#মা_আয়েশা_কি_প্রাপ্ত_বয়স্ক_কোনো_পুরুষ_দে_বুকের_দুধ_পান_করিয়ে_ছিলেন?
প্রথমেই একটা কথা বলে দিই। সনদ বিচারে হাদীস সহীহ হলেও সেটা গ্রহণযোগ্য না বরং সনদের সাথে মতন চেকও করতে হয়। যদি মতনে সমস্যা থাকে তাহলে উসূল অনুসারে উক্ত রেওয়াত বাতিল হিসাবে গণ্য হয়। এখন যদি আমরা রেওয়াতটা দেখি তাহলে মতন বিচারে দেখতে পাবো যে রেওয়াতটা বিশুদ্ধ না ( মতন বিচারে)
কারণগুলো হলো-
১. আমরা জানি মা আয়েশার কোনো সন্তানাদি ছিল না, যেখানে মা আয়েশার কোনো সন্তানাদিই ছিল না সেখানে তার বুকে দুধ আসবে কয় থেকে? বর বুকে যদি দুধ না আসে তাহলে তার বুকের দুধ পান করাবে কি করে? তো এই হিসাবে উক্ত রেওয়াতটা উদ্ভট একটা রেওয়াত
২. বুকের দুধ যখন তখন পান করালেই কেও দুধ মা হয়ে যায় না বরং বুকের দুধ পান করাতে হবে শিশু অবস্থায় Not বৃদ্ধ অবস্থায়, আর শিশুর সেই বসয়টা হবে দু - বছর সাধান , কম বেশি হবপ কিছুটা.. ( দেখুন কেরআন-২/২৩৩ এর তাফসীর, তাফসীরে ইবনে কাছীর, তাফসীরে কুরতুবি...) তাই মা আয়েশা যদি তখন যদি কাওকে দুধ পান করাই তাহলে সেটা এমনেও হালাল হবে না সম্পর্ক তা আমরা বুজতে পাচ্ছি
৩. তাফসীর তখনি গ্রহণীও হবে যখন তা সঠিক কোরআন সুন্নাহ এর আলোকে হবে। ইবনে আশুর তাফসীরটা বর্তমান এর, তার আগে গত ১২০০ বছরে এরকম দাবি করা হয় নি যে " মা আয়েশা নিজের বুকের দুধ পান করিয়েছে ( তবে এই ব্যাপারে হাদীস আছে সেখানে নিজ স্তন চুষিয়েছে বলা হয় নি.. সে হিসানে তার রেওয়াত যিয়াতুছ ছিকাহ সম্পূর্ণ ..) তাই নব্য দাবি বাতিল।
তো এই কয়েকটা কারণে উক্ত রেওয়াত বাতিল হিসাবে গণ্য হচ্ছে ( এরকম অনেকেই করেছেন, যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস নাসির উদ্দিন আলবানি ইবনে আ্বাস এর একটা একটা রেওয়াতকে সহীহ হওয়ার পরেও পারিপার্শ্বিক মতন বিচারে গ্রহণ করেন নি...)
এখন ধরে নিলাম রেওয়াগতটা নির্ভেজাল, তবুও স্তণ চুষানো প্রমাণিত হয় না কারণ এরকম বিষয় এর ব্যাখ্যাতে বলা হয়েছে যে " বুকের দুদ্ধ চুষে না বরং উত্তম হলো তাগিয়ে পাত্রে নিয়ে পান করানো... আর এরকমটাও সম্ভবত করানো হয়েছিল ( ফাতহুল বারী-৯/১২৭)
আর এটাও সটিক কারণ রেওয়াতে বর্ণিত শব্দ রাদাদাহ শব্দ দ্বারা যে কোনো ভাবে দুধ পান করানো বুজায়, ( মাকাইসুল গুলাহ-২/৪০০) তাই কোনো ভাবেও এটা সাবিত হয় না যে মা আয়েশা নিজের স্তন এর দুদ্ধ ধরে খাওয়িছিলেন..( নাউজুবিল্লাহ )
আশা করি কথা ক্লিয়ার...
লেখক: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।