Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

আল কোরআনে বৈজ্ঞানিক ভুল আছে দাবি করা মিথ্যাচারের জবাব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
28 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   14 ডিসেম্বর 2025 "ইসলাম" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
আল কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ

পর্ব-৭ 

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

আমার মতে পৃথিবীর সকল বড় বড় বিজ্ঞানিরা বাস করেন আমাদের বাংলাদেশে। আসিফ মহিউদ্দিন, নূর সহ আরও নাম না জানা কলা বিজ্ঞানি দিয়ে আমাদের দেশ ভরপুর। পশ্চিমা বিজ্ঞানিদের সাথে আমাদের বঙ্গীয় কলা বিজ্ঞানিদের মূল পার্থক্য হলো " পশ্চিমা বিজ্ঞানিরা নাসার মতো প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে আর আমাদের বঙ্গীয় কলা বিজ্ঞানিরা শাহাবাগী গাজার স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন করতে করতে বিজ্ঞান চর্চা করে। তো যাইহোক এখন তাদের একট ভ্রান্ত দাবি খন্ডন করব ইনশাআল্লাহ ।  

তো চলুন শুরু করা যাক। 

প্রথমেই আয়াতটা উল্লেখ করছি। নিচের আয়াতটা লক্ষ্য করুন। আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলছেন যে " رَبُّ الۡمَشۡرِقَیۡنِ وَ رَبُّ الۡمَغۡرِبَیۡنِ ﴿ۚ۱۷﴾

রাব্বুল মাশরিকাইনি ওয়া রাব্বুল মাগরিবাইন।

তিনিই দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের নিয়ন্তা।

(He is) the Lord of the two easts (places of sunrise during early summer and early winter) and the Lord of the two wests (places of sunset during early summer and early winter) "( ৫৫ নাম্বার সূরা, সূরা আর রহমানের ১৭ নাম্বার আয়াত) ।   

তো তারা যেটা বলতে চাই এই আয়াত দেখিয়ে, সেটা হলো " আমরা জানি সূর্য একবার অস্ত যায় এবং একবার উদিত হয়, এই হিসাবে এখানে এক উদয়াচল এবং এক অস্তাচল হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু আল্লাহ রব্বুল আলামীন সেটা না বলে ডাইরেক্ট ভুল তথ্য বলে দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।  

আয়াতে পূর্ব পশ্চিম এর আরবি প্রতিশব্দ এসেছে মাশরিক’, ‘মাগরিব’ এই শব্দগুলোর অর্থ আপনি পাবেন - পূর্ব, পশ্চিম ক্লাসিক্যাল ডিকশনারিতে।  

এখন একটু আঙ্গেল চেন্স করব। আরবিতে শারাক্বা’ অর্থ আলোকজ্জ্বল হওয়া এবং ‘গারাবা’ অর্থ ডুবে যাওয়া । ‘মাশরিক’ অর্থ আলোকজ্জ্বল হবার স্থান এবং মাগরিব অর্থ ডুবে যাওয়ার স্থান। আরেকটু ক্লিয়ারি বললে বলতে হয় যে " জালসা এর অর্থ হলো বসা 

আর যে জায়গায় বসবে বা বসার যে স্থান, তাকে বলা হয় মাজলিস। তো প্রিয় বন্ধুরা এখান থেকে বুজতে পাচ্ছেন যে " মাগরিব/মাশরিকের মূল অর্থ পূর্ব বা পশ্চিম নয়। বরং সূর্যের অস্তাচল ও উদয়াচল। আকাশে উদিত ও অস্তমিত হবার জায়গা"। মানে সূর্য যেহেতু পূর্বদিকে আলোকজ্জ্বল হয়ে উদিত হয় তাই পূর্বকে আরবিতে 

‘মাশরিক’ বলে, আর পশ্চিমে গিয়ে অস্তমিত হয়, তাই পশ্চিমকে ‘মাগরিব’ বলে" আশা করি শাব্দিক অর্থের বিষয়টা ক্লিয়ার। এখন একটু বিজ্ঞান এতে আসি। বিজ্ঞান অনুসারে পৃথিবী গোল আর সূর্য সহ অন্যান্য নক্ষত্র গ্রহগুলোই প্রায় গোল। আমরা যদি অন্য রকম ভাবে চিন্তা - ভাবনা করি তাহলে বুঝতে পারবো যে " পৃথিবী এক জায়গায় দিন হলে অন্য জায়গায় রাত হয়, অর্থাৎ এক জায়গায় সূর্য অস্ত গেলে আরেক জায়গায় উদিত হয়। আর এটা কেন হয় জানেন??? উত্তর হলো গোল হওয়ার কারণে। যদি পৃথিবী সমতল হতো তাহলে এরকম আর হতো না তাহলে ডাইরেক্ট সমগ্র পৃথিবীতে এক টাইম এতে সূর্য অস্ত আর উদিত হতো। (সূরা রহমানের ১৭ নাম্বার আয়াতে পরোক্ষভাবে কিন্তু বিশ্লেষণ করে বুজতে পাচ্ছি যে পৃথিবী গোল হওয়া ইঙ্গিত আছে সুবহানাল্লাহ) কিন্তু সেটা হচ্ছে না, অর্থাৎ আমাদের সাপেক্ষে এখন সূর্য অস্ত গেলে অন্য জায়গায় উদিত হচ্ছে। তো এইভাবে দেখলে কিন্তু দুটো অস্তাচল আর উদয়াচল দেখতে পাচ্ছি আমরা। এছাড়াও সূর্য বিভিন্ন আঙ্গেল থেকে আলো প্রদান করে প্রত্যেক মাস ও দিনে। উদাহরণ সরুপ নিচের ছোট্ট উদাহরণ টা লক্ষ্য করুন 

" জুনের ২১ তারিখ সেখানে ভোর ৪টায় সূর্য উত্তর থেকে ৫০ ডিগ্রী কোণ করে, অর্থাৎ ঠিক পূর্ব থেকে উত্তরে ৪০ ডিগ্রী কোণ থেকে উদিত হয়েছে।ডিসেম্বরের ২১ তারিখ সেখানে সূর্য উদিত হয়েছে সকাল সোয়া ৮টায়। এবার সূর্য উদিত হয়েছে ঠিক পূর্ব থেকে দক্ষিণে ৪০ ডিগ্রী কোন করে।অর্থাৎ ৬ মাসে সূর্যের উদয়স্থল বা উদয়াচলের পার্থক্য হচ্ছে ৮০ ডিগ্রী।একইভাবে অস্তাচলের ক্ষেত্রে জুন ২১ ও ডিসেম্বরের ২১ এ ৮০ ডিগ্রী পার্থক্য আছে" 

এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে সূর্য কিভাবে বিভিন্ন আঙ্গেল থেকে........... । তো এই হলো সূরা আর - রহমানের ১৭ নাম্বার আয়াতের ব্যাখ্যা।  

ওহহহ আরেকটা কথা একটা গ্রহ আছে যেখানে দুটো সূর্যের উপস্থিত আছে ( যে সৌর মডেল এতে গ্রহটার অবস্থান সেকানে, আমি কিন্তু গ্রহের ভিতরের কথা বলছি না প্রিয় বন্ধুরা) গ্রহটার নাম সম্ভবত কেপলার হবে( শেষে বি না কি দিয়ে জানি ১৬ লেখা, মানে ' কেপলার বি ১৬ হবে) তো কেপলার বি ১৬ নাম রাখার কারণ হলো ' কেপলার' নামক দূরবীক্ষণ যন্তদিয়ে গ্রহটা আবিষ্কার করা হয়। এই গ্রহের অবস্থা ন দুনিয়া থেকে ( মানে আমাদের পৃথিবী থেকে) প্রায় ২০০ শত আলোকবর্ষ দূরে( সূর্য এক বছরে যতদূর পথ অতিক্রম করে সেটা এক আলোকবর্ষ, আলো সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে) । তো সেখানে দু সূর্য ( আসলে নক্ষত্র হবে, তবে আমি বুঝার সুবিধার্থে সূর্য বলছি) একই সময়ে এক দিকে অস্ত আর উদয় হয়। মানে এরকম ও গ্রহ এই বিশ্ব জগৎ এতে আছে। 

তো প্রিয় বন্ধুরা বুঝতে পারলেন যে কলা বিজ্ঞানিদের সল্প জ্ঞানের কারণে.........  

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।  

  [ অল্প কিছু তথ্য সংগৃহীত ] 

    কলমে : মোঃ মেহেদী হাসান 

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
Enolej ID(eID): 1956
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


আল কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ পর্ব-৮  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  দু- দিন আগে Wiliam harmet নামক এক ব্যাক্তির একটা পোস্ট দেখলাম ফেইসবুকে, যেখানে তিনি সূরা বাকারার একটা আয়াত [...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল - কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ পর্ব- ৯  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  যুগে যুগে কত জ্ঞানী দেখেলিাম আমি এই ভবের সংসারে কত বিজ্ঞানি আর কত জ্ঞানি আসিলেন এই সংসারে আজ পয�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  পর্ব-১০  সাধারণ তো কোনো প্রশ্নের উত্তর নিমিষেই পেয়ে যায়, কিন্তু কালকে রাতে একটু ব্যাতিক্রম হয়েছে। ৫ থেক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  পর্ব-১২  অনেক দিন পর নিয়ে আসলাম এই সিরিজের ১২ তম পর্ব। আপনারা যদি সূরা নূর ( ২৪ নং সূরা) এর ৪৩ নং আয়াতটা পড়েন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#আল_কোরআনের_অবৈজ্ঞানিক_ভুলের_অবৈজ্ঞানিক_দৃষ্টি_কোণ  সিরিজ পর্ব-১৪  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  প্রিয় বন্ধুরা অনেক দিন পর নিয়ে আসলাম এই সিরিজ এর ১৪ তম পর্ব। আজকে নতুন একটা প্রশ্নের জবা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...