গোমূত্র সেবনকারী নিচু জাতের হিন্দুদের একটা কমন সমস্যা হলো ওদের ধর্মের যে কোনো কিছুকে আসলের চেয়েও দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি সময়কার আগের বলে। এই ব্রেইনলেস কমেন্ট এতে বলতাছে যে মহাভারত নাকি দশ হাজার বছর আগের লেখা! । আজ পযন্ত কোনো গবেষক গবেষণা করে মহাভারতের বয়স পাঁচ হাজার এর উপরে নিয়ে যেতে পারল না আর সে লাফ দিয়ে দশ হাজারে চলে গিয়েছে...... ।
আর এই মূর্খ মহিলা উপন্যাস + মহাকাব্য এর পার্থক্য জানে না।
উপন্যাস এর উৎপত্তিই হলো কয়েক শতাব্দী আগে, যে উপন্যাস এর উৎপত্তি হলো কয়েক শতাব্দী আগে তাহলে তা হাজার বছর আগে মহাভারত উপন্যাস হলো কি করে? । মহাভারত হলো একটা মহাকাব্য কোনো উপন্যাস না। এইসব WhatsApp ইউনিভার্সিটির পোলাপানদের উচিত বাস্তবে পড়ালেখা করা, তা না হলে সারা জীবন গোমূত্রের ইফেক্ট নিয়ে কাটাতে হবে... ।
ওহহ আরেকটা কথা মহাভারতে কিন্তু অনেক কিছুই লেখা নেই শ্রী কৃষ্ণ এর ব্যাপারে, তার মানে এই না যে সেগুলোর অস্তিত্ব নেই। রাধার কথা মহাভারতে নেই সত্য ( ওহহ আরেকটা কথা, কর্ণের পালকমা রাধাকে কেও আবার কৃষ্ণের প্রেমিক রাধা মনে কইরেন না...) কিন্তু অন্যান্য গ্রন্থে তার কথা আছে, যেমন - পদ্ম পুরাণ, দেবী-ভাগবত পুরাণ ( মহাদেবীর রূপ হিসেবে ), ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ (রাধা-কৃষ্ণের পরম দেবী হিসেবে), মৎস্য পুরাণ ( দেবীর রূপ হিসেবে ), লিঙ্গ পুরাণ (লক্ষ্মীর রূপ হিসেবে), বরাহ পুরাণ (কৃষ্ণের সহধর্মিণী হিসেবে), নারদ পুরাণ ইত্যাদি৷ আর মজার ব্যাপার হলো ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ সহ অন্যান্য পুরাণ কিন্তু চন্ডীদাস এর রচনাকালের থেকোপ পুরাতন। তো আমার কথা হলো চন্ডীদাসের আগেই যার উল্লেখ পুরাণগুলোতে আছে সে চরিত্রর রচয়িতা চন্ডীদাস হলো কি করে? এসব নমশূদ্র কি আদও পড়ালেখা করেছে নাকি WhatsApp ইউনিভার্সিটিই এদের সব কিছু... ।
তো আমি কিছু লেখলাম না এই বিষয়ে। এসব নিচু জাতের মূর্খ হেদুদের যতই বুঝায় না কেন এরা ঘোড়ার ডিমও বুঝবে না।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।