নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব
সিরিজ পর্ব-৫৪১
প্রথম কথা - আমাদের দলীল শুধু কোরআন না বরং রাসূল সা. এর হাদীসও। ইসলামের বিধান কোরআন ও হাদীসের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। আর দুটোই দুটোর পরিপূরক ।
এখন পয়েন্ট এতে আসি -
সে যে হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছে সেই হাদীসের হাদীসবিডির অনুবাদটা সংক্ষিপ্ত । আপনারা সুন্নাহডটকম থেকে হাদীসটা সম্পূর্ণ দেখে নিতে পারেন। লিংক -
https://sunnah.com/bukhari%3A6915?
পুরো রেওয়াত এর অংশ হলো -
আবূ জুহাইফা (রহ.) থেকে বর্ণিত:
আমি আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, “কুরআনে যা আছে, তার বাইরে আপনাদের কাছে কি কোনো ঐশী জ্ঞান বা লিখিত বিধান রয়েছে?”অথবা উয়াইনা যেভাবে বলেছিলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে যা আছে, তার বাইরে?” আলী (রাঃ) বললেন,
“শপথ সেই সত্তার, যিনি শস্যদানা বিদীর্ণ করে অঙ্কুরিত করেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেছেন! আমাদের কাছে কুরআনে যা রয়েছে, তা ছাড়া আর কিছু নেই। তবে আল্লাহর কিতাবের অর্থ ও বিধান বোঝার যে ক্ষমতা আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে দান করেন, তা রয়েছে। আর এই কাগজে যা লেখা আছে, সেটিও রয়েছে।”...
অর্থাৎ আলী (রা.) প্রথমেই পরিষ্কার করেছেন যে তাঁর কাছে আলাদা কোনো গোপন “দ্বিতীয় কিতাব” নেই। তারপর তিনি কাগজে যেটা লেখা আছে বলেছেন সেটা হলো রাসূল সা. এর হাদীস, সেখানে কোরআনের মতো আল্লাহর কোনো গোপন কালাম লেখা নেই... যেমনটা রাবী প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছিল।
সে যেহেতু ইসলাম নিয়ে একটা আক্রমণ করেছে তাই আমিও এখন পাল্টা একটা পয়েন্ট পেশ করব।
হিন্দুরা ( বিশেষ করে আর্য) বলে যে তাদের বেদ চূড়ান্ত এবং সকল জ্ঞানের মূল এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ । কিন্তু বেদ পড়লে আমরা দেখতে পাই যে - সেখানে বলা যে -
" ঋক, সাম যজুর্বেদ মন্ত্রগুলো পুরাণ আখ্যানের সাথে ব্রহ্ম থেকে জাত হয়েছে " ( সামবেদ - ১১/৪/৩) "
এখান থেকে বুঝতে পাচ্ছি যে হিন্দুদের যে বেদ সেগুলো সম্পূর্ণ না বরং এগুলোর সাথে পুরাণসহ অন্য শাস্ত্রও বিদ্যমান আছে যা স্রষ্টা নাযিল করেছে...... ( ইশ্বর যে বেদের সাথে পুরাণও নাযিল করেছে এই বিষয়ে আরও সুস্পষ্ট রেফারেন্স প্রদান করা যাবে) । অতএব হিন্দুরা যে বলে তাদের বেদ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং অন্যাম্য শাস্ত্র বাতিল এটা মূলত শাস্ত্র বিরোধী কথা.....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।