কী এক মখমল ছিল মম শৈশব,
নারিকেল পাতায় যেন সুখের উৎসব।
আজব এক ঘড়ি, হাতে পড়ি,
কাঁটা নেই, সময় নেই, নেই তড়িঘড়ি।
ঠুনকো চশমার চোখে হেরি বড়বেলা,
কাচ নেই, গ্লাস নেই, তবু স্বপ্নের মেলা।
পাতায়, কাঁটায় দখিনা হাওয়ার পাখা,
যেন সময়ের প্রাচীন বাঁটে রঙিন শৈশব রাখা।
সবুজ পত্রের গোলচক্রে পাতার বাঁশরি,
যে সুরে মুগ্ধ হতো গাঁয়ের কিশোরী।
সেই পত্রেরই ছাউনি দিয়ে তৈরি খেলাঘর,
নকল শাড়ির মেকি বঁধু, মেকি তার বর।
সে পাতায় সখের বিছানা, শীতল পাটি
বিহান বেলায় তা নিয়েই মক্তবে ছুটি।
কীভাবে যেন বিচ্ছেদ হলো সেই শৈশব—
হাতে স্মার্টঘড়ি, আরও কত কী;
তবু এ-বেলা কোলাহলহীন, বড্ড নীরব।
—রফিক আতা
২৩,৮,২৬|রবিবার
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।