পুকুরঘাটে ফেলে আসা শৈশব
রফিক আতা
আর বর্ষায় টইটম্বুর হয়ে ওঠা
মাটির পথ পুড়ত আগুনের মতো,
ঘুম ভাঙত গ্রামের দুপুরের,
কচুরিপানা সরে যেত দুদিকে,
সে ভেলা কোনো ভেলা ছিল না—
ছিল সাত সমুদ্র তেরো নদীর পথ,
যাত্রা করার প্রথম স্বপ্ন।
নাম-না-জানা কোনো দেশের যাত্রী।
আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানুষ হয়ে যেতাম!
ছড়িয়ে পড়ত গ্রামের এপাড়-ওপাড়।
পাড়ের ঘাসে ফিরত গরুর পাল,
শুকোতে দেওয়া থাকত ধানের খড়,
নাম ধরে ডাকত তার ছেলেকে।
আমাদের তখন ঘরে ফেরার নাম নেই—
তারপর মসজিদের মিনার থেকে
আচ্ছা, আজ তবে ফিরতেই হবে!
গামছা কাঁধে ফিরতাম বাড়ি।
পুকুরের জল হয়তো বদলে গেছে,
কলাগাছের ভেলাও আর ভাসে না।
জানালার কাঁচে যখন বৃষ্টি নামে,
ওই তো আবার বন্ধুরা ডাকছে,
আমাকে খুঁজে বেড়ায়।
রচনাকাল—
১৭,৯,২৬|বৃহস্পতিবার
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।