হৃদয়ের নৈঋতে তখন পাপ-পথের রঙিন পসরা।
বেপরোয়া মন, এক লাওয়ারিশ ভবঘুরে,
নিষিদ্ধ গলির ভেজা অন্ধকার মাড়িয়ে হেঁটে চলে অবিরাম।
অনাকাঙ্ক্ষিত আকাঙ্ক্ষাদের কাছে বারবার পরাজিত হয়ে
আমি জীবনের দুর্বোধ্য জ্যামিতি আঁকতে বসি;
কখনো সরলরেখা ভেবে এঁকে ফেলি বক্র নিয়তি,
কখনো সুখের বৃত্তে টানি বিষাদের উপবৃত্ত।
ভুলগুলো মুছতে গিয়ে দেখি—
আঙুলে লেগে থাকে কলমের নীল কালি,
ঠিক যেমন পাপের দাগ লেগে থাকে আত্মার গোপন দেয়ালে।
সমস্ত ভাঙাচোরা সত্তাকে এখনো বাঁচিয়ে রাখে।
ধ্বংসস্তূপের মাঝেও জেগে থাকে ফিরে আসার ক্ষীণ প্রদীপ।
নিস্তব্ধতার বুক চিরে হঠাৎ উপলব্ধি জাগে—
নিজেকেই হারিয়ে ফেলা এক ক্লান্ত পথিক।
একতরফা আর্তনাদ আকাশ ভেদ করে উঠে যায়—
বড্ড এলোমেলো হয়ে গেছি আমি…
ভাঙা হৃদয়ের অক্ষরগুলো আবার তোমার আলোয় সাজিয়ে দাও।”
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।