Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নিশির দিনগুলো গল্প-৬ : চাকরির দরজা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
36 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,310 পয়েন্ট)   15 জুলাই "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
নিশির দিনগুলো গল্প-৬ : চাকরির দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ স্বামী হারানোর পর সে শুধু একজন বিধবা হয়ে থাকল না, হয়ে গেল একজন চাকরিপ্রার্থীও। অভিক চলে যাওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস নিশি বুঝতেই পারেনি দিনগুলো কীভাবে কেটে যাচ্ছে। মানুষ আসছে, যাচ্ছে, সান্ত্বনা দিচ্ছে। তারপর একসময় সবাই নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে গেল। শুধু সংসারের খরচগুলো আগের মতোই রয়ে গেল। এক সন্ধ্যায় ডাইনিং টেবিলে বসে খাতা খুলে হিসাব করছিল নিশি। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, মেঘের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, মিশির কলেজের বেতন... হিসাব মেলাতে গিয়ে হঠাৎ থেমে গেল। টাকাটা আর মিলছে না। অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল। পরদিন সকালে আলমারির নিচে রাখা পুরোনো ফাইলটা বের করল। সার্টিফিকেটগুলো হাতে নিয়ে ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে অভিকের কথা মনে পড়ল। একদিন অভিক হেসে বলেছিল, "তুমি চাকরি না করলেও চলবে। আমি তো আছি।" কথাটা তখন ভালোবাসা ছিল। আজ সেই কথাটাই বুকের ভেতর একটু ব্যথা হয়ে বাজল। নিশি ফাইলটা ব্যাগে ভরে নিল। ভাবল, এবার নিজের জন্য নয়, মেঘ আর মিশির জন্য তাকে বের হতেই হবে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও জীবনবৃত্তান্ত জমা দিত। কোথাও থেকে কোনো খবর আসত না। একদিন এক অফিসে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শুনল, "এত বছর কী করেছেন?" "সংসার সামলেছি।" সামনের ভদ্রলোক মাথা নেড়ে বললেন, "আমাদের তো অভিজ্ঞ লোক দরকার।" নিশি শুধু "আচ্ছা" বলে বেরিয়ে এল। আরেকটা অফিসে ঢুকতেই প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনার স্বামী নেই?" "না।" "দুই মেয়ে আছে শুনলাম। অফিসের চাপ সামলাতে পারবেন তো?" নিশির ইচ্ছে করছিল বলে, "এত বছর একা হাতে সংসারের চাপ সামলেছি, অফিস কি তার চেয়েও কঠিন?" কিন্তু কিছু বলল না। চুপচাপ বেরিয়ে এল। এভাবেই দিন কাটছিল। সকালে বের হওয়া, দুপুরে এক কাপ চা আর একটা বিস্কুট খেয়ে থাকা, বিকেলে আবার আরেকটা অফিস। তারপর ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফেরা। দরজা খুলতেই মিশি জিজ্ঞেস করত, "মা, আজ কোনো খবর হলো?" নিশি হাসত, "এখনও না। হবে।" সেই হাসিটা যে কত কষ্টে হাসা, সেটা শুধু সে-ই জানত। একদিন বাড়ি ফিরে দেখল, টেবিলের ওপর একটা খাম রাখা। মিশি বলল, "এটা তোমার জন্য।" ভেতরে তিন হাজার টাকা। নিশি অবাক হয়ে তাকাল, "এত টাকা কোথায় পেলি?" মিশি লজ্জা পেয়ে বলল, "পাশের বাড়ির দুটো বাচ্চাকে পড়াই। প্রথম মাসের টাকা।" নিশির চোখ ভিজে উঠল। সে শুধু মেয়েকে জড়িয়ে ধরল। কিছু কথা থাকে, যেগুলো মুখে বলা যায় না। প্রায় চার মাস পর একটা ছোট প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষকের চাকরি হলো তার। বেতন খুব বেশি ছিল না। তবু নিয়োগপত্রটা হাতে নিয়ে সে অনেকক্ষণ বসে রইল। মনে হচ্ছিল, অনেক দিন পর কেউ যেন আবার তাকে বিশ্বাস করেছে। বাড়ি ফিরে দরজা খুলেই বলল, "মেঘ... মিশি... চাকরিটা হয়ে গেছে।" দুই মেয়ে দৌড়ে এসে মাকে জড়িয়ে ধরল। অনেক দিন পর সেই বাড়িতে আবার হাসির শব্দ উঠল। প্রথম বেতন পাওয়ার দিন ব্যাংক থেকে বেরিয়ে নিশি ফোনটা হাতে নিল। অভিকের নম্বরটা সে এখনও মুছে ফেলতে পারেনি। নম্বরটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আস্তে করে বলল, "তুমি বলেছিলে, আমি পারব। এতদিন পরে তোমার কথাটাই সত্যি হলো।" তারপর ফোনটা ব্যাগে রেখে বাড়ির দিকে হাঁটা দিল। সেদিন তার মনে হয়েছিল, চাকরি শুধু বেতন দেয় না। কখনো কখনো একটা চাকরি মানুষকে আবার নিজের চোখে নিজের মূল্যটাও ফিরিয়ে দেয়। চলবে.........গল্প-৬ : ঈদের দিন (ঈদের আগের রাতে প্যাকেট দুটো বের করতেই মিশি অবাক হয়ে বলল, "তুমি তো বলেছিলে কিনবে না!" ")
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1352 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27310। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4246
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নিশির দিনগুলো গল্প-১০ : নতুন সকাল মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ সব হারিয়েও [...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশির দিনগুলো গল্প-৯ : সমাজের বিচার মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ একজন বিধবা &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশির দিনগুলো গল্প-৮ : একাকী রাত মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ দিনের ভিড়ে সে [...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশির দিনগুলো গল্প-৭ : ঈদের দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ সবাই যখন নতুন কা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
42 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশির দিনগুলো গল্প-৫ : মানুষের দৃষ্টি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ স্বামী ম&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
36 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1211 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    60 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    310 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    15 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    83 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...