Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

১০৭

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (11,421 পয়েন্ট)   12 মিনিট পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক

বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ।

পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে।

ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেসে এল,

"মেহেদী! চারদিক থেকে সশস্ত্র লোক এগিয়ে আসছে!"

---

মেহেদী দ্রুত রুদ্রের দিকে তাকাল।

"এরা কারা?"

---

রুদ্র শান্ত গলায় বলল,

"কামরানের লোক নয়।"

---

"তাহলে?"

---

"ওরা ভাড়াটে।"

"কামরান কখনো নিজের হাতে যুদ্ধ করে না।"

"সে শুধু দাবার চাল দেয়।"

---

ঠিক তখনই আশ্রমের প্রধান দরজা ধীরে ধীরে খুলে গেল।

কোনো গুলি নয়।

কোনো বিস্ফোরণ নয়।

শুধু ভারী বুটের শব্দ।

ঠক... ঠক... ঠক...

অন্ধকার করিডোর পেরিয়ে একজন মানুষ ভেতরে এল।

কালো কোট।

সাদা শার্ট।

চোখে পাতলা ফ্রেমের চশমা।

ড. কামরান হক।

---

তিনি চারপাশে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন।

"অবশেষে..."

"আমার দুই ছাত্র আবার একসঙ্গে।"

---

মেহেদীর চোখ কঠিন হয়ে উঠল।

"আমরা তোমার ছাত্র নই।"

---

কামরান মাথা নাড়লেন।

"স্মৃতি হারালে সত্য বদলে যায় না।"

---

রুদ্র নিচু গলায় বলল,

"আমি তোকে বলেছিলাম..."

"সে আসবেই।"

---

কামরান ধীরে ধীরে তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন।

তার হাতে কোনো অস্ত্র নেই।

শুধু একটি ছোট রিমোট।

---

মারুফ ও তার দল ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই রুদ্র চিৎকার করে উঠল,

"কেউ ভেতরে আসবেন না!"

---

মারুফ থমকে গেলেন।

"কেন?"

---

রুদ্র রিমোটটির দিকে তাকিয়ে বলল,

"কারণ ওটা শুধু রিমোট নয়।"

"পুরো ভবন বিস্ফোরকের সঙ্গে সংযুক্ত।"

---

ঘরের ভেতর নিস্তব্ধতা নেমে এল।

---

কামরান হালকা হেসে বললেন,

"ভয় পেও না।"

"আমি ভবন উড়িয়ে দিতে আসিনি।"

"আমি শুধু নিশ্চিত হতে চাই..."

"...আজকের কথোপকথন কেউ বাধা দেবে না।"

---

তিনি রিমোটটি টেবিলের ওপর রেখে দুই হাত তুলে দেখালেন।

"দেখো।"

"আমি নিরস্ত্র।"

---

মেহেদী ঠান্ডা গলায় বলল,

"তুমি হাজার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করেছ।"

"আজ কী বলতে চাও?"

---

কামরানের মুখ থেকে হাসি মিলিয়ে গেল।

তিনি ধীরে বললেন,

"আমি কাউকে দানব বানাতে চাইনি।"

"আমি চেয়েছিলাম..."

"...মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা বুঝতে।"

---

"তাহলে রুদ্র?"

---

কামরান রুদ্রের দিকে তাকালেন।

অনেকক্ষণ চুপ থেকে বললেন,

"আমি ওর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।"

---

রুদ্র তিক্ত হেসে উঠল।

"বিশ বছর পরে?"

---

কামরান নিচু গলায় বললেন,

"ক্ষমা সব ক্ষত সারায় না।"

"আমি সেটা জানি।"

---

মেহেদী বিস্মিত।

এমন উত্তর সে আশা করেনি।

---

ঠিক তখনই রুদ্র হঠাৎ কাশতে শুরু করল।

প্রথমে হালকা।

তারপর প্রবল।

তার হাতের ফাঁক দিয়ে রক্ত মেঝেতে পড়ল।

---

মেহেদী ছুটে গেল।

"রুদ্র!"

---

রুদ্র দুর্বল গলায় বলল,

"আমি অনেক দিন ধরে অসুস্থ।"

"এটাই ছিল..."

"...আমার সময় শেষ হওয়ার আগে সব সত্য বলার শেষ সুযোগ।"

---

মেহেদী অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।

"কী হয়েছে তোর?"

---

রুদ্র মৃদু হেসে বলল,

"Project Mirror..."

"শুধু স্মৃতি নিয়ে খেলা করেনি।"

"আমার শরীরটাও..."

"...ধীরে ধীরে ভেঙে দিয়েছে।"

---

কামরান চোখ নামিয়ে ফেললেন।

তার মুখে স্পষ্ট অনুশোচনা।

তিনি খুব আস্তে বললেন,

"আমি ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম।"

---

রুদ্র মাথা নাড়ল।

"না।"

"তুমি আমাকে ঠিক করতে চেয়েছিলে।"

"বাঁচাতে নয়।"

---

ঘরের ভেতর আবার নীরবতা।

বিশ বছরের প্রতিশোধ, অপরাধ আর রহস্যের আড়ালে প্রথমবার...

একটি গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ঠিক তখনই রুদ্র মেহেদীর হাতে সেই ছোট রেকর্ডারটি তুলে দিল।

সে ফিসফিস করে বলল,

«"এবার সত্যটা মানুষের সামনে নিয়ে যা..."»

«"যেন আর কোনো শিশুর জীবন এভাবে বদলে না যায়।"»

মেহেদী রেকর্ডারটি শক্ত করে ধরে রইল।

সে বুঝতে পারল...

এই লড়াইয়ের শেষ অধ্যায় শুরু হয়ে গেছে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচবে কে...

আর সত্যের মূল্য কত বড় হবে...

সেই উত্তর এখনও বাকি।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 566 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 11421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4482
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭২: শেষ সাক্ষাৎকার ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও কেউ নড়ল না। মেহেদী স্থির দৃষ্টিতে কালো হয়ে যাওয়া মনিটরের দিকে তাকিয়ে রইল। রুদ্রের শেষ �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭১: দুই বন্ধুর গল্প থানার জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে নিস্তব্ধতা। বৃদ্ধ শিক্ষক ধীরে ধীরে চেয়ারে বসলেন। তার হাত কাঁপছে। চোখে বহু বছরের জমে থা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭০: দুটি পথ ভোর ৫টা ১০। থানার ছাদে একা দাঁড়িয়ে আছে মেহেদী। পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছে। কিন্তু তার মনে যেন আরও ঘন অন্ধকার। কামরানের শেষ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3531 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2162 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...