#বউ_আমার_ঝগড়ার_রানী ❤️
#পর্ব: ১১
#লেখক_মিস্টার_পেন্সিল
সকালের আলো জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরে ঢুকেছে। অথচ জারা নওশীনের চোখে ঘুমের কোনো চিহ্ন নেই। বিছানায় শুয়ে সে বারবার ফোনের স্ক্রিন দেখছে। গত রাতে রুদ্রের শেষ মেসেজটা পড়ার পর থেকে তার মনটা কেমন অস্থির হয়ে আছে।
রুদ্র: “আমি বুঝেছি, জারা। শুভরাত্রি।”
মাত্র তিনটি শব্দ। অথচ এই তিনটি শব্দের মধ্যে এমন একটা দূরত্ব লুকিয়ে আছে, যেটা জারা কিছুতেই সহ্য করতে পারছে না।
আগে রুদ্র সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই তাকে বিরক্ত করত। কখনো লিখত, “ওহে ঝগড়ার রানী, পৃথিবীতে আজও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারলে না?” কখনো আবার কোনো কারণ ছাড়াই চায়ের ছবি পাঠিয়ে বলত, “তোমাকে ছাড়া চা-টাও বিস্বাদ!”
কিন্তু আজ কোনো মেসেজ নেই।
জারা বিরক্ত হয়ে ফোনটা বিছানায় ছুড়ে দিল।
“ছেলেটা কি সত্যিই আমাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে দিল?”
কথাটা নিজের মুখে বলেই সে থমকে গেল।
ঠিক তখনই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট বোন তানিয়া হেসে উঠল।
“আপু, তুমি কার কথা বলছ?”
জারা চমকে উঠে বসল। “তুই কখন এসেছিস?”
“যখন তুমি নিজের সঙ্গে কথা বলছিলে। আর একটা কথা বলি? একটা ছেলের জন্য যদি কারও ঘুম নষ্ট হয়, তাহলে ব্যাপারটা কিন্তু সন্দেহজনক!”
“তানিয়া!”
“আচ্ছা, আচ্ছা! ছেলের নামটা অন্তত বলো। আমি দুলাভাইয়ের নাম শুনে রাখি!”
জারা বালিশ ছুড়ে মারল। তানিয়া হাসতে হাসতে দরজার বাইরে পালিয়ে গেল।
“তোমার বিয়ে হলে আমি কিন্তু প্রথম দিন থেকেই আপুকে জ্বালানোর দায়িত্ব নেব!”
তানিয়ার হাসির শব্দ মিলিয়ে যেতেই জারা আবার ফোনটা হাতে নিল। অনেকক্ষণ দ্বিধা করার পর রুদ্রকে মেসেজ পাঠাল।
জারা: “আজ তোমার সঙ্গে কথা আছে। কোথায় দেখা করবে?”
কয়েক মিনিট পর উত্তর এল।
রুদ্র: “দুপুর বারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এসো।”
জারা মেসেজটা দুবার পড়ল।
কোনো ইমোজি নেই, কোনো দুষ্টুমি নেই, কোনো আদুরে সম্বোধন নেই!
“বাহ! এখন তো দেখি সাহেব একেবারে অফিসের বস হয়ে গেছেন!”
কথাটা বলে সে নিজেই বুঝল, রুদ্রের স্বাভাবিক আচরণটা সে কতটা মিস করছে।
দুপুর বারোটার পাঁচ মিনিট আগেই জারা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পৌঁছে গেল। কিন্তু রুদ্রকে দেখে এমন ভাব করল, যেন তার কোনো তাড়াহুড়োই ছিল না।
রুদ্র বই হাতে বসে ছিল। জারাকে দেখে ঘড়ির দিকে তাকাল।
“আজ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠেছে নাকি?”
জারা ভ্রু কুঁচকে বলল, “কেন?”
“তুমি পাঁচ মিনিট আগে এসেছ। আমার ধারণা ছিল, আমাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখার বিশ্বরেকর্ডটা তুমি নিজের নামে লিখিয়ে নেবে।”
“আমার ঘড়ি পাঁচ মিনিট এগিয়ে!”
রুদ্র মুচকি হাসল। “অবশ্যই। আর তোমার রাগটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিরীহ জিনিস!”
“রুদ্র, আমি কিন্তু চলে যাব!”
“যেতে চাইলে যেতে পারো।”
কথাটা শুনে জারা থেমে গেল। আগে রুদ্র এমন কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে যোগ করত, ‘তবে যাওয়ার আগে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে যেয়ো।’ আজ সে কথাটা বলল না।
রুদ্র বই বন্ধ করে তার দিকে তাকাল।
“জারা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?”
“করো।”
“তুমি আমাকে ঠিক কী হিসেবে দেখতে চাও?”
জারা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। “হঠাৎ এই প্রশ্ন কেন?”
“কারণ আমি আর প্রতিদিন অনুমান করতে চাই না। তোমার একটা হাসি দেখে ভাবব তুমি আমাকে পছন্দ করো, পরক্ষণেই তোমার রাগ দেখে ভাবব তুমি আমাকে সহ্যই করতে পারো না—এভাবে চলতে থাকলে একসময় আমি নিজেই বুঝতে পারব না, তোমার কাছে আমার জায়গাটা কোথায়।”
জারা নিচের দিকে তাকাল।
“তুমি কি তাহলে আর আমাকে বিরক্ত করবে না?”
রুদ্র কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলল, “তুমি কি চাও আমি বিরক্ত করা বন্ধ করি?”
জারা সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিতে পারল না। বুকের ভেতর জমে থাকা কথাটা মুখে আনতে তার অদ্ভুত লজ্জা হচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত সে ধীরে বলল, “না… মানে, একেবারে বন্ধ করে দিও না।”
রুদ্রের চোখে হালকা হাসি ফুটল। “তাহলে সমস্যাটা কোথায়?”
“তুমি সবকিছুর উত্তর এত সহজে দিয়ে দাও কেন?”
“কারণ প্রশ্নগুলো তুমি করো।”
জারা মুখ ঘুরিয়ে নিল। “তুমি অসহ্য!”
“এই কথাটা শুনে একটু শান্তি পেলাম। ভাবছিলাম, আমার ঝগড়ার সঙ্গী বোধহয় হারিয়ে ফেলেছি।”
দুজনেই হেসে ফেলল। কিন্তু হাসির পর রুদ্রের কণ্ঠ আবার নরম হয়ে এল।
“জারা, আমি তোমার কাছ থেকে এখনই কোনো সম্পর্কের নাম চাইছি না। শুধু এটুকু ভেবে দেখো—তুমি যখন আমার ওপর রাগ করো, সেটা কি সত্যিই আমার ওপর রাগ, নাকি আমি তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছি বলে ভয় পাও?”
জারা চুপ করে রইল।
রুদ্র আর চাপ দিল না। শুধু বলল, “সময় নাও। আমি তোমার উত্তর তাড়াহুড়ো করে আদায় করতে চাই না।”
জারা মনে মনে ভাবল, ছেলেটা এত সহজভাবে কথা বলে কীভাবে? একটু রাগ দেখালে ভালো হতো! অন্তত নিজের মনকে বোঝাতে পারতাম যে ওকে পছন্দ করার কোনো কারণ নেই।
বিকেলে নাটকের মহড়া ছিল। আগামী সপ্তাহেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদের নাটক মঞ্চস্থ হবে। পরিচালক সবাইকে জানিয়ে দিলেন, আজ মূল দৃশ্যগুলো ঠিকঠাক শেষ করতে হবে।
নাটকের শেষ দৃশ্যে নায়িকা অভিমান করে চলে যেতে চাইবে, আর নায়ক তাকে নিজের মনের কথা বলবে।
পরিচালক বললেন, “রুদ্র, তুমি ওকে থামানোর চেষ্টা করবে। আর জারা, তুমি চলে যাওয়ার আগে ওর কথাগুলো শুনবে। সংলাপের মধ্যে আবেগটা থাকতে হবে।”
মহড়া শুরু হলো।
রুদ্র জারার সামনে দাঁড়িয়ে সংলাপ বলল, “তুমি চলে যেতে চাইলে আমি তোমাকে আটকে রাখব না। কিন্তু যাওয়ার আগে একবার নিজের মনকে জিজ্ঞেস কোরো—তুমি সত্যিই চলে যেতে চাও, নাকি কাউকে নিজের কাছে রাখার ভয় পাচ্ছ?”
জারার পরের সংলাপ ছিল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি না।”
কিন্তু কথাটা বলার সময় তার গলা আটকে গেল।
“আমি… আমি জানি না।”
পুরো ঘর এক মুহূর্তের জন্য নীরব হয়ে গেল।
পরিচালক ভেবেছিলেন, জারা অভিনয়ের আবেগে সংলাপ ভুলে গেছে। তিনি হেসে বললেন, “ঠিক আছে, আরেকবার চেষ্টা করি। আবেগ ভালো ছিল, কিন্তু সংলাপটা মনে রাখতে হবে!”
সবাই আবার প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। জারা একটু দূরে গিয়ে দাঁড়াল। রুদ্র তার কাছে এল, তবে এবার কোনো দুষ্টুমি করল না।
“তুমি ঠিক আছ?”
“হ্যাঁ।”
“নিশ্চিত?”
“একই প্রশ্ন বারবার করছ কেন?”
“কারণ তুমি ‘হ্যাঁ’ বললেও তোমার মুখটা অন্য কথা বলে।”
জারা চোখ তুলে তাকাল। “তোমার এই অভ্যাসটা বন্ধ করা উচিত। মানুষের মুখ দেখে এত কিছু বুঝতে যাও কেন?”
রুদ্র মৃদু হেসে বলল, “সব মানুষের মুখ পড়তে পারি না। তোমারটা একটু বেশি পড়ার চেষ্টা করি।”
জারা কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থেকে চোখ সরিয়ে নিল।
মহড়া শেষে সবাই যখন বেরিয়ে যাচ্ছিল, জারা রুদ্রকে থামাল।
“আজকের ওই সংলাপগুলো কি নাটকের জন্য লিখেছিলে?”
রুদ্র তার দিকে তাকাল। “কোন সংলাপ?”
“যেগুলো বললে… চলে যাওয়া আর ভয় পাওয়ার কথা।”
“কিছুটা নাটকের জন্য। কিছুটা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে।”
জারার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল। “নিজের অভিজ্ঞতা?”
রুদ্র হালকা হাসল। “সব কথার উত্তর একদিনে পেয়ে গেলে আমাকে আর প্রশ্ন করবে কী নিয়ে?”
“রুদ্র!”
“আচ্ছা, রাগ কোরো না। তবে একটা কথা মনে রেখো—আমি তোমার অনুভূতি নিয়ে মজা করতে চাই না। তুমি যা অনুভব করো, সেটা বুঝতে তোমার সময় লাগতেই পারে।”
জারা আর কিছু বলতে পারল না।
রাতে খাবার টেবিলে জারা অস্বাভাবিক চুপচাপ ছিল। মা কয়েকবার তার দিকে তাকিয়ে শেষে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে? আজ এত চুপ কেন?”
জারা ইতস্তত করে বলল, “মা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?”
“করো।”
“কাউকে ভালো লাগা আর কাউকে ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য কীভাবে বোঝা যায়?”
মা কিছুক্ষণ মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন।
“হঠাৎ এই প্রশ্ন?”
“এমনিই! একটা গল্প পড়ছিলাম।”
“গল্পের নায়ক কি বাস্তবের কেউ?”
“মা!”
মা হেসে বললেন, “আচ্ছা, আর জিজ্ঞেস করব না। শোনো, কাউকে ভালো লাগলে তার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করতে পারে, তার হাসি ভালো লাগতে পারে। কিন্তু ভালোবাসা শুধু ভালো লাগার চেয়ে একটু গভীর।”
জারা মন দিয়ে শুনতে লাগল।
মা বললেন, “তার মন খারাপ হলে তোমারও খারাপ লাগতে পারে, তার আনন্দে তুমি খুশি হতে পারো। তার সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা করবে, কিন্তু তাকে নিজের ইচ্ছেমতো চালাতে চাইবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা, নিজের অনুভূতি বুঝতে সময় লাগলে সেটার জন্য নিজেকে দোষ দেবে না।”
“তাহলে কি ভালোবাসলে বিয়ে করতেই হবে?”
মা মেয়ের হাত ধরে বললেন, “একদমই না। ভালোবাসা আর বিয়ে এক বিষয় নয়। বিয়ে জীবনের বড় সিদ্ধান্ত। পড়াশোনা, নিজের ভবিষ্যৎ, দুজনের মানসিক প্রস্তুতি—সবকিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কাউকে ভালো লাগলেই আজই সব ঠিক করে ফেলতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।”
জারার বুকের ভেতর জমে থাকা চাপটা যেন একটু হালকা হলো।
মা তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, “নিজের মনকে বোঝার চেষ্টা করো। কিন্তু ভয় পেয়ে নিজের অনুভূতিকেও অস্বীকার কোরো না।”
জারা মায়ের কাঁধে মাথা রাখল। তার মনে হলো, কথাগুলো সে অনেক দিন ধরেই শুনতে চাইছিল।
রাত সাড়ে দশটার দিকে ফোনে রুদ্রের মেসেজ এল।
রুদ্র: “আজকের মহড়ায় নায়িকা সংলাপ ভুলে গেল কেন?”
জারা দ্রুত লিখল—
জারা: “তোমার সংলাপ বেশি লম্বা ছিল!”
রুদ্র: “অবশ্যই। নায়কের অনুভূতি বেশি, তাই সংলাপও বেশি।”
জারা: “নিজেকে নায়ক ভাবা বন্ধ করো।”
রুদ্র: “তাহলে তুমি নায়িকা হওয়া বন্ধ করো। দুজনেই সাধারণ মানুষ হয়ে ফুচকা খেতে যাই কাল?”
জারা হেসে ফেলল।
জারা: “ফুচকা তুমি খাওয়াবে?”
রুদ্র: “অবশ্যই। তবে বিল দেখে পালিয়ে গেলে কিন্তু নাটকের পরের দৃশ্যে তোমাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।”
জারা: “আমি পালাই না। তোমার মতো বকবক করা মানুষের কাছ থেকে সাময়িক দূরত্ব নিই।”
রুদ্র: “ঠিক আছে, ঝগড়ার রানী। কাল দেখা হবে।”
জারা কিছুক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে লিখল—
জারা: “রুদ্র?”
রুদ্র: “বলো।”
জারা: “তুমি আগের মতোই থাকবে তো?”
মেসেজটা পাঠানোর পর জারার বুক ধক করে উঠল। এত সরাসরি প্রশ্ন সে আগে কখনো করেনি।
রুদ্রের উত্তর এল কয়েক মুহূর্ত পর।
রুদ্র: “আমি চেষ্টা করব সবসময় তোমার সঙ্গে সৎ থাকতে। কিন্তু একটা কথা—তোমাকে পছন্দ করি বলে তোমার ওপর আমার কোনো অধিকার তৈরি হয় না। তুমি যখন প্রস্তুত হবে, তখন নিজের মনের কথা বলবে। তার আগে আমি তোমাকে কোনো সিদ্ধান্তে বাধ্য করব না।”
জারার চোখের কোণে অদ্ভুত এক কোমলতা ফুটে উঠল।
জারা: “তুমি এত ভালো কেন?”
রুদ্র: “আমি ভালো না। তোমার সঙ্গে ঝগড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য ভালো মানুষের অভিনয় করছি!”
জারা হেসে বালিশে মুখ গুঁজল।
কিছুক্ষণ পর সে আবার ফোন হাতে নিল। লিখল—
“শুভরাত্রি, রুদ্র।”
উত্তর এল—
“শুভরাত্রি, জারা। কাল ফুচকার সময় কিন্তু ঝগড়া বাকি রেখো।”
জারা ফোনটা বুকের কাছে ধরে চোখ বন্ধ করল।
আজও সে রুদ্রকে ভালোবাসে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না। কিন্তু একটা সত্য সে আর অস্বীকার করতে পারছিল না—রুদ্রের নীরবতা তাকে কষ্ট দেয়, তার হাসি তার মন ভালো করে, আর তার দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবলেই বুকের ভেতরটা ফাঁকা লাগে।
হয়তো ভালোবাসা এমনই। প্রথমে মানুষটাকে বিরক্তিকর মনে হয়, তারপর তার অভ্যাস হয়ে যায়, আর একসময় সেই অভ্যাস হারানোর ভয় জন্ম নেয়।
জারা জানালার বাইরে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল, “রুদ্র রহমান, তুমি কিন্তু আমার জীবনটা সত্যিই জটিল করে দিচ্ছ!”
তারপর নিজেই হেসে ফেলল।
কারণ সে জানত, আগামীকাল ফুচকা খেতে গিয়ে ঝগড়া সে করবেই। শুধু এবার ঝগড়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনুভূতিটাকে আর কত দিন অস্বীকার করতে পারবে, সেটাই দেখার বিষয়।
চলবে… ❤️
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।