#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী ❤️
#পর্ব: ১৪
#লেখক_মিস্টার_পেন্সিল
সকালে নাশতার টেবিলে বসে জারা নওশীন এমনভাবে পরোটার টুকরো ছিঁড়ছিল, যেন পরোটার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত শত্রুতা আছে।
মা কয়েকবার তার দিকে তাকিয়ে শেষে বললেন, “কী রে, পরোটাটা কী দোষ করেছে?”
জারা মুখ তুলে বলল, “কিছু না, আম্মু। আমি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ভাবছি।”
“পরোটার ভবিষ্যৎ নিয়ে?”
“আম্মু!”
মা হেসে চায়ের কাপ নামালেন। “আচ্ছা, বল। কী ভাবছিস?”
জারা একটু ইতস্তত করে বলল, “কাল রাতে তুমি যে প্রস্তাবের কথা বলেছিলে, সেটা কি সত্যিই সিরিয়াস?”
“অবশ্যই। তবে তোর ইচ্ছার বাইরে কিছু হবে না। তোরা দুজন একে অপরকে পছন্দ করলে পরিবার জানবে। বিয়ের সিদ্ধান্ত এখনই নিতে হবে না।”
জারা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “একটা ছেলের সঙ্গে ফুচকা খেতে গেলেই কেন জীবনটা এত জটিল হয়ে যায়?”
মা হেসে বললেন, “ফুচকা খাওয়ার আগে কি কেউ তোকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল?”
“না!”
“তাহলে ফুচকাকে দোষ দিস না।”
জারা মুখ ফুলিয়ে উঠে দাঁড়াল। “তোমরা সবাই মিলে আমাকে পাগল করে দেবে!”
মা পেছন থেকে বললেন, “রুদ্রকে কথাটা জানাস। ওরও তো মতামত আছে।”
জারা দরজার কাছে থেমে আস্তে বলল, “জানাব।”
মনে মনে ঠিক করল, ফোনে নয়, সামনাসামনি বলবে। কারণ রুদ্র রহমান সাধারণ কথাকেও এমনভাবে ঘুরিয়ে দেয় যে শেষ পর্যন্ত জারাকেই নিজের কথা ব্যাখ্যা করতে হয়।
আর আজ সে কোনোভাবেই ছেলেটার কথার ফাঁদে পা দেবে না!
অন্তত নিজের কাছে সে এই প্রতিজ্ঞাই করল।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে জারা দেখল, রুদ্র ক্যাম্পাসের বেঞ্চে বসে তন্ময়ের সঙ্গে কথা বলছে। তাকে দেখেই তন্ময় মুচকি হেসে বলল, “আরে, আমাদের ভবিষ্যতের ঝগড়ার রানী এসে গেছেন!”
জারা থমকে দাঁড়াল।
“কী বললে?”
তন্ময় সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রের পেছনে সরে গেল। “আমি কিছু বলিনি! রুদ্র বলেছে!”
রুদ্র অবাক হওয়ার অভিনয় করে বলল, “আমি কখন বললাম?”
জারা কোমরে হাত রাখল। “তোমরা দুজন মিলে আমার নামে সভা বসিয়েছ?”
তন্ময় হেসে বলল, “সভা নয়। ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছিলাম।”
“আর একবার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করলে তোমার বর্তমান অন্ধকার করে দেব!”
তন্ময় দুই হাত তুলে বলল, “ঠিক আছে, আপু! আলোচনা স্থগিত!”
সে দ্রুত সরে পড়ল।
জারা এবার রুদ্রের সামনে এসে দাঁড়াল। “তুমি ওকে কী বলেছ?”
রুদ্র মুচকি হাসল। “শুধু বলেছি, তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে ঝগড়াটে মানুষ।”
“তাহলে ও আমাকে ভবিষ্যতের ঝগড়ার রানী বলল কেন?”
“ছেলেটার কল্পনাশক্তি ভালো।”
জারা চোখ পাকাল। “নিজের বন্ধুকে সামলাতে পারো না, আবার আমাকে বিয়ে করতে চাও!”
কথাটা মুখ থেকে বেরিয়ে যেতেই সে থেমে গেল।
রুদ্রের হাসিটা একটু গভীর হলো।
“তাহলে তুমি জানো, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই?”
জারা মুখ ঘুরিয়ে বলল, “সবাই তো সেই কথাই বলছে!”
“তুমি কী বলছ?”
“আমি ক্লাসে যাচ্ছি!”
রুদ্র হেসে বলল, “বুঝেছি। প্রশ্নটা কঠিন ছিল।”
জারা চলে যেতে যেতে বলল, “প্রশ্ন কঠিন নয়, উত্তরটা তোমার পছন্দ হবে কি না, সেটাই সমস্যা!”
রুদ্র তার পেছনে তাকিয়ে রইল। কথাটার মধ্যে ছোট্ট একটা আশার আলো ছিল। জারা এখনো তাকে ভালোবাসার কথা বলেনি, কিন্তু নিজের ভবিষ্যতের আলোচনায় তাকে একেবারে বাদও দিচ্ছে না।
রুদ্রের কাছে আপাতত এটুকুই অনেক।
দুপুরে ক্লাস শেষে জারা নিজেই রুদ্রকে ফোন করল।
ফোন ধরেই রুদ্র বলল, “কী ব্যাপার? সূর্য পশ্চিম দিকে উঠেছে নাকি?”
জারা বিরক্ত হয়ে বলল, “তোমার সঙ্গে জরুরি কথা আছে।”
“আবার সরকারি গোপন নথি?”
“রুদ্র, আমি সিরিয়াস!”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা নেমে এল।
তারপর রুদ্র বলল, “ঠিক আছে। কোথায় দেখা করবে?”
“লাইব্রেরির পেছনের বাগানে। দশ মিনিটের মধ্যে।”
“জ্বি, ম্যাডাম।”
“আর হাসবে না!”
“আচ্ছা, হাসব না।”
ফোন কেটে জারা বুকের ওপর হাত রাখল। মনে হচ্ছিল, সে কোনো পরীক্ষার হলে বসে আছে, অথচ কোনো প্রশ্নই মুখস্থ করেনি।
বাগানে পৌঁছে দেখল, রুদ্র আগেই এসেছে।
“বলো, কী হয়েছে?” রুদ্র জিজ্ঞেস করল।
জারা কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলল, “আম্মু বলেছে, তোমাদের পরিবার নাকি একটা প্রস্তাব দিয়েছে।”
রুদ্র মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ। মা তোমার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন।”
“তুমি কি জানো, প্রস্তাবটা কী?”
“জানি। তবে তুমি কী ভাবছ, সেটা তোমার মুখ থেকেই শুনতে চাই।”
জারা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“আমি এখনই বিয়ে করতে চাই না। আমার পড়াশোনা আছে, নিজের কিছু স্বপ্ন আছে। আমি চাই না বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে।”
রুদ্র শান্তভাবে বলল, “আমি কি তোমাকে এখনই বিয়ে করতে বলেছি?”
“না।”
“তাহলে ভয় পাচ্ছ কেন?”
জারা তার দিকে তাকাল। “সম্পর্কের একটা নাম দিয়ে দিলে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। তখন ছোট ছোট ভুলও বড় হয়ে যায়। আমি চাই না আমাদের এই সুন্দর সম্পর্কটা চাপের মধ্যে পড়ে নষ্ট হয়ে যাক।”
রুদ্র কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “তাহলে আগে সম্পর্কটা সুন্দরভাবে গড়ে তুলি। তুমি পড়াশোনা করবে, নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে। আমিও আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে এগোব। আমরা একে অপরকে জানব, বুঝব। পরিবারকে জানাব যে আমাদের সময় প্রয়োজন।”
জারা অবাক হয়ে তাকাল।
“তুমি সত্যিই রাজি?”
রুদ্র মৃদু হেসে বলল, “তোমাকে রাজি করানোর জন্য যদি নিজের ইচ্ছা তোমার ওপর চাপিয়ে দিই, তাহলে তোমার পাশে থাকার মানেটা কী?”
জারার চোখের কোণে পানি জমল। সে তাড়াতাড়ি মুখ ফিরিয়ে নিল।
রুদ্র নরম স্বরে বলল, “এই যে, আবার কাঁদবে নাকি?”
জারা চোখ মুছে বলল, “কে কাঁদছে? চোখে ধুলো পড়েছে।”
“বাগানে ধুলো, নাকি আমার কথায়?”
“তুমি চুপ করবে?”
“জ্বি, ঝগড়ার রানী।”
জারা এবার হাসিটা লুকাতে পারল না।
রুদ্রও হাসল। তারপর বলল, “একটা কথা মনে রেখো, জারা। তোমাকে ভালোবাসি বলেই তোমার সব সিদ্ধান্ত আমার পছন্দ হতে হবে, এমন নয়। কিন্তু তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করা আমার দায়িত্ব।”
জারা নিচু স্বরে বলল, “তুমি সবসময় এমন কথা বলো কেন?”
“কেমন কথা?”
“যে কথার উত্তর দিতে গেলে আমার রাগ করতে ইচ্ছে করে না!”
রুদ্র হেসে উঠল। “এটা তো আমার জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি!”
জারা তার বাহুতে আলতো ধাক্কা দিল।
সন্ধ্যায় দুই পরিবারের মধ্যে ফোনে কথা হলো। জারার মা তাকে পাশে বসতে বললেন। স্পিকারে রুদ্রের মায়ের কণ্ঠ শোনা গেল।
“আমরা চাই না, বাচ্চারা তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিক। ওরা যদি একে অপরকে পছন্দ করে, তাহলে সময় নিয়ে এগোক।”
জারার বাবা বললেন, “সেটাই ভালো। আগে পড়াশোনা শেষ করুক, নিজেদের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিক। আমরা শুধু চাই, ওরা নিজেদের অনুভূতি নিয়ে সৎ থাকুক।”
রুদ্রের বাবা হেসে বললেন, “তবে একটা কথা বলি, এই দুজনের ঝগড়া শুনে মনে হয়, ভবিষ্যতে আমাদের বাড়িতে শান্তি বলে কিছু থাকবে না!”
সবাই হেসে উঠলেন।
জারা সঙ্গে সঙ্গে বলল, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু খুব শান্ত মেয়ে!”
ওপাশ থেকে রুদ্রের কণ্ঠ ভেসে এল, “হ্যাঁ, বিশেষ করে যখন কেউ তোমার চায়ের কাপ থেকে শেষ চুমুকটা খেয়ে ফেলে!”
জারা চমকে উঠল। “তুমি আমার চা চুরি করার কথা সবাইকে বলছ?”
রুদ্র বলল, “সত্য গোপন করা উচিত নয়।”
“তোমার সব সত্য আমি একদিন প্রকাশ করব!”
রুদ্রের মা হেসে বললেন, “বাহ! তাহলে তোমাদের ঝগড়া চলতেই থাকবে।”
কথাবার্তা শেষ হলে জারা নিজের ঘরে চলে গেল। মনটা অনেক হালকা লাগছিল। অন্তত এখন কেউ তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে না।
তবু একটা প্রশ্ন তার মাথায় ঘুরছিল—রুদ্রের সঙ্গে তার সম্পর্কটা ঠিক কী?
বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি, কিন্তু ভালোবাসা বলে স্বীকার করার মতো সাহস এখনো পুরোপুরি হয়নি।
রাতে জারা ফোন হাতে নিয়ে রুদ্রকে মেসেজ করল।
জারা: আমাদের সম্পর্কের নাম কী?
কয়েক মিনিট পর উত্তর এল।
রুদ্র: তুমি কী নাম দিতে চাও?
জারা: আমি প্রশ্ন করেছি। উত্তর দাও।
রুদ্র: আমার কাছে তুমি এমন একজন, যার সঙ্গে ঝগড়া না হলে দিনটা অসম্পূর্ণ লাগে। যার মন খারাপ হলে আমারও ভালো লাগে না। যার সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে। তবে তুমি যে নামে স্বস্তি পাও, আপাতত সেটাই থাক।
জারা মেসেজটা কয়েকবার পড়ল।
তারপর লিখল—
জারা: তাহলে আপাতত আমরা একে অপরকে বুঝব। কোনো তাড়াহুড়ো নয়।
রুদ্র: চুক্তি হলো।
জারা: তবে একটা শর্ত আছে।
রুদ্র: কী?
জারা: প্রতিদিন অন্তত এক কাপ চা খাওয়াতে হবে।
রুদ্র: তাহলে আমার মাসিক বাজেটের অর্ধেক তোমার পেছনে চলে যাবে!
জারা: বাকি অর্ধেক দিয়ে নিজের জন্য বিস্কুট কিনো।
রুদ্র: বিয়ের আগেই সংসারের বাজেট তৈরি হচ্ছে দেখছি!
জারা হেসে ফোনটা বুকে চেপে ধরল।
হয়তো সম্পর্কের নাম এখনো ঠিক হয়নি। কিন্তু রুদ্রের সঙ্গে কথা বললে তার মন হালকা হয়ে যায়। রুদ্রের নীরবতা তাকে ভাবায়, তার হাসি জারার মুখেও হাসি এনে দেয়।
এসব অনুভূতির নাম কী, সে এখনো জানে না।
তবে অনুভূতিগুলো যে মিথ্যা নয়, সেটা ধীরে ধীরে বুঝতে পারছে।
পরদিন নাটকের মহড়ার জন্য জারার প্রিয় নীল কলমটা দরকার হলো। ব্যাগে খুঁজেও সে পেল না।
“আমার কলমটা কোথায় গেল?”
রুদ্র পাশ থেকে নিজের পকেট থেকে কলমটা বের করল।
“এটা খুঁজছ?”
জারা চোখ বড় করল। “তুমি আমার কলম নিয়েছ কেন?”
“তোমার ব্যাগ থেকে পড়ে গিয়েছিল। তুলে রেখেছিলাম।”
“তাহলে ফেরত দাও!”
রুদ্র কলমটা এগিয়ে দিল। জারা নেওয়ার আগেই সে বলল, “একটা কথা বলো।”
“কী?”
“তুমি কি আমার সঙ্গে এভাবেই ঝগড়া করতে করতে সারাজীবন কাটাতে পারবে?”
জারা স্থির হয়ে গেল।
রুদ্র হাসি থামিয়ে বলল, “আমি মজা করছি না। ভবিষ্যতে আমরা একসঙ্গে থাকি বা না থাকি, আমি চাই আমাদের মধ্যে এমন একটা সম্পর্ক থাকুক, যেখানে আমরা সত্যি কথা বলতে পারব। রাগ হলে বলব, কষ্ট পেলে বলব, ভুল হলে ক্ষমা চাইব।”
জারা কলমটা হাতে নিল। তারপর আস্তে বলল, “আমি চেষ্টা করব।”
“আমিও।”
কয়েক মুহূর্ত পর জারা বলল, “আর সারাজীবন ঝগড়া করতে চাইলে তোমাকে একটা শর্ত মানতে হবে।”
রুদ্র হেসে বলল, “কী শর্ত?”
“ঝগড়ার পর চা খাওয়াতে হবে।”
“তাহলে তো আমাদের সংসার চায়ের দোকান হয়ে যাবে!”
জারা প্রাণ খুলে হেসে উঠল।
রুদ্র তার হাসির দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবল, তাদের সামনে এখনো অনেক পথ বাকি। কোনো নিশ্চয়তা নেই, কোনো তাড়াহুড়ো নেই। কিন্তু দুজনেই যদি একে অপরের হাত ছাড়ার আগে কথা বলতে শেখে, তাহলে হয়তো এই ঝগড়ার মধ্যেই ভালোবাসার একটা সুন্দর জায়গা তৈরি হবে।
রাতে জারা ডায়েরির পাতায় লিখল—
“আজ বুঝলাম, সম্পর্কের নাম ঠিক করে ফেললেই সবকিছু সুন্দর হয়ে যায় না। কখনো কখনো নাম দেওয়ার আগে মানুষটাকে বুঝতে হয়। তার রাগ, অভিমান, ভয় আর স্বপ্ন—সবকিছুকে জায়গা দিতে হয়।
রুদ্র আমাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেনি। বরং নিজের মতো করে ভাবার সুযোগ দিয়েছে। হয়তো এটাই তার প্রতি আমার বিশ্বাসকে একটু একটু করে বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আমি এখনো জানি না, আমাদের গল্পের শেষ কোথায়। তবে এটুকু জানি, তার সঙ্গে পথ চলার ইচ্ছেটা আমার ভেতরে প্রতিদিন একটু করে বাড়ছে।
আর যদি কখনো তাকে ভালোবাসি বলে স্বীকার করি, তাহলে সেটা ভয় থেকে নয়—নিজের ইচ্ছা থেকেই করব।”
ডায়েরি বন্ধ করতেই ফোনে রুদ্রের মেসেজ এল।
রুদ্র: ঘুমিয়ে পড়েছ?
জারা: না। কেন?
রুদ্র: কাল তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।
জারা: কোথায়?
রুদ্র: বলব না। সারপ্রাইজ।
জারা: আমি কিন্তু সারপ্রাইজ পছন্দ করি না!
রুদ্র: তোমার জন্মদিনে তুমি আমার জন্য সারপ্রাইজ আয়োজন করেছিলে। এবার আমার পালা।
জারা একটু ভেবে লিখল—
জারা: ঠিক আছে। তবে জায়গাটা ভালো না হলে তোমার খবর আছে।
রুদ্র: জ্বি, ম্যাডাম। কাল দেখা হবে।
জারা হাসিমুখে ফোনটা পাশে রাখল।
কিন্তু সে জানত না, পরদিনের সেই ছোট্ট সারপ্রাইজ তাদের দুজনকে এমন এক স্মৃতির সামনে দাঁড় করাবে, যা তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
চলবে… ❤️
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।