পাহালিয়ার তীরে ধাবমান যে হাওয়া,
জ্ঞাত ভূলোক, জানে জান্নাতুল মাওয়া।
রশীদি মেহফিল হতে রুশদ-ঝরনা লয়ে,
ছুটছে কারা পৃথ্বীর পথে নববি বার্তা বয়ে!
রশীদি রওশনে রঞ্জিত রুহের মিনার,
ইলমের ইশারায় জাগে নিদ্রিত দিগন্তপার।
তাহকিকের তূণে তাফাক্কুরের তির,
জাহালতের জিঞ্জির ভাঙে,জ্বলে নূরের নীড়।
পাহালিয়ার পললে পললে শুদ্ধির ধ্বনি,
রশীদিয়ার রাহে রাহে রুশদের রজনী।
কিতাবের ক্যানভাসে কালের কাব্য আঁকা,
দরসের দিগন্তে দীপ্ত দীন-দরিয়ার ধারা।
সুফফার সওগাতে সঞ্জীবিত সত্তা,
তালিবের তলবে জাগে তাজদিদের বারতা।
মারেফতের মশালে মুছে মায়ার কুয়াশা,
রব্বানিয়্যাতের রঙে রাঙে রূহের প্রত্যাশা।
হে রশীদিয়া!তোমার রাহে রওশন রাহবার,
তোমার তরবিয়তে দূরীভূত হবে নিকষ আঁধার।
পৃথ্বীর প্রান্তরে প্রেরিত হবে তোমার সন্তান,
ইলমের ইনকিলাবে লিখবে উম্মাহর জয়গান।
রফিক আতা
১৩,৭,২৬|সোমবার
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।