সে কয়েক সেকেন্ড মনোযোগ দিয়ে ছবিটা দেখল।

তারপর ধীরে বলল,

"না।"

"সফটওয়্যার ভুল করেনি..."

"...কিন্তু সিদ্ধান্ত ভুল হবে।"

সৌরভ জিজ্ঞেস করল,

"মানে?"

মেহেদী ছবির মানুষটির কপালের দিকে আঙুল দেখাল।

"দেখো..."

"লোকটার ডান ভ্রুর ওপর একটি কাটা দাগ আছে।"

সে মারুফের দিকে তাকাল।

"আপনার নেই।"

মারুফ মাথা নাড়লেন।

"না।"

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"মুখের গঠন মিললেই একই মানুষ হয় না।"

"এটা হতে পারে..."

"...আপনার কোনো আত্মীয়।"

মারুফ কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে ফিসফিস করে বললেন,

"আমার বড় ভাই..."

"...মাহির।"

"তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানী ছিলেন।"

"প্রায় কুড়ি বছর আগে নিখোঁজ হন।"

ঘরের সবাই একসঙ্গে তাঁর দিকে তাকাল।

মারুফ এতদিন কখনও তাঁর ভাইয়ের কথা বলেননি।

মেহেদী ধীরে ছবিটা আবার হাতে নিল।

তার মনে হলো...

কেসটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নয়।

এটি এমন একটি অতীতের দরজা খুলছে, যেখানে ASTER, NEXUS, ড. আরিফ... এবং মারুফের নিজের পরিবারও জড়িয়ে আছে।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4396
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৩৬: মৃত মানুষের আঙুলের ছাপ ফরেনসিক রিপোর্টের কপি টেবিলের ওপর রাখা। ঘরের সবাই একই কাগজের দিকে তাকিয়ে আছে। Fingerprint Match: ৯৭.৮% Reference Record: Professor Afsar Rahman মারুফ ধীরে বললেন, "এটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ২৭: মৃত মানুষের কণ্ঠ অঘোরী রুদ্রের মুখে "M-7" শব্দটা শোনার পর মেহেদী এক মুহূর্তের জন্যও নিজের বিস্ময় প্রকাশ করল না। বরং সে লক্ষ্য করল লোকটার চোখ। একজন মানুষ যখন [...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৫: আমি কে? বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষের ভেতর শুধু সার্ভারের শব্দ। হাজার হাজার ছোট আলো একসঙ্গে জ্বলছে। মনে হচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে কোনো বিশাল যন্ত্র নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৪: শেষ পরীক্ষার নিয়ম ভিডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলল না। মেহেদী নিজের দিকে তাকিয়ে থাকা সবার চোখ অনুভব করতে পারছিল। কিন্তু তার মাথার ভেত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ২৩: প্রতিচ্ছবি ঘরের সবাই যেন পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে গেল। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ... মেহেদীর মুখের সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যায়। একই চোখ। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
38 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...