এক বিপ্লবী অভিপ্রায় নিয়ে
এ শহরের দরজায় প্রথম কড়া নাড়া,
এই ইলমি ইদারায় প্রথম কদম রাখা,
তারপর তার অলিগলি, ছায়া-ঢাকা শহরতলী—
সবখানেই হেঁটে যাওয়া,
উদাসী সন্ন্যাসীর মতো,
শুদ্ধির পুরোধার সাথে কথা বলতে বলতে।
হঠাৎ একদিন, অচেনা এক ঝড় আসে—
ধুলোর চাদরে ঢেকে যায় চেনা পথগুলো,
দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে বাতির আলো,
আর হৃদয়ের গোপন করিডোরে
যত্নে রাখা স্বপ্নগুলো
দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে থাকে
শুকনো পাতার মতো।
তখন প্রশ্ন জাগে—
এই ঝড় কি সত্যিই আকাশের,
নাকি নিজের ভেতরে জন্ম নেওয়া
অযত্নে বড় হয়ে ওঠা এক আত্ম-ঝঞ্ঝা?
নফসের অবচেতন সহিংসতা?
বিপ্লব তো কেবল চিৎকার নয়—
আত্মশুদ্ধি তো কেবল হাহাকার নয়—
কখনো কখনো ভাঙনের মধ্য দিয়েই
নবজন্মের প্রস্তুতি নেয় তারা,
আর প্রতিটি ধ্বংসস্তূপের নিচে
নীরবে জেগে ওঠে
একটি অবিচারহীন, স্বচ্ছ আলো।
আমি শুধু দাঁড়িয়ে দেখি—
আমারই পদচিহ্ন
আমাকে কোথায় ফিরিয়ে নেয়,
নফসের চৌকাঠে—
নাকি আত্মশুদ্ধি ও ইলমের কণ্টক পথে।
রচয়িতা— রফিক আতা
রচনাকাল—
সাত, বারো, পঁচিশ ইং
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।