তুমুল বৃষ্টির দিনে জানালার কাঁচে
তোমার নামে কোনো অপেক্ষা না জমুক ;
রাত গাঢ় হলে নির্জন বাতাস
আমার দরজায় কড়া না নাড়ুক।
তোমাকে ছুঁতে ছুঁতে যে পথ
আমার ভেতর দিয়ে বহুদূর চলে গিয়েছিল,
সে পথে এবার বুনো ঘাস জন্মাক,
শেওলা পড়ুক পুরোনো পায়ের চিহ্নে;
দুজনের ছায়া পাশাপাশি হাঁটত।
একটি নামের নক্ষত্র গুনতে গুনতে,
অপেক্ষার দরজায় কপাল ঠেকিয়ে ফিরে গেছে।
কিন্তু তার আলোয় তোমার মুখ না থাকুক;
আমারই হারিয়ে যাওয়া আলোদের কাছে।
আমার সমস্ত স্রোত নিয়ে ছুটেছিল,
তার মোহনায় এবার চর জাগুক;
শীতের সকালের কুয়াশার মতো
শুধু স্মৃতির শুকনো ফুলটি
শুধু কোনো এক অচেনা বর্ষার রাতে
হঠাৎ যদি তোমার কথা মনে পড়ে,
জানালার পর্দা সরিয়ে দেখব—
বৃষ্টি তার নিজের মতোই ঝরছে,
অন্ধকার তার নিজের মতোই গভীর,
আর আমার ভেতরের যে দরজাটি
এতদিন তোমার জন্য খোলা ছিল,
শুধু নীরবতা পাহারা দিচ্ছে।
জীবনে থাকার জন্য আসে না;
শুকনো পাতার মতো ঝরে যায়,
একটি অনুপস্থিত বসন্তের কথা।
শুধু তার কোনো ঠিকানা না থাকুক।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।