#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব
সিরিজ পর্ব-৪০৪
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
কিছু কিছু নাস্তিক জাহেলগুলো দু- একটা হাদীস পড়েই উল্টাপাল্টা বলা শুরু করে। screenshots এতে দেওয়া নাস্তিক আবু দাউদ -২০৬২ এর একটা হাদীস নিয়ে এসেছে যেখানে বলা হয়েছে যে -
আয়িশাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ কুরআনে প্রথম অবতীর্ণ করেছিলেন যে, দশ ঢোক দুধ পান করলেই বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম। অতঃপর এ বিধান মানসূখ করে পাঁচ ঢোক পানে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারামের বিধান বহাল করা হয়। কুরআনের এই বিধান পাঠ বহাল রেখেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন। ( আবু দাউদ -২০৬২)
তো এই হাদীস দ্বারা সে এটা বলতে চাচ্ছে যে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষরে কোনো নারী দুধপান করালে সে উক্ত পুরুষের দুধ মা হবে.... । কিন্তু সে যে হাদীস নিয়ে এসেছে তার দাবির পক্ষে তা হলো শিশুদের জন্য। মানে কোনো শিশুকে দু- বছরের মধ্যে পাঁচবার দুধপান করালে সে শিশু দুধ সন্তান হিসানে গন্য হবে এবং তাকে যে নারী দুধ পান করিয়েছে সে দুধ মা হবে( মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনু বায, ২২/২৩৭-২৭৩ পৃ. ; (নায়লুল আওত্বার, ৬/৩৬৭-৩৭৩; আস-সাইলুল জাররার, পৃ. ৪৭১) শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতানুযায়ী কমপক্ষে পাঁচবার দুধপান করা অপরিহার্য’ (আশ-শারহুল মুমতি’, ১২/১১২ পৃ. / সংগৃহীত রেফারেন্স )।
আর হ্যা কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষকে বুকের দুধ পান করাকে সে দুধ সন্তান হবে না কেননা হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যাচাই করে দেখ, তোমাদের ভাই কারা? যথন দুধই একমাত্র পানীয়, যা খেয়ে শিশুরা প্রাণ রক্ষা করে। সন্তানের দু’বছর বয়সের মধ্যে যদি দুধপান করে থাকে, তবে দুধের সম্পর্ক হবে, নতুবা হবে না।( বুখারী -৪৭৩৫ -টিকা)
পুরো বিষয়টা সারাংশ করলে এটা দাঁড়ায় যে সে আবু দাউদ এর যে হাদীস নিয়ে এসেছে তা তার মতের দলীল না বরং সেটা শিশুদের জন্য এবং হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ককে দুধ পান করালে সে দুধ সন্তান হবে না.....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।