Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প ১ -ফুটপাতই যাদের ঠিকানা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
6 বার প্রদর্শিত
করেছেন (25,290 পয়েন্ট)   12 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ফুটপাতের শৈশবimage

গল্প ১ -ফুটপাতই যাদের ঠিকানা

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ১৮ আগস্ট ২০২৬


আমাদের বাসার সামনের ফুটপাতে একটা শিশুকে প্রায়ই ঘুমিয়ে থাকতে দেখি। ছোট্ট শরীরটা গুটিয়ে পড়ে থাকে। কখনো গায়ে পুরোনো একটা চাদর, কখনো কিছুই নেই। আমরা যে জায়গাটাকে শুধু হেঁটে যাওয়ার পথ বলে মনে করি, তার কাছে সেটাই ঘর। হয়তো পুরো পৃথিবীও।


আমরা পাশ দিয়ে চলে যাই। কেউ একবার তাকাই, কেউ তাকাই না। খুব কম মানুষই হয়তো থেমে ভাবে—রাত হলে শিশুটার কী হবে? সকালে ঘুম থেকে উঠে কোথায় যাবে? অসুস্থ হলে কে দেখবে? ভয় পেলে কাকে ডাকবে?


আমাদের কাছে বাড়ি মানে চারটা দেয়াল, একটা দরজা, একটা বিছানা। কিন্তু একটা শিশুর কাছে বাড়ি তার চেয়েও বেশি কিছু। বাড়ি মানে মায়ের ডাক, বাবার হাত, নিরাপদে ঘুমানো, স্কুল থেকে ফিরে একটু বিশ্রাম নেওয়া, বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে বের হওয়া।


ফুটপাতে বড় হওয়া শিশুটার জীবনে এর কতটুকু আছে?


সকাল হলেই তার আরেকটা দিন শুরু হয়। কেউ ফুল বিক্রি করে, কেউ গাড়ির কাচ মোছে, কেউ বোতল-কাগজ কুড়িয়ে বেড়ায়, কেউ মানুষের কাছে হাত বাড়ায়। আমরা এসব প্রতিদিন দেখি। দেখতে দেখতে দৃশ্যগুলো এত পরিচিত হয়ে গেছে যে অস্বাভাবিক বলেও মনে হয় না।


কিন্তু পরিচিত হয়ে যাওয়া মানেই কি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া?


যে বয়সে একটা শিশুর কাঁধে স্কুলব্যাগ থাকার কথা, সেই বয়সে তার হাতে থাকে প্লাস্টিকের বস্তা। যে বয়সে মাঠে দৌড়ানোর কথা, সেই বয়সে তাকে ভাবতে হয়—আজ কত টাকা আয় হবে? রাতে খাবার জুটবে তো?


ক্ষুধার কাছে অনেক স্বপ্নই ছোট হয়ে যায়।


একটা শিশুকে স্কুলে পাঠাতে হলে শুধু স্কুল থাকলেই হয় না। তার খাবার দরকার, নিরাপত্তা দরকার, বই-খাতা দরকার, আর সবচেয়ে বেশি দরকার এমন একটা পারিবারিক পরিবেশ যেখানে তার সামান্য আয়টুকুর ওপর সংসার নির্ভর করবে না।


তাই শুধু শিশুটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আজ তাকে খাবার দিলাম, কাল আবার সে একই জায়গায় ফিরে এলো—তাহলে আমরা তার ক্ষুধা সামলেছি, জীবন নয়।


সমাধান শুরু হতে পারে তিন জায়গা থেকে।


প্রথমত, নিরাপদ আশ্রয়। বড় শহরগুলোতে শিশুদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র দরকার, যেখানে শুধু ঘুমানোর জায়গা নয়, খাবার, চিকিৎসা, পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় মানসিক সহায়তার ব্যবস্থাও থাকবে।


দ্বিতীয়ত, শিক্ষার সুযোগ। যারা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারছে না, তাদের জন্য বিকল্প বা ভ্রাম্যমাণ শিক্ষাকেন্দ্র চালু করা যেতে পারে। ধীরে ধীরে তাদের মূলধারার শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতে হবে।


তৃতীয়ত, পরিবারকে পাশে দাঁড়ানো। শিশুকে কাজে পাঠানো বন্ধ করতে হলে পরিবারের বড়দের আয়ের পথ তৈরি করতে হবে। প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও প্রয়োজন অনুযায়ী সামাজিক সহায়তা থাকলে শিশুর উপার্জনের ওপর নির্ভরতা কমবে।


আর আমাদের নিজেদের আচরণও বদলাতে হবে। সাহায্য করতে গিয়ে শিশুর ছবি তুলে প্রচার করা মানবিকতার প্রমাণ নয়। তাকে করুণার চোখে নয়, সম্মানের চোখে দেখতে হবে। প্রয়োজন হলে খাবার দেব, চিকিৎসার ব্যবস্থা করব, শিক্ষার সুযোগ খুঁজে দেব—কিন্তু তাকে ছোট করব না।


কারণ সে করুণার পাত্র নয়। সে একজন শিশু। তারও নিরাপদে ঘুমানোর অধিকার আছে, স্কুলে যাওয়ার অধিকার আছে, স্বপ্ন দেখার অধিকার আছে।


একটা দেশের উন্নয়ন শুধু বড় ভবন আর প্রশস্ত রাস্তা দিয়ে মাপা যায় না। তার সবচেয়ে অসহায় শিশুটি রাতে কোথায় ঘুমায়, সকালে কী খেয়ে ওঠে, স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় কি না—এসবও উন্নয়নের হিসাব।


আজ ফুটপাত হয়তো তার ঠিকানা।


কিন্তু ফুটপাত যেন তার ভবিষ্যৎ না হয়।


আমাদের দায়িত্ব শুধু তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া নয়; এমন একটা পথ তৈরি করা, যে পথে একদিন সে ফুটপাত ছেড়ে নিজের জীবনের দিকে হাঁটতে পারে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1252 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 25290। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4675
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
উপন্যাসঃ-ছইয়ের নিচে জীবন গল্প-১ -জলছায়ার ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ২৬ জুলাই, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
14 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজের নামঃ- নিজের জীবনটাও ছিল গল্প- ১ শেষ শখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প । ১০ আõ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ-শব্দহীন পৃথিবীর গল্প গল্প-১ আমাদের নীরব ঘর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ২১ জুলাই, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ১: রাত দুটোর নক   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জুলাই, ২০২৬ রাত দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার   গল্প-১   অচেনা হাসি   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৮, জুন, ২০২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1456 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    72 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Mayabi Ilmaz Megh

    81 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...