Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

৯৯

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
29 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   26 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
পেশ করছি পরবর্তী পর্ব।

কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া

পর্ব ৬৬: A-0

রাত ১টা ১৫।

জাতীয় আর্কাইভ ভবনের চারপাশ নীরবে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ।

কোনো সাইরেন নেই।

কোনো হইচই নেই।

মেহেদীর নির্দেশ পরিষ্কার।

"কামরান যদি ভেতরে থাকে, তাহলে সে আমাদের আসার খবর আগে থেকেই জানবে।"

---

ভবনের পরিচালক কাঁপা হাতে প্রধান দরজার তালা খুললেন।

তিনি নিচু গলায় বললেন,

"পঁচিশ বছর ধরে এখানে চাকরি করছি।"

"কিন্তু A-0 নামে কোনো কক্ষের কথা কখনো শুনিনি।"

---

মিতু কাঁচের শিশির ওপর খোদাই করা মানচিত্রটি আবার স্ক্যান করল।

সে ভবনের আসল নকশার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে।

কিছুক্ষণ পর সে থেমে গেল।

"পেয়েছি!"

---

মেহেদী এগিয়ে এল।

"কোথায়?"

---

"এখানে একটা অমিল আছে।"

সে নকশার একটি দেয়ালে আঙুল রাখল।

"সরকারি নকশায় এই দেয়ালটির পুরুত্ব দেড় ফুট।"

"কিন্তু বাস্তবে..."

"...এটা প্রায় চার ফুট।"

---

মারুফ বললেন,

"মানে মাঝখানে ফাঁকা জায়গা আছে?"

---

"ঠিক তাই।"

---

পুলিশ দেয়ালটি বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করল।

ফলাফল স্পষ্ট।

দেয়ালের ওপাশে একটি ফাঁপা কক্ষ।

---

কিন্তু কোনো দরজা নেই।

কোনো সুইচও নেই।

---

মেহেদী দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে রইল।

তার মনে পড়ল R-9-এর দরজার কথা।

সেখানেও কোনো দরজা চোখে পড়েনি।

---

সে চারপাশে তাকাতে লাগল।

দেয়ালের পাশে একটি পুরোনো ঘড়ি।

১৯৪৮ সালের তৈরি।

বহু বছর ধরে বন্ধ।

---

মেহেদী ঘড়িটি খুলে দেখল।

পেছনে ছোট্ট একটি লিভার।

লিভারটি নামাতেই...

ঘড়ররর...

দেয়ালটি ধীরে ধীরে সরে গেল।

---

সামনে অন্ধকার একটি সরু সিঁড়ি।

নিচে নেমে গেছে।

---

মারুফ অস্ত্র তুলে বললেন,

"সাবধানে।"

---

সবাই নিচে নামল।

প্রায় ত্রিশ ধাপ পরে একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ কক্ষে পৌঁছাল তারা।

ঘরটি ধুলোয় ঢাকা।

কিন্তু মাঝখানে একটি অংশ একেবারে পরিষ্কার।

মনে হচ্ছে...

সম্প্রতি কেউ এখানে ছিল।

---

সেখানে একটি লোহার টেবিল।

টেবিলের ওপর রাখা টাইটেনিয়ামের কন্টেইনার।

সেই কন্টেইনার...

যেটি থানা থেকে চুরি হয়েছিল।

---

সৌরভ আনন্দে বলে উঠল,

"আমরা পেয়ে গেছি!"

---

মেহেদী সঙ্গে সঙ্গে হাত তুলে সবাইকে থামাল।

"কেউ ছুঁবে না।"

---

ঠিক তখনই স্পিকারে কামরানের কণ্ঠ ভেসে এল।

"ভালো, মেহেদী।"

"তুমি আগের চেয়ে অনেক বেশি ধৈর্যশীল হয়েছ।"

---

মেহেদী শান্ত গলায় বলল,

"তুমি জানতেই আমরা এখানে আসব।"

---

"অবশ্যই।"

"কারণ A-0 কোনো লুকানোর জায়গা নয়।"

"এটা ছিল..."

"...তোমাদের জন্য রেখে যাওয়া একটি পরীক্ষা।"

---

মিতু কন্টেইনারটি স্ক্যান করল।

তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

"মেহেদী..."

"এটার ভর ঠিক নেই।"

---

"মানে?"

---

"ফাইল অনুযায়ী কন্টেইনারের ওজন হওয়ার কথা ১২.৮ কেজি।"

"এখন..."

"...এটা মাত্র ৭.১ কেজি।"

---

ঘরের সবাই থমকে গেল।

---

মারুফ ধীরে বললেন,

"অর্থাৎ..."

---

মেহেদী বাকিটা বলল।

"ভেতরের জিনিস আগেই বের করে নেওয়া হয়েছে।"

---

স্পিকারে আবার কামরানের কণ্ঠ শোনা গেল।

"অবশেষে বুঝতে পারলে।"

"তোমরা যা উদ্ধার করেছ..."

"...সেটা শুধু একটি খালি খোলস।"

---

হঠাৎ টেবিলের পাশে একটি ছোট মনিটর জ্বলে উঠল।

সেখানে লাইভ ভিডিও।

একটি অজানা কক্ষ।

সাদা দেয়াল।

উজ্জ্বল আলো।

মাঝখানে একটি চেয়ারে বসে আছেন...

ড. নাদিয়া রহমান।

তার হাত বাঁধা নয়।

তিনি শান্তভাবে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন।

তারপর ধীরে বললেন,

"মেহেদী..."

"এবার আর আমার কথা শুনবে না।"

"কামরান ঠিক এটাই চায়।"

ভিডিও হঠাৎ কেটে গেল।

তার জায়গায় একটি মাত্র বাক্য ভেসে উঠল।

«"Phase Two has already begun."»

মেহেদী বুঝতে পারল...

তারা আবারও এক ধাপ পিছিয়ে পড়েছে।

কামরানের আসল পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

আর এখন...

শুধু তাকে ধরা নয়,

সময়ের সঙ্গেও লড়াই করতে হবে।

চলবে...
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4474
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৬: ছায়ার আড়ালের ছায়া হেলিকপ্টারের শব্দে পুরো অনাথ আশ্রম কেঁপে উঠছে। রোটরের বাতাসে ভাঙা জানালার কাচ ছিটকে পড়ছে মেঝেতে। মারুফ ও ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৫: সাক্ষ্য ঘরের ভেতর এতটাই নীরব যে রুদ্রের কাশির শব্দও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। মেহেদীর হাতে ছোট্ট রেকর্ডারটি। এটাই হয়তো বিশ বছরের সবচে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৪: আসল খলনায়ক বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ। পুরোনো অনাথ আশ্রমের জানালার কাচ ভেঙে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ছে। ওয়্যারলেসে মারুফের কণ্ঠ ভেস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পেশ করছি পরবর্তী পর্ব। কেস ৪: অঘোরী রুদ্রের ছায়া পর্ব ৭৩: বিশ বছর পর রাত ১০টা ৪৭। শালবন গ্রামের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুতের ঝলকানি পুরো গ্রামকে এক মুহূর্তের জন্য আলোকিত করে আব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...