আল - কোরআনের অবৈজ্ঞানিক ভুলের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ
পর্ব- ৯
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
যুগে যুগে কত জ্ঞানী দেখেলিাম আমি
এই ভবের সংসারে
কত বিজ্ঞানি আর কত জ্ঞানি
আসিলেন এই সংসারে
আজ পযন্ত কেও ধরিতে পারিলো না আল - কোরআনের ভুল
কিন্তু আমাদের
বঙ্গীয় কলা বিজ্ঞানি
কোরআনে পাইছে
বৈজ্ঞানিক ভুল
শুনিয়া এই কথা
আমি নিজের গালে মারি চড়
এসব বঙ্গীয়দের জ্ঞান
দেখে আমি হয়ে যায় বেহুশ
যাইহোক
আমি কোনো কবি না।
নিয়ে আসলাম এই সিরিজ এর নবম পর্ব। আপনারা সকলে অবগত আছেন যে আমাদের মহান কলা বিজ্ঞানিরা প্রতিনিয়ত আল কোরআনের ভুল পাই। তো এখন তাদের সেরকম একটা ভুল নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। আসলে আল কোরআনে তে কোনো ভুল আছে নাকি সেটাই দেখবো ইনশাআল্লাহ।
তো চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমেই দেখে নেই তাদের পেশ করা সেই আয়াতটা। আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলছেন যে " وَ الۡقَمَرَ قَدَّرۡنٰہُ مَنَازِلَ حَتّٰی عَادَ کَالۡعُرۡجُوۡنِ الۡقَدِیۡمِ ﴿۳۹﴾
ওয়াল কামারা কাদ্দারনা-হু মানা-ঝিলা হাত্তা-‘আ-দাকাল ‘উরজুনিল কাদীম।
এবং চন্দ্রের জন্য আমি নির্দিষ্ট করেছি বিভিন্ন মানযিল, অবশেষে ওটা শুষ্ক বক্র পুরাতন খেজুর শাখার আকার ধারণ করে।
And the moon, We have measured for it mansions (to traverse) till it returns like the old dried curved date stalk." ( পবিত্র আল- কোরআনের ৩৬ নাম্বার সূরার ৩৯ নাম্বার আয়াত)।
তো তারা যে অভিযোগটা করে সেটা হলো এই আয়াতে বলছে চন্দ্র নাকি খেজুরের আকার ধারণ করে কিন্তু আমরা জানি যে চন্দ্র কখনো খেজুরের আকার ধারণ করে না..... আর এই কারণে আল কোরআনে অবৈজ্ঞানিক তথ্য আছে, অতএব আল কোরআন ভুল ভুল ভুল... ।
তো এই হলো আমাদের মহা কলা বিজ্ঞানিদের অভিযোগ। আমি মোঃ মেহেদী হাসান হাসবো নাকি কান্না করব ঠিক বুঝতে পারছি না কারণ এটা ইসলামকে ভুল প্রমাণ করার জন্য কানা হওয়ার আফিম খেয়েছে আর অন্ধের মতো আচরণ করছে। একটা কবিতা মনে পড়ে গেলো
সেটা হলো
" হে নারী তোমার ঠোঁট দুটো
গোলাপের মতো
চোখ দুটো তারার মতো... "
এখন এই কবিতা দেখে কি কেও বলবে এখানে বৈজ্ঞানিক ভুল আছে, উত্তর হবে না, একদমই না, কারণ এখানে উপমা ব্যবহার করা হয়েছে। ঠিক ওই রকম ভাবে ওইখানে ব্যবহার করা হয়েছে উপমা। আরবির প্রাথমিক পাঠ নেয়া ছাত্র পর্যন্ত বুঝবে এটা উপমা এবং রূপক। কারণ উর্জুন (عُرْجُونِ-খেজুরের থোকাবাহী ডাল) এর আগে আরবী অব্যয় كـ (কা) রয়েছে। কা অর্থ "যেন"। এই অব্যয় রূপক বোঝায়, আক্ষরিক বোঝায় না। চাঁদকে মাসের শুরুতে যেমন চিকন দেখা যেত, মাসের শেষেও একে চিকন দেখা যায়। ভাবের যোজনা সৃষ্টিতে উপযুক্ত উপমা ব্যবহার ভাষাকে অলংকার প্রদান করে। এখন কেও যদি এই ছোট বিষয়টা না বুঝে তাহলে আমি মোঃ মেহেদী হাসান মাফ চাই ভাই কারণ আমি কলা বিজ্ঞানি না আর কলা বিজ্ঞানিদের বুঝানোর জন্য আমার জন্ম হয় নাই, কলা বিজ্ঞানিরা হলো অন্ধের মতো, অন্ধের হাতে যেমন মশাল দিয়ে পথ দেখানো বোকামি ঠিক একই রকম ভাবে ওদেরকে সত্যটা বলাও বোকামি।
যাইহোক এই ছিলো উত্তর।
তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
[ কিছু অংশ + হয়েছে ]
কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✒️✒️✒️
আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।