#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব
সিরিজ পর্ব-৪১৩
আল্লাহ কি কোরআনে একাধিক সৃষ্টিকর্তার কথা বলেছে?
প্রথমে আমি তার ব্যাকরণিক যুক্তি খন্ডন করছি তার পর আমি পরের পয়েন্ট যাচ্ছি। তার দাবি হলো-
" Shimul Pranto কুরআনে আল্লাহ নিজের জন্য মূল আরবিতে_খালেকিন শব্দটি ব্যবহার করেছে যা খালেকের_বহুবচন.খালেক শব্দের অর্থ একটি_সৃষ্টিকর্তা কিন্তু খালেকিন শব্দের অর্থ একাদিক_সৃষ্টিকর্তা. "
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী, এসব নমশূদ্র হেদু গুলোর উপর এই প্রবাদ সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। আল্লাহ নিজের জন্য শুধু " খালেকিন শব্দ একক ভাবে ব্যবহার করেন নি বরং তিনি " আহসানুল খালেকিন শব্দ ব্যবহার করেছে "। আল্লাহ কোরআনে বলেন -
" اَتَدۡعُوۡنَ بَعۡلًا وَّ تَذَرُوۡنَ اَحۡسَنَ الۡخَالِقِیۡنَ ﴿۱۲۵﴾ۙ
আ তাদ‘ঊনা বা‘লাওঁ ওয়া তাযারূনা আহছানাল খা-লিকীন।
তোমরা কি বা’লকে (দেবমূর্তি) ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা –
Will you call upon Ba'l (a well- known idol of his nation whom they used to worship) and forsake the Best of creators, " ( কোরআন -৩৭/১২৫)
লক্ষ করুন এখানে নিজেকে আহসানুল খালেকিন বলেছে, যার মানে হলো সকল ( কথিত) স্রষ্টাদের মধ্যে তিনি উত্তম স্রষ্টা। এখন প্রশ্ন হলো এখানে অন্যান্য স্রষ্টা দ্বারা আসলে মানুষের দ্বারা তৈরি যেসব মূর্তিগুলো আছে সেগুলোকেই বুঝানো হয়েছে। যেমন এই আয়াতে " বাল " এর কথা বলা হয়েছে যে বনি ইসরাইলের এর মদ্যে পূজিত হতো এবং তাকে ওই জাতি ইশ্বর মানত, তো এরকম যত কথিত মূর্তি নামক স্রষ্টা আছে সেগুলোর বিরুদ্ধে ডিবাংক হিসাবে আল্লাহ মূলত নিজেকে " আহসানুল খালেকিন বলেছেন... " আশা করি বিষয়টা বুঝেছেন! ।
রেফারেন্স লিংক -
https://quran.com/37:125/tafsirs/en-tafsir-maarif-ul-quran
আর হ্যা আল্লাহ সব সময় নিজেকে এক ও অদ্বিতীয় বলেছেন, আর এই কথা আমরা সকল মুসলিম মাত্রই জানি... ( প্রমাণ সূরা ইখলাস)
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।