Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প ৬ -আজ একটু বিশ্রাম নেব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
5 বার প্রদর্শিত
করেছেন (24,905 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সিরিজের নামঃ- নিজের জীবনটাও ছিল

গল্প ৬ -আজ একটু বিশ্রাম নেবimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প । ১০ আগষ্ট, ২০২৬


“আজ একটু বিশ্রাম নেব”—নিশি কথাটা বহু বছর ধরে বলে আসছে। কিন্তু আশ্চর্য, বিশ্রামের সেই দিনটা আর কোনোদিন আসে না। একসময় সে ভাবত, এই সপ্তাহটা একটু যাক, তারপর দুদিন নিশ্চিন্তে শুয়ে থাকবে। পরে সেই দুদিন এক সপ্তাহের কাছে হার মানত, সপ্তাহটা মাসের কাছে। এভাবেই ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো বদলেছে, মেয়েরা বড় হয়েছে, অভিকের চুলে পাক ধরেছে; শুধু নিশির নিজের জন্য রাখা বিশ্রামের দিনটি কোথাও এসে দাঁড়ায়নি।


ভোর পাঁচটার অ্যালার্ম বাজার আগেই তার ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে চোখের সামনে কোনো স্বপ্ন আসে না, আসে কাজের তালিকা। মেঘের টিফিনে কী দেওয়া যায়, মিশির দুধটা বসাতে হবে, অভিকের অফিসের জামাটা ইস্ত্রি করা হয়নি, বাজারে ডাল শেষ, দুপুরে কী রান্না হবে—সবকিছু যেন মাথার ভেতর আগেই সাজানো থাকে। বিছানা ছাড়ার আগেই নিশি বুঝে যায়, আজকের দিনটাও তার নিজের হবে না।


শরীর অবশ্য অনেকদিন ধরেই তাকে অন্য কথা বলছিল। কখনো কোমরের কাছে টান ধরত, কখনো মাথাটা ভার হয়ে থাকত, কখনো সিঁড়ি ভাঙতে গিয়ে বুকটা অকারণে ধড়ফড় করত। কোনো কোনো সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হতো, আর একটু শুয়ে থাকি। কিন্তু সেই ইচ্ছেটা মুখে আসার আগেই অন্য একটা ভাবনা তাকে বিছানা থেকে তুলে দিত—মেঘের স্কুল আছে, মিশির নাশতা চাই, অভিকের অফিস আছে। সংসার তো আর অপেক্ষা করবে না।


অভিক কয়েকবার বলেছে, “একবার ডাক্তার দেখিয়ে নাও।”


নিশি হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। “এমন কিছু না। একটু ক্লান্তি। ঠিক হয়ে যাবে।”


সে নিজের শরীরের প্রতিটি সতর্কবার্তাকে এমন সহজভাবে সরিয়ে রেখেছিল যে, একসময় শরীরের অসুবিধাগুলোও তার কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হতে লাগল। জ্বর নিয়েও রান্না করেছে, মাথাব্যথা নিয়ে ওষুধ খেয়ে কাজ করেছে, রাত জেগে মেয়ের পড়া দেখেছে। নিজের জন্য একটু শুয়ে থাকা তার কাছে বিশ্রাম ছিল না, বরং কাজ ফেলে রাখা।


তার একটা অদ্ভুত ভয় ছিল—সে থামলে বুঝি সংসারটা থেমে যাবে।


সেদিন দুপুরে বাজার থেকে ফিরতে ফিরতে রাস্তায় খুব গরম ছিল। হাতে বাজারের ব্যাগ, মাথায় সারাদিনের ক্লান্তি। দরজার কাছে এসে নিশির হঠাৎ মনে হলো, মেঝেটা যেন দুলছে। সে দেয়ালে হাত রাখল। চোখের সামনে আলোটা কেমন ঝাপসা হয়ে এল। পরের মুহূর্তে শরীরটা আর সামলাতে পারল না।


মেঘের চিৎকারে বাড়ির ভেতরটা মুহূর্তে বদলে গেল। মিশি ভয় পেয়ে কাঁদতে শুরু করল। খবর পেয়ে অভিক অফিস থেকে ছুটে এল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলল বেশ কিছুক্ষণ।


ডাক্তার রিপোর্টগুলো দেখে নিশির দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনি এসব লক্ষণ আগে থেকেই টের পাচ্ছিলেন?”


নিশি মাথা নিচু করল।


“তাহলে আগে আসেননি কেন?”


নিশি কোনো উত্তর দিতে পারল না। কী বলবে? যে সংসারের কাজ ছিল? যে সময় পায়নি? যে নিজের অসুবিধাকে সে নিজেই গুরুত্ব দেয়নি?


ডাক্তার খুব স্বাভাবিক গলায় বললেন, “শরীরকে সবসময় পরে রাখা যায় না। কিছুটা বিশ্রাম, নিয়মিত খাওয়া আর নিজের যত্ন—এসবও প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে।”


কথাগুলো খুব সাধারণ ছিল। অথচ সেদিন নিশির মনে হলো, কেউ যেন বহু বছর পর তাকে এমন একটা কথা বলল, যা তার নিজেরই আগে বলা উচিত ছিল।


রাতে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে সে সাদা ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাইরে করিডোরে মানুষের চলাচল, দূরে কোনো যন্ত্রের শব্দ, মাঝেমধ্যে নার্সের পায়ের শব্দ—সব মিলিয়ে রাতটা অদ্ভুত নির্জন। নিশির মনে হচ্ছিল, সে তো খুব বেশি কিছু চায়নি। শুধু একটা দুপুর ঘুমাতে চেয়েছিল। কোনোদিন রান্না না করে বসে থাকতে চেয়েছিল। একটা বই হাতে নিয়ে বিকেলটা পার করতে চেয়েছিল। অথচ সেই সামান্য চাওয়াগুলোকেও সে সবসময় বলেছে—“পরে।”


পরদিন মেঘ তার পাশে বসে হাত ধরে বলল, “মা, তুমি এখন থেকে এত কাজ করবে না।”


মিশি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। সে বলল, “আমার কাজ আমি নিজেই করব।”


অভিক অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, তুমি সব পারবে। তোমাকে কিছু করতে হবে না বলিনি কখনো। কিন্তু আমরা এটাও ভাবিনি যে তোমারও তো বিশ্রাম দরকার।”


নিশি তার দিকে তাকাল। এত বছরের সংসারে এই কথাটা এত দেরিতে কেন শুনতে হলো, সে জানে না।


বাড়ি ফেরার পর প্রথম কয়েকটা দিন নিশির কাছে অদ্ভুত লাগল। দুপুরে সে বিছানায় শুয়ে আছে, অথচ রান্নাঘর থেকে বাসনের শব্দ আসছে। অভিক রান্না করছে। মেঘ বাজারে গেছে। মিশি নিজের কাপড় গুছিয়ে রাখছে। নিশির মনে হচ্ছিল, সে যেন কোনো ভুল করছে। এতদিনের অভ্যাস তাকে ভেতর থেকে বলছিল—উঠে যাও, কাজগুলো পড়ে আছে।


কিন্তু সেদিন সে উঠল না।


চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল।


জানালার ফাঁক দিয়ে দুপুরের আলো বিছানার ওপর এসে পড়েছিল। অনেকদিন পর সেই আলোটা দেখার মতো সময় হলো তার।


নিশি ধীরে ধীরে বুঝতে পারল, সংসারের সব কাজ নিজে করে যাওয়া তার দায়িত্ব হতে পারে, কিন্তু নিজের শরীরকে শেষ করে দেওয়া তার দায়িত্ব নয়। বরং এতদিন সে ভুল করে ভেবেছে, ভালোবাসা মানেই সবসময় দিয়ে যাওয়া। এখন বুঝছে, কখনো কখনো ভালোবাসার অর্থ নিজের জন্যও একটু জায়গা রাখা।


সেদিন বিকেলে ঘুম থেকে উঠে নিশি জানালার পাশে বসে এক কাপ চা খেল। চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ বাইরে তাকিয়ে রইল।


তারপর মনে মনে বলল, “আজ একটু বিশ্রাম নেব।”


এই প্রথম কথাটার সঙ্গে কোনো “পরে” জুড়ে দিল না।


সেদিন থেকে নিশির জীবন পুরো বদলে যায়নি। সংসার আছে, কাজ আছে, দায়িত্বও আছে। শুধু একটা ছোট পরিবর্তন এসেছে—নিজেকে আর সে সবশেষে রাখে না।


কারণ সে বুঝে গেছে, সংসারের জন্য যে মানুষটা প্রতিদিন জেগে থাকে, তারও মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে থাকার অধিকার আছে।


আর বিশ্রাম কোনো বিলাসিতা নয়।


কখনো কখনো সেটাই আবার উঠে দাঁড়ানোর প্রথম শর্ত।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1233 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 24905। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4656
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
17 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৬   বন্ধ দরজার মানুষ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯ জুন,২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাসঃ-ছইয়ের নিচে জীবন গল্প-৬-হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ২৬ জù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নিশির দিনগুলো গল্প-৬ : চাকরির দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ স্বামী হারানোর পর সে শুধু একজন বিধবা হয়ে থাকল না, হয়ে গেল একজন চাকরিপ্রার্থীও। অভিক চলে যাওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস নিশ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
17 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অভিকের অদেখা জগৎ   গল্প ৬: যে কথাগুলো শুধু ছেলেটা শুনত   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ৫ জ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1071 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    53 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    902 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    344 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...