Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অভিকের অদেখা জগৎ গল্প ১: রাত দুটোর নক

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (21,934 পয়েন্ট)   2 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অভিকের অদেখা জগৎ  

গল্প ১: রাত দুটোর নক  image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

৫ জুলাই, ২০২৬


রাত দুইটা।


টক। টক। টক।


এবারের শব্দটা কেমন যেন ভারী ঠেকল। দেয়ালের পুরনো পলেস্তারার একটা কোণ খসে পড়ল কি না কে জানে।


অভিকের ঘুমটা ঠিক ভাঙল না। ছিঁড়ে গেল। পাশ ফিরে দেখে, নিশি সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছে। চোখ বড় বড়। দুজনের কেউই নিশ্বাস নিচ্ছে বলে মনে হয় না। শব্দ করলেই যদি ওপাশের লোকটা টের পেয়ে যায়, এমন একটা ভয় ঘরের ভেতর জমে আছে।


আবার নক।  

টক। টক।


দুইবার। থেমে থেমে। অপেক্ষা করছে হয়তো।


নিশির ঠোঁট নড়ল। গলা দিয়ে আওয়াজ বের হলো না।  

শুনলে?


অভিক শুধু মাথা নাড়ল। কাঁথাটা বুকের কাছে টেনে ধরল। এসি ২৪-এ চলছে। তবু নিশির কপালের পাশে বিন্দু বিন্দু ঘাম। টেবিলের উপর রাখা পানির জগটায় বাইরের দিকে জল জমেছে।


ড্রয়িংরুম থেকে বাবার গলা ভেসে এল। রোজকার মতোই। ক্লান্ত, কিন্তু গলায় একটা নিশ্চিত সুর।  

আসছি। দাঁড়াও বাবা, আসছি।


‘বাবা’। লোকটাকে তিনি বাবা ডাকেন।


অভিক আর শুয়ে থাকতে পারল না। ভয়ের চেয়ে বিরক্তিটা এখন বেশি লাগে। তিন মাস ধরে এক ঘটনা। দুইটা বাজবে, দরজায় শব্দ হবে, বাবা উঠে গিয়ে ফাঁকা করিডোরের সাথে হেসে কথা বলবেন।


সে বারান্দায় এসে দাঁড়াল। পায়ে চটিটা খুঁজে পায়নি।


বাবা দরজা পুরো খুলে দাঁড়িয়ে আছেন। মুখে সেই চেনা হাসি।  

আরে, কতদিন পর? ভিতরে আসো। ভিজে গেছ তো একেবারে।


অভিক সিঁড়ির দিকে তাকায়। লোডশেডিংয়ের পর জ্বলে ওঠা বাল্বটা মিটমিট করছে। করিডোর খালি। শুধু টিউবওয়েলের পাশের মেঝেটা ভেজা। কালচে ছোপ। অথচ বৃষ্টি হয়নি তিনদিন। ছাদের ট্যাঙ্কিও উপচে পড়েনি।


অভিকের গলাটা নিজের অজান্তেই চড়ে গেল।  

বাবা, এখানে কেউ নাই। কেউ নাই তো!


বাবা অবাক হয়ে ছেলের দিকে তাকালেন। তারপর দরজার বাইরে হাত বাড়িয়ে বললেন,  

নাই মানে? এই তো দাঁড়ায়ে। তুমি দেখো না? দেখো, ওর কালো ছাতাটা থেকে এখনো পানি পড়তেছে টপ টপ করে।


আঙুল দিয়ে মেঝেটা দেখালেন। শুকনো। এক ফোঁটা পানির দাগও নেই। শুধু ঘরের কোণে রাখা প্লাস্টিকের বালতিতে গতকাল ভেজানো গামছার একটা সোঁদা গন্ধ।


দরজার আড়ালে নিশি দুই হাত বুকের কাছে চেপে ধরেছে। বিয়ের কাচের চুড়িগুলো একবার ঝনঝন করে উঠেই থেমে গেল। তার মনে হলো ঘরের সব বাতাস কেউ একটানে টেনে নিয়েছে।


সকালের নাশতা পড়ে আছে। পরোটা ঠান্ডা হয়ে শক্ত হয়ে গেছে। ডিম ভাজিটা তেল চুপচুপে। কেউ ছুঁচ্ছে না।


অভিক চায়ের কাপটা নামিয়ে রাখল। কাপের কানায় চিনির দানা লেগে আছে।  

বাবা, আমার এক বন্ধু আছে। শফিক। ডাক্তার। ওর সাথে একবার কথা বলবা?


বাবা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলেন। একটা রিকশা টুংটাং করে চলে গেল। আস্তে করে ঘুরলেন।  

তোমরা ভাবো আমি পাগল হয়ে গেছি?  

না। সেরকম না বাবা।


বাবা হাসলেন। হাসিতে রাগ নেই। কেমন একটা ফাঁকা ক্লান্তি লেগে আছে। না কইলেও বুঝি রে। কিন্তু পোলাটা রোজ আসে। আমার লগে বসে। তোমাদের অফিসের খবর নেয়। কয়, আপনার পোলাডার অনেক চাপ। রাত জাগতে মানা কইরেন। শুধু তোমরাই ওরে দেখো না।


নিশি প্লেটের দিকে তাকিয়ে রইল। গলার কাছে কী যেন দলা পাকিয়ে আছে। গত মাসে নিউমার্কেট থেকে কেনা ফুল তোলা কাঁচের প্লেটটা হঠাৎ অচেনা লাগে।


ডাক্তারের চেম্বার। বাবা প্রথমে ঢুকতেই চান না।


ডাক্তার শফিকুর রহমান। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি হতে পারে। চশমাটা মোটা ফ্রেমের। অনেকক্ষণ কথা বললেন বাবার সাথে। বাবা এক কথাই বলে গেলেন।  

ও আসে। আমারে বাবা ডাকে। ওর ছাতাটা ভিজা থাকে। প্যান্টের নিচে কাদা লাগানো।


ডাক্তার পরে অভিক আর নিশিকে পাশের রুমে ডাকলেন। টেবিলের উপর একটা কালো পাথরের পেপারওয়েট।  

দেখুন, উনি যা দেখতেছেন, শুনতেছেন, ওনার মস্তিষ্কে সেটা সত্যি বলেই মনে হওয়ার কথা। আমাদের ব্রেইনের কিছু সংকেত মাঝে মাঝে এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। তখন নাই জিনিসকেও আছে বলে ধরে নিই আমরা। ওষুধে এটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ভয় পাবেন না। সময় লাগতে পারে।


রোগের নামটা তিনি বললেন না। অভিক বাসায় ফিরে রাতে ফোনে খুঁজল। সিজোফ্রেনিয়া। বানানটা তিনবার দেখতে হলো। বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল।


ওষুধ শুরু হলো।


প্রথম ছয় সপ্তাহ একরকম নরক।  

বাবা ওষুধ খাবেন না। ছুঁড়ে ফেলে দেবেন। চেঁচাবেন, তোমরা ওরে ঢুকতে দেও না! পোলাটা বৃষ্টিতে ভিজতেছে বাইরে! জ্বর আইব তো।  

নিশি রোজ রাতে বাবার হাত ধরত। নিজের হাত কাঁপে, কিন্তু গলা শক্ত করে বলত,  

খায়া নেন বাবা। আপনার বন্ধুরে কইয়া দিমু, আজকে আপনে অসুস্থ। কাইল আইসেন।


এক রাতে দুইটার দিকে অভিক উঠে দেখে বাবা বিছানায় বসে আছেন। দরজার দিকে তাকিয়ে। কিন্তু উঠছেন না। ঘরের ডিমলাইটের আলোয় চোখের নিচের কালিটা স্পষ্ট।  

বাবা?


বাবা ফিসফিস করে বললেন, আজ আসে নাই। রাগ করছে মনে হয়। ওষুধের গন্ধ পছন্দ করে না। কয় ন্যাপথালিনের মতো গন্ধ।


অভিক সেদিন ভোর পর্যন্ত বাবার পাশে বসে থাকল। মশারির একটা দিক ছেঁড়া। সেখান দিয়ে মশা ঢুকছে।


তিন মাস পর।


রাতের নক থেমে গেছে।


বাবা এখন ছাদে যান। টবের গাঁদা ফুল গাছে পানি দেন। রাত আটটার খবরে আলু-পেঁয়াজের দাম দেখে ভ্রু কুঁচকান। চা খেতে খেতে অভিককে বলেন, এত রাত করিস না অফিসে। গ্যাসের ব্যথা হইব।


এক বিকালে বাবা বললেন, বুঝলি, ওষুধ খাওনের পর থাইকা ওর গলাটা কম শুনি। আগে একদম পরিষ্কার শুনতাম। কাশতও। এখন মনে হয় অনেক দূর থাইকা ডাকে। মসজিদের মাইকের মতো।


অভিক কিছু বলল না। বাবার হাতটা চেপে ধরল। হাতের চামড়া খসখসে। শীতকালে যেমন ফাটে।


সেদিন নিশি বারান্দা মুছতে গিয়ে থমকে দাঁড়াল। দরজার ঠিক সামনে একটা ভেজা পায়ের ছাপ। একটাই। যেন কেউ এক পা ফেলে আর ঢোকেনি। জুতার মাপ আট বা নয় হতে পারে। অথচ আকাশ পরিষ্কার।  

কাজের বুয়া রহিমাকে জিজ্ঞেস করল। বুয়া বলল, রাইতে কে যেন বারান্দায় পানি ঢালছে আপা। ছপাত ছপাত শব্দ। আমি ভাবছি আপনে গাছে পানি দেন।


নিশি বাবাকে কিছু বলল না।


আরও দুই মাস কেটে গেল।


বাড়িটা এখন শান্ত। ফ্রিজের ভোঁ ভোঁ শব্দটাও রাতে আর গা ছমছম করায় না।


এক সন্ধ্যায় বাবা হঠাৎ বললেন, জানোস… এখন মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি যারে দেখতাম… সে হয়তো আছিলই না।


কথাটা বলার সময় বাবা অভিকের দিকে তাকাননি। গ্রিল ধরে বাইরে তাকিয়ে ছিলেন। গলায় জোর ছিল বলে মনে হলো না। কেমন একটা মেনে নেওয়া ভাব। যেন ছেলেটা যাতে ভয় না পায়, তাই নিজেকেই বোঝাচ্ছেন।


সেই রাতে বহুদিন পর অভিক আর নিশি শান্তিতে ঘুমাল।


টক।


টক।


টক।


অভিক ধড়মড় করে উঠে বসল। বুকের মধ্যে ঢিপ ঢিপ করছে।


ঘড়ি দেখল। রাত ঠিক দুইটা।


তিন মাস। একদিনও এদিক ওদিক না।


আবার শব্দ।  

টক।  

টক।


এবারেরটা আরও কাছে। মেইন দরজায় না। তাদের শোবার ঘরের দরজায়। দরজার ফাঁক দিয়ে কেউ নিশ্বাস ফেলছে বলে মনে হতে পারে।


অভিক আস্তে করে নিশির দিকে তাকাল। নিশিও উঠে বসেছে। চোখ বড় বড়। মুখটা শুকনো পাতার মতো সাদা।


ড্রয়িংরুমে কোনো সাড়া নেই। বাবা আসছেন না।


কারণ এবার দরজাটা বাবার না।


নিশি ফিসফিস করে বলল। গলাটা শোনাই যায় না প্রায়।  

অভিক… তুমি কি… দরজার শব্দটা শুনতে পাইতেছ?


বাইরে তখন তিন নম্বর বার শব্দ হলো।


টক।


আর সঙ্গে সঙ্গে বারান্দা থেকে একটা গন্ধ ভেসে এল। ভেজা মাটির গন্ধ। সাথে পুরনো কালো ছাতার। আর কেমন একটা স্যাঁতসেঁতে কাপড়ের গন্ধ মিশে আছে।


(চলবে… গল্প ২: অ্যালবামের দ্বিতীয় শিশু)

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1086 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21934। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4196
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ১০: আমি কি সত্যিই অসুস্থ?   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জুলাই, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ৯: ৩০৫ নম্বর কক্ষ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জুলাই, ২০২৬ মা&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ৮: যেদিন বুঝলাম, নিশি নেই   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জুলাই, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ৭: পাশের ফ্ল্যাটের মানুষটা    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ৬: যে কথাগুলো শুধু ছেলেটা শুনত   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    465 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    23 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...