ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।
মূল অংশে যান

ই-নলেজ আইডিয়া

আপনার লেখার কি আছে নিজস্ব পরিচয়, স্বীকৃতি ও স্থায়ী ঠিকানা?

Author ID, স্বতন্ত্র eID, লেখার পরিচয় যাচাই, জীবন্ত পোর্টফোলিও ও ফ্রি প্রমোশন—লেখালেখির পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম।

বিস্তারিত পড়ুন ↓

আমাদের মনের ভেতর প্রতিদিন কত শত ভাবনা আসে, কত অনুভূতি জন্ম নেয়, কত কথা কাউকে বলতে ইচ্ছে করে! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। কিছু কথা কাউকে বলা হয় না, কিছু অনুভূতি ভাষা খুঁজে পায় না, আবার কিছু ভাবনা মুহূর্তের ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় চিরতরে।

অথচ সেই ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন একটি সুন্দর গল্প হয়ে উঠতে পারত, একটি কবিতা হয়ে কারও হৃদয় ছুঁতে পারত, কিংবা এমন কোনো লেখা হয়ে উঠতে পারত, যার মধ্যে অন্য কেউ খুঁজে পেত নিজের জীবনের গল্প।

তাই যা কিছু ভাবনায় আসে, তা এক বাক্যে হলেও লিখে রাখা উচিত। কে জানে, আজকের ছোট্ট একটি ভাবনাই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় লেখাটি হয়ে উঠবে!

আর একটা কথা ভেবেছেন? একদিন হয়তো আপনি অনেক দূরে চলে যাবেন। সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকেও আপনার নাম মুছে যেতে পারে। কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া লেখাগুলো আপনার অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। কেউ হয়তো আপনার লেখা পড়ে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন, আপনার অজানা কোনো অনুভূতি বুঝতে পারবেন। আপনি তাঁর কাছে অপরিচিত হয়েও লেখার মধ্য দিয়ে তাঁর অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেন। এটাই তো লেখার এক অসাধারণ ক্ষমতা!

কিন্তু এত সৃষ্টির স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো লেখা টাইমলাইনের নিচে হারিয়ে যায়, আইডির কিছু হলে লেখার সোর্সও মুছে যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে লেখাগুলো ছড়িয়ে থাকায় নিজের লেখক পরিচয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন। নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার তারিখ বা তথ্যও পরিবর্তন করা সম্ভব। আবার কেউ লেখা কপি করে নিজের নামে প্রকাশ করলে মূল লেখককেই অনেক সময় নিজের লেখার পরিচয় ও প্রকাশনার উৎস খুঁজে বের করে প্রমাণ করতে হয়।

একজন লেখক কি তাঁর সময় ও শ্রম লেখালেখিতে ব্যয় করবেন, নাকি নিজের লেখার লিংক ফেরি করে বেড়াবেন?

এই সমস্যাগুলোর সমাধানের ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে Enolej Idea। এটি কেবল লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নয়; লেখকের নিজস্ব পরিচয়, প্রতিটি সৃষ্টির স্বতন্ত্র পরিচয়, লেখার সংরক্ষণ, স্বীকৃতি এবং পাঠকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত ডিজিটাল লেখালেখির ইকোসিস্টেম।

১. নিজস্ব লেখক পরিচয় — Author ID

প্রতিটি লেখকের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর। নিজের লেখক প্রোফাইলে পরিচিতি, প্রকাশিত লেখা ও লেখালেখির পথচলা একসঙ্গে তুলে ধরতে পারবেন। এই Author ID Bio, CV কিংবা নিজের বইয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে লেখক হিসেবে আপনার পরিচয়ের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল ঠিকানা।

২. প্রতিটি লেখার আলাদা পরিচয় — eID

একজন লেখকের প্রতিটি সৃষ্টির জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র eID। এটি নির্দিষ্ট লেখাটিকে তার মূল প্রকাশনা ও লেখকের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে রাখবেন, Author ID হলো লেখকের পরিচয়, আর eID হলো নির্দিষ্ট লেখার পরিচয়।

৩. eID Verification System

eID Verified: লেখার সঙ্গে স্বতন্ত্র eID ও মূল প্রকাশনার রেফারেন্স যুক্ত করার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে লেখাটির পরিচয় ও Enolej Idea-তে মূল প্রকাশনার তথ্য তুলে ধরা যায়।

eID Scan: eID Verified চিহ্নযুক্ত লেখা স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে সংশ্লিষ্ট লেখক, eID ও মূল প্রকাশনার পরিচয় যাচাই করার সুবিধা।

eID Bridge: বাইরের প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্মেও eID ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যাতে মূল লেখার পরিচয় ও Enolej Idea-তে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে সংযোগ বজায় থাকে।

eID ব্যবস্থা লেখার পরিচয় ও মূল প্রকাশনার তথ্য যাচাই এবং স্বত্বের দাবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণে সহায়ক। এটি নিজে থেকে আইনি কপিরাইট নিবন্ধনের বিকল্প নয়।

৪. জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও

আপনার সব লেখা এক জায়গায় সাজিয়ে তৈরি করুন নিজের জীবন্ত পোর্টফোলিও। সময়ের সঙ্গে নতুন লেখা যুক্ত হবে, সমৃদ্ধ হবে আপনার লেখক পরিচয়। পাঠকও সহজেই এক জায়গা থেকে আপনার সব সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

৫. লেখালেখির আরও সুবিধা

সিরিজ ও পর্ব: ধারাবাহিক লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজিয়ে রাখুন, যাতে পাঠক সহজেই পরবর্তী পর্বগুলো খুঁজে পান।

Draft ও Notes: অসম্পূর্ণ লেখা, প্রাথমিক ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করুন।

এক ক্লিকে ই-বুক ও পাণ্ডুলিপি: নিজের প্রকাশিত লেখাগুলো একত্র করে ই-বুক বা পাণ্ডুলিপি তৈরি করুন।

পাঠকের সঙ্গে সংযোগ: মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকুন।

Points, Badges ও Ranking: লেখালেখি ও পাঠক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পয়েন্ট, ব্যাজ ও র‍্যাঙ্কিং অর্জনের সুযোগ।

ফ্রি প্রমোশন ও Google Discoverability: নিজের লেখা ও লেখক পরিচিতি আরও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ।

আপনার লেখালেখির যাত্রা শুরু করতে পারেন আজই।

আপনি নতুন লেখক হোন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন—নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে ভালোবাসলেই শুরু করতে পারেন। প্রতিটি লেখাই অসাধারণ হতে হবে, এমন নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভাবনাগুলোকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে নিজের লেখকসত্তাকে গড়ে তোলা।

আপনার ভাবনাগুলো মূল্যবান। সেগুলো শুধু আজকের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও যত্ন করে রেখে দিন।

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline] →

Enolej Idea — Write. Preserve. Be remembered.

পুকুরঘাটে ফেলে আসা শৈশব

৩১ জন পড়েছেন
লেখা যখন কণ্ঠে! শুনতে প্রস্তুত? প্রতি শনি, সোম ও বুধবার | বিকেল ৪টা ▶ FACEBOOK | ▶ YOUTUBE

শিহরিত শৈশব

লেখক: রফিক আতা | সিরিজ আইডি: #199 | পর্ব নং: 11
17 সেপ্টেম্বর "কবিতা" বিভাগে লেখা প্রকাশিত করেছেন (6,247 পয়েন্ট)  
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
eID স্ক্যান · লেখাটি যাচাই করা হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন…

পুকুরঘাটে ফেলে আসা শৈশব

রফিক আতা 

‎

‎সেই পুকুরটা আজও আছে

‎আছে পুরোনো সেই বাঁশঝাড়,

‎পাড়ের কচুরিপানা,

‎আর বর্ষায় টইটম্বুর হয়ে ওঠা

‎আমাদের ছোট্ট সমুদ্র।

‎

‎মনে পড়ে—

‎দুপুরের খরতাপে যখন

‎মাটির পথ পুড়ত আগুনের মতো,

‎আমরা তখন গামছা কাঁধে

‎ছুটতাম পুকুরপাড়ে।

‎মায়ের বকুনি উঠোনেই ফেলে

‎জলে ঝাঁপ দিয়ে দিতাম—

‎ছপাৎ!

‎

‎সে শব্দে যেন

‎ঘুম ভাঙত গ্রামের দুপুরের,

‎জল কেঁপে উঠত,

‎কচুরিপানা সরে যেত দুদিকে,

‎আর আমাদের দপাদপিতে

‎পুকুরটা হয়ে উঠত

‎একটি বুনো শৈশবের রাজ্য।

‎

‎কেউ সাঁতার কাটত ওপারে,

‎কেউ ডুব দিয়ে তুলে আনত

‎পুকুরের তলার মাটি,

‎কেউ আবার পাড়ে দাঁড়িয়ে

‎চিৎকার করে বলত—

‎“দেখ, আমি কত দূর যাই!”

‎

‎তারপর কলাগাছ কেটে

‎বাঁধা হতো ভেলা।

‎সে ভেলা কোনো ভেলা ছিল না—

‎ছিল আমাদের জাহাজ,

‎ছিল সাত সমুদ্র তেরো নদীর পথ,

‎ছিল অচেনা পৃথিবীর দিকে

‎যাত্রা করার প্রথম স্বপ্ন।

‎

‎একজন হতো মাঝি,

‎একজন রাজা,

‎আর বাকিরা—

‎নাম-না-জানা কোনো দেশের যাত্রী।

‎

‎বৈঠা ছিল বাঁশের কঞ্চি,

‎পাল ছিল পুরোনো গামছা,

‎তবু কী আশ্চর্য—

‎সেই ভেলায় বসেই

‎আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানুষ হয়ে যেতাম!

‎

‎পুকুরের জলে

‎ভেসে থাকত নীল আকাশ,

‎মেঘের ছায়া,

‎খেজুরপাতার দোলা—

‎আর আমাদের হাসি

‎জলের ঢেউ পেরিয়ে

‎ছড়িয়ে পড়ত গ্রামের এপাড়-ওপাড়।

‎

‎বিকেলের দিকে

‎পাড়ের ঘাসে ফিরত গরুর পাল,

‎কোনো ঘরের উঠোনে

‎শুকোতে দেওয়া থাকত ধানের খড়,

‎দূরে কোথাও হাঁস ডাকত,

‎কোনো বউ উঠোনে দাঁড়িয়ে

‎নাম ধরে ডাকত তার ছেলেকে।

‎

‎আমাদের তখন ঘরে ফেরার নাম নেই—

‎আরেকটু ভাসি,

‎আরেকবার ডুব দিই,

‎আরেকটু দপাদপি করি জলে—

‎এই করেই তো

‎সন্ধ্যা নেমে আসত।

‎

‎তারপর মসজিদের মিনার থেকে

‎আজানের ধ্বনি ভেসে এলে

‎হঠাৎ মনে হতো—

‎আচ্ছা, আজ তবে ফিরতেই হবে!

‎

‎ভেজা শরীরে

‎কাদামাখা পায়ে

‎গামছা কাঁধে ফিরতাম বাড়ি।

‎মায়ের চোখে রাগ,

‎কণ্ঠে বকুনি—

‎তবু সেই বকুনির ভেতরেই

‎লুকিয়ে থাকত পৃথিবীর

‎সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

‎

‎আজ কত বছর পেরিয়ে গেছে—

‎পুকুরের জল হয়তো বদলে গেছে,

‎ভেঙে গেছে সেই ঘাট,

‎কলাগাছের ভেলাও আর ভাসে না।

‎

‎তবু বর্ষার দিনে

‎জানালার কাঁচে যখন বৃষ্টি নামে,

‎কোথা থেকে যেন শুনি—

‎ছপাৎ!

‎

‎মনে হয়,

‎ওই তো আবার বন্ধুরা ডাকছে,

‎ওই তো পুকুরপাড়ে পড়ে আছে

‎আমার পুরোনো গামছা,

‎ওই তো কলাগাছের ভেলা

‎নিরবে অপেক্ষা করছে—

‎

‎শুধু আমি আর যাই না।

‎

‎আমি বড় হয়ে গেছি।

‎

‎আর আমার শৈশব—

‎সেই পুকুরের জলে

‎আজও দপাদপি করে

‎আমাকে খুঁজে বেড়ায়।


রচনাকাল—

১৭,৯,২৬|বৃহস্পতিবার 

আমি রফিক আতা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 305 টি লেখা ও 11 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 6247। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4874
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ

পর্ব 4 কেন মনে পড়ে শৈশব

কেন মনে পড়ে শৈশব রফিক আতা কেন মনে পড়ে শৈশব, কেন মনে পড়ে কৈশর, কেন হৃদয়ে ব্যথা জাগে— কেন বাঁধভাঙা কান্না নামে? কেন বেলাভূমি ফিরে আসেনা, কেন ছোট্ট বেলা আমায় ঢাকেনা, কেন উপচে পড়ে ব্যথা— কেন যন্ত্রণার এ ইশারা? নিঃশব্দ রাতে…

০ ০ ৩৫৮ ১ মিনিটের পড়া

পর্ব 11 ‎ঝড়ের রাইতে আজও মনে পড়ে শৈশব

‎ঝড়ের রাইতে আজও মনে পড়ে শৈশব ‎—রফিক আতা ‎ ‎গভীর রাত। আধার যেন নিকষ আধারেরই এক গভীর চাদরে ঢাকা পড়া । এরই মধ্যে হঠাৎ করেই শুরু হলো দমকা হাওয়া। আকাশের গুড়ুম গুড়ুম শব্দে যেন অদৃশ্য কোনো অস্থিরতা জমে উঠছে। দু-এক ফোঁটা…

পর্ব 7 শৈশব

নীরব চারপাশ। থমথমে উঠান বাড়ি।অদূরে মিটমিট জ্বলছে একটি ল্যাম্পপোস্ট। শূন্য থেকে শুনা যাচ্ছে ঝিঁঝি পোকার ব্যাথাতুর গান। সমগ্র আকাশ জুড়ে গোল্লাছুট খেলছে কালো মেঘের দল।-কেবল হারিয়ে ফেলা শৈশবের সাথে এক চিলতে মুক্তগদ্যের…

০ ০ ১৯২ ১ মিনিটের পড়া

পর্ব 8 আম শৈশব স্মরণে উদাস দুপুর

আম শৈশব স্মরণে উদাস দুপুর —রফিক আতা— আজকের দিনটি আমার কাছে বেস্ট। কারণ আমি আজ আরেকবার ফিরে গেলাম শৈশবে। আম শৈশবে। আমাদের সেই আম শৈশবে। যাকে হারিয়ে ফেলেছি আজ বহুদিন হয়ে গেলো। আমাদের ঘরের সামনেই একটি আমগাছ। যেখানে ঝুলে…

০ ০ ১৪১ ২ মিনিটের পড়া

পর্ব 7 যে রাতে শৈশব কেঁপে উঠেছিলো

যে রাতে শৈশব কেঁপে উঠেছিলো — রফিক আতা — দূরন্ত এক স্মৃতি। আবছা আবছা মন্থন। মখমল শৈশবের এক সন্ধ্যা। দশ বছর আগের পথ। একদিন দিন ফুরোল, আর সমাগম হলো নিশীথ। নিবিড় আধার ছড়িয়ে পড়ল প্রকৃতিজুড়ে। যেন রাত নিজেই শ্বাসরুদ্ধকর এক…

০ ০ ১৫৭ ৩ মিনিটের পড়া
...