Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

মিরাজ ও ইসরার ঘটনা নিয়ে ভ্রান্ততার জবাব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
154 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,270 পয়েন্ট)   31 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#একটি_যুক্তিসঙ্গত_ও_নিরপেক্ষ_পর্যালোচনা

#ইসরা_ও_মিরাজ_নিয়ে_নাস্তিকদের_ভ্রান্ত_দাবি_ও সংশয়_নিরসন 

পর্ব-১ 

রাসূল এর আক আকসা মসজিদে গমন নিয়ে সুষুপ্ত পাঠকে মিথ্যাচারের জবাব

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

সুষুপ্ত পাঠক এটা মূলত তার ছদ্মনাম । আসলে আমি সঠিক জানি না সে হিন্দু নাকি মুসলিম। তবে সে ভারত প্রেমি এবং উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী। কালকে সে তার এক লেখাতে ( ১০/১০/২০২৩ সাল এতে ওই লেখাটা সে পোস্ট করে) দাবি করে যে মিরাজের রাতের ঘটনা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট+ এটা নাকি জালিয়াত। আমরা সবাই জানি যে " ফিলিস্তিন ইজরায়েল যুদ্ধ হচ্ছে, আর এই যুদ্ধের অন্যতম এক মূল শ্লোগান হলো " আল আকসা আমাদের দখল করতে হবে কারণ মসজিদ আমাদের " তো এই কারণেই সুষুপ্ত পাঠক কিছু থার্ড ক্লাস তথ্যের ভিত্তিতে বলে যে " আসলে রাসূল সাঃ মিরাজ গমন করেনি নি। তাই এখন তার ভ্রান্ত দাবি খন্ডন করা হবে ইনশাআল্লাহ। 

তো চলুন শুরু করা যাক। 

সে তার লেখাতে বলে যে " ৭০ খ্রিষ্টাবদে রোম সম্রাট জেরুজালেম এর আল আকসা ধ্বংস করে ফেলে যেটা ছিল রাসূল সাঃ এর জন্মেরও ৫০০ বছর আগের কাহিনী। আর এই ৫০০ বছরে নতুন করে ওখানে কোনো মসজিদ তৈরি করা হয় নি, আর সেখানে যে কোনো মসজিদ ছিল না তা উমর এর একটা ঘটনা দ্বারাই প্রমাণিত, সেটা হলো, তিনি জেরুজালেমে গিয়ে একটা ধ্বংসা বশেষ ছাড়া কিছুই দেখতে পায় নি, আর এগুলোই প্রমাণ করে তখন আল আকসা ছিল না, তাহলে নবী মোহাম্মদ সাঃ আল আকসাতে গিয়ে নামায পড়ছে এই দাবি সম্পূর্ণ বানোয়াট ( সংক্ষিপ্ত ও সারাংশ) "। তো এই হলো তার লেখার সার।  

আমার ভাবতে অবাক লাগে এই সুষুপ্ত পাঠক হয় তো মনে করে মসজিদ মানে বর্তমানের মতো ১০ তালা গম্বুজ বিশিষ্ট কোনো বিল্ডিং। সে যদি আরেকটু এগিয়ে মসজিদ কি আর কেন এটা পড়তো তাহলে এরকম উদ্ভট দাবি হয় তো করত না।   

" মসজিদ বলা হয় তাকে যেখানে মুসলিমরা সেজদা করে। সেজদা অর্থ নত হওয়া, আর সেই হিসাবে মসজিদ অর্থ নত হওয়ার স্থান। সহীহ মুসলিম, হাদিস : ৭১২ এর রেওয়াত অনুসারে " সমগ্র দুনিয়াটাই মাসজিদ এর স্থান " 

তো আমরা উক্ত হাদীস থেকে বুঝতে পারলাম যে " মসজিদ হতে হলে কোনো ইমারত থাকতে হবে এর কোনো মানে নেই। আপনি যে কোনো জায়গায় নামায পড়তে পারবেন যদি ওই অংশটুকু পাক- পবিত্র হয় এবং ওটাই আপনার মসজিদ। তো এখন বুঝতে পাচ্ছেন যে " আল আকসাতে তখন কোনো ইমারত সাদৃশ্য বিল্ডিং ছিল না বলে ' ওইখানে রাসূল সশরীলে যায় নি এবং নামায পড়ে নি এই দাবিটা করাই উদ্ভট। এখন হয় তো সুষুপ্ত পাঠক বলতে পারে যে " না না মেহেদী আপনি তাকিয়াবাজি করছেন কারণ হাদীস এর তথ্য হতে জানা যায় যে " রাসূল সাঃ কাফেরদেরকে আল আকসা মসজিদের বর্ণনা দিচ্ছে তাই আল আকসা মসজিদ ইমারত মন্ডিত ছিল এছাড়াও উক্ত হাদীসে বলা হয়েছে যে " রাসূল সাঃ এর সামনে মসজিদটি উদ্ভাসিত করা হলো আর তখন রাসূল সাঃ গুনে গুনে সব বলে দিচ্ছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি " ( আত-তাবাকাত আল-কুবরা খণ্ড : ১, ইবন সা’দ, পৃষ্ঠা : ২৪৬-২৪৮ দ্রষ্টব্য) ।  

প্রথম কথা হলো সুষুপ্ত পাঠক যদি উক্ত হাদীস সত্য বলে বিশ্বাস করে তাহলে এটাও বিশ্বাস করতে হবে যে " রাসূল সাঃ মিরাজে গিয়েছিল আর উক্ত ঘটনা তার প্রমাণ, কারণ যখন রাসূল সাঃ যখন আল আকসা সম্পর্কে বর্ণনা করছিল তখন কোনো কাফেরও ভুল ধরতে পারি নি ( উল্লেখ্য, কাফেররা কিন্তু ওই জেরুজালেমের সম্পর্কে ভালো করেই জানে, তাই তাদের কে মিথ্যা বললে রাসূল সাঃ অবশ্যই ধরা খেতো) এছাড়াও সীরাতু ইবনে হিশাম এর দ্বিতীয় খন্ড ( বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন) পৃ্ষ্ঠা -৭২ অনুসারে " রাসূল সাঃ আবু বকর রাঃ এর কাছেও মিরাজের সকল বর্ণনা দেয় এবং আবু বকর রাঃ সাথে সাথে সাক্ষ্য দেয় ' হে রাসূল সাঃ আপনি সঠিক " তো রাসূল সাঃ এর মিরাজ গমনের কথা মিথ্যা হলে তিনি আবু বকর রাঃ এর কাছেও ধরা খেতেন কারণ আবু আবকরও...........। তো উপরোক্ত যুক্তি ও তথ্য অনুসারে আমরা বুঝতে পারলাম যে " মিরাজ এতে রাসূল সাঃ অবশ্যই গিয়েছিল, যদি তিনি মিথ্যা বলতেন তাহলে অবশ্যই ধরা খেতেন।    

আর দ্বিতীয় তো

" রাসূল আক আকসা সম্পর্কে যেসব বর্ণনা দিচ্ছিলেন সেগুলো মূলত উক্ত সীমানার দ্বার ছিল ( বর্তমানেও যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে ' বায়তুল মুকাদ্দাস এর চারপাশে বিল্ডিং দিয়ে রাখা) আর এটার প্রমাণ হলো সুষুপ্ত পাঠক তার লেখার মধ্যে উমর এর বায়তুল মুকাদ্দাস এতে যাওয়ার কাহিনীটা। উক্ত ঘটনাটা মূলত আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ৭ম খণ্ড (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), পৃষ্ঠা : ১০৭-১০৮ এর একটা রেওয়াত। উক্ত রেওয়াত যদি আপনারা পড়েন তাহলে দেখতে পাবেন যে " উমর মূলত দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছিল সেটা মূলত আল আকসার চারিপাশের যে দেওয়াল ছিল তার প্রবেশ দ্বার "। তো এখান থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে " রাসূল সাঃ মূলত বর্তমান ইমারত বিশিষ্ট যে মসজিদটি দেখি সেটার চারপাশের সে দেওয়াদ দিয়ে ঘেরা স্থান, তারও বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দিচ্ছিল। আর কাফেররাও তার দোওয়া বর্ণনা সঠিক বলে রায় দেয়। অতএব সকল দিক পর্যালোচনা করে বুঝতে পারলাম যে " আল আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে সুষুপ্ত পাঠক এর বানানো কেচ্ছাটাই মূলত গাঁজা খুরি। আর এখন শেষ করব রাসূল সাঃ এর মিরাজের প্রমাণ দিয়ে। সীরাতুন নবী সাঃ ইবনে হিশাম ২য় খণ্ড (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), পৃষ্ঠা : ৭৬-৭৭ একটা রেওয়াত পাবেন। সেটা ভালো করে পড়লে রাসূল সাঃ এর মিরাজ ও নবুয়তের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাবেন ( রেওয়াত অনেক দীর্ঘ তাই নিজেরাই পড়ে নিবেন, এখানে আর উল্লেখ করলাম না; জাযাকাল্লাহ খাইরান )  

তো লেখাটা এখানেই শেষ করছি। 

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

   কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️

প্রিন্স ফ্রেরাসে 

প্রিন্স ফ্রেরাসে 

প্রিন্স ফ্রেরাসে 

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 608 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12270। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
Enolej ID(eID): 2523
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব সিরিজ পর্ব-১৬২  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   গত ১৪০০ বছরে কোনো মুসলিম স্কলার এরকম রেওয়াত খুজে পেলো না সেখানে কুথাকার কোন পাগল এসে দাবি করছে যে ই�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
107 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#মিরাজ #ও #বিজ্ঞান  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই, আশা করি আল্লাহ রব্বুল আলামীন এর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ । �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
110 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  সিরিজ পর্ব-৪১১  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  কুরআনের আয়াত পরিবর্তন করা আর নাযিল হওয়া বিধানের পর্যায়ক্রমিকতা (নাসখ)এই দুইটা এক জিনিস না। যারা এগ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
102 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim   সিরিজ পর্ব-১৪ নাস্তিকদের মিথ্যাচারের জবাব দিবেন ভালো কথা তবে সেটা হতে হবে সঠিক তথ্যের আলোকে। একে তো উল্টা- পাল্টা কথা তার উপর নেই রেফারেন্স । আর যেগুলোর রেফারেন্স [...] বিস্তারিত পড়ুন...
111 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim সিরিজ পর্ব-৫৩   আপনার কাছ থেকে আমার বিজ্ঞান শিখতে হইব না , বিজ্ঞান কি সেটা আমি ভালো করেই জানি! আর জানা টা স্বাভাবিক কারন বিজ্ঞান নিয়েই পড়েছি  সংক্ষিপ্ত আকারে বলি বলি ত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
114 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    828 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    41 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

...