#কোরআন_ও_সহীহ_হাদীসে_বৈপরীত্যে_আছে_বলে_দাবি_করা_মিথ্যাচারের_জবাব
সিরিজ পর্ব-২
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
কথিত এই মুনকারে হাদীসরা কখন কি বলে আর কি পোস্ট করে তা নিজেরাও জানে না। এই লোক নাকি আবার পোস্ট করে বলে যে " সে নাকি সহীহ ৫০ টা হাদীস দেখাবে কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক যেগুলো...। সে এখন পযন্ত এমন হাদীস দেখাতে পারে নি যেটা কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক । এই ভাই এর আরেকটা পোস্ট এখন নিউস পিডে আসলো আমার। পোস্ট এর শিরোনাম হলো " গাধার মাংস এবং ছবি তুলা কি হারাম? কোরআন vs হাদীস.."
তো তিনি তার পোস্ট এর প্রথমে মিস্টেক + মিথ্যাচার করেছে। আসলে নিজে নিজে কোরআন বুজতে গেলে এইরকমই হয়। তিনি চালাকির সাথে ১০০ ডিগ্রি পল্টি মেরেছে। সে হাদীসের ছবি আকার সাথে কোরআনে শূকর এর মালস খাওয়া নিষিদ্ধ সহ সব প্রাণী কাওয়া জায়েজ বলে ফতোয়া দিয়ে কোরআন হাদীসে বৈপরীত্য এর ইতি টেনেছেন যেটা অনেক হাস্যকর। তিনি ক আর খ দুটোকে গুলিয়ে ফেলেছেন। কোনো প্রানীর ছবি আকা আর কোনো প্রাণী আহার করা দুটো বৈপরীত্যে হলো কোন আঙ্গেল থেকে আমি এটাই বুঝতে পারলাম না.... । হাদীসে প্রাণীর ছবি আকা নিষেধ, আর এটা সহীহ হাদীস। তো এই হাদীস তখন কোরআনের আয়াতের সাথে বৈপরীত্যে হবে যখন কোরআনে বলা হবে " প্রাণীর ছবি আকা জায়েজ! কিন্তু পবিত্র কোরআনে একটা আয়াতও নেই যেখানে ছবি আকা জায়েজ বলা হয়েছে। তাহলে এই দুটো বৈপরীত্যে হলো কি করে? তাই বললাম পোস্টকারী ১০০% পল্টি মেরেছে...। এখন আসি মিথ্যাচারের ব্যাপারটাতে...। তিনি বলছেন " শূকর ব্যাতিত নাকি সব খাওয়া হালাল বিশুদ্ধ হলে.....
আমি বলব যে এটা মিথ্যাচার। কারন কোরআনে বলা হয়েছে যে
" আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে পশু জবাই হলে তা খাওয়া হারাম, মানে নাজায়েজ " ( মায়েদাহ-৩)
তো দেখুন আল্লাহর নাম ব্যাতিত কোনো দেবতার নামে যদি গরু জবাই করেন তাহলে তা আহার করাও হারাম যদিও গরুর মাংস বিশুদ্ধ বা হালাল....
কিন্তু পোস্ট কারী বলে দিলো যে শূকর ব্যাতিত সব প্রানী বিশুদ্ধ হলেই হালাল.....
এই হলো কথিত আহলে কোরআন বা মুনকারে হাদীসদের কোরআন বুজার দৌড়, যারা কিনা নিজেরাই কোরআনের বিপরীতে মত প্রদান করে তারা নাকি সহীহ হাদীসের সাথে কোরআনের আয়াতের বৈপরীত্য খুজে পাই... যত্তসব....
তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন
লেখক : মোঃ মেহেদী হাসান ✍️
আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।