Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ফিরে দেখা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,153 পয়েন্ট)   19 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সিরিজ-মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা

ফিরে দেখাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ১০ অক্টোবর ২০২৬


আজ ১০, অক্টোবর-২০২৬, সনাতন ধর্মের মহালয়া। 


মহালয়া এলেই বাঙালির মনে ভেসে ওঠে ভোরের অন্ধকার, মহিষাসুরমর্দিনীর স্তোত্র, শিউলি ফুলের গন্ধ, শরতের আকাশ আর দুর্গাপূজার অপেক্ষা। অনেকের কাছে মহালয়া মানেই মা দুর্গার আগমনের বার্তা। কিন্তু এর অর্থ শুধু উৎসবের শুরুতে থেমে নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্মৃতি, কৃতজ্ঞতা এবং নিজের শিকড়ের দিকে একবার ফিরে তাকানোর সুযোগ।


সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাসে মহালয়া পিতৃপক্ষের সমাপ্তি এবং দেবীপক্ষের সূচনার সঙ্গে যুক্ত। পিতৃপক্ষ পূর্বপুরুষদের স্মরণ এবং তাঁদের উদ্দেশে তর্পণের সময়। এরপর শুরু হয় দেবীপক্ষ, যার সঙ্গে দুর্গাপূজার আবহ জড়িয়ে আছে।


তাই মহালয়ার এক পাশে অতীত, অন্য পাশে ভবিষ্যৎ।


একদিকে যাঁরা চলে গেছেন, তাঁদের স্মরণ। অন্যদিকে যিনি আসছেন, তাঁকে বরণ করার প্রস্তুতি।


গীতাতেও পিতৃস্মরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ আছে। নবম অধ্যায়ের ২৫ নম্বর শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণ বলেন,


“যান্তি দেবব্রতা দেবান্ পিতৃন্ যান্তি পিতৃব্রতাঃ…”


অর্থাৎ, দেবতার উপাসক দেবতাদের কাছে এবং পিতৃব্রতীরা পিতৃলোকের দিকে গমন করেন। গীতার এই শ্লোক মহালয়ার সরাসরি বিধান নয়। তবে এটি দেখায়, পূর্বপুরুষকে স্মরণ করা সনাতন ধর্মীয় চিন্তার বাইরে কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়।


আমরা কেউ একা তৈরি হই না। আমাদের আগে মানুষ ছিলেন। তাঁদের জীবন, শ্রম, ভালোবাসা, ত্যাগ এবং মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়েই আমাদের জীবন এগিয়ে এসেছে। তাঁদের কেউ বাবা-মা, কেউ দাদা-দাদি, কেউ আরও আগের প্রজন্মের মানুষ। তাঁরা আজ নেই, কিন্তু তাঁদের জীবনের কিছু অংশ আমাদের মধ্যেই রয়ে গেছে।


একজন মানুষ চলে গেলে শুধু একজন মানুষই চলে যান না। তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যেতে থাকে একটি সময়, একটি ঘর, কিছু অভ্যাস, কিছু গল্প। বাবার পুরোনো ঘড়ি, মায়ের আলমারিতে রাখা শাড়ি, দাদার বলা গল্প, কিংবা প্রয়াত কারও হাতের লেখা একটি চিঠি—এসব তখন হয়ে ওঠে অতীতের সঙ্গে বর্তমানের শেষ কয়েকটি যোগসূত্র।


কিন্তু ব্যস্ত জীবনে আমরা সেই যোগসূত্রগুলোর দিকে তাকানোর সময় কতটুকুই বা রাখি?


চাকরি, সংসার, সন্তান, অর্থ আর প্রতিদিনের অসংখ্য ব্যস্ততা আমাদের বর্তমানকে এমনভাবে ঘিরে রাখে যে আগের প্রজন্মের মানুষগুলো ধীরে ধীরে ছবির ফ্রেমে আটকে যান। মুঠোফোনে তাঁদের ছবি থেকে যায়, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কাটানো সময়ের কথা মনে করার অবসর থাকে না।


মহালয়া সেই জায়গায় একটি বিরতি তৈরি করে।


তর্পণের সময় হাতে নেওয়া জল তাই শুধু জল নয়। এর সঙ্গে মিশে থাকে স্মরণ, শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা। মনে মনে বলা যায়,


“তুমি নেই, কিন্তু তোমাকে ভুলিনি।”


এই কথাটির মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতি যেমন আছে, তেমনি আছে গভীর মানবিকতাও।


কারণ কাউকে স্মরণ করা মানে শুধু তাঁর মৃত্যুকে মনে করা নয়। তাঁর জীবনের মূল্যকে স্বীকার করাও স্মরণের অংশ।


শুধু নিয়ম পালন করলেই স্মরণ পূর্ণ হয় না। অন্তরের শ্রদ্ধা না থাকলে কোনো আচারই তার আসল অর্থ ধরে রাখতে পারে না।


একজন মানুষ নদীর ঘাটে গিয়ে হয়তো তাঁর প্রয়াত বাবাকে মনে করেন। কেউ মায়ের কথা ভাবেন। কেউ আবার এমন একজন মানুষকে স্মরণ করেন, যাঁর সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক ছিল না, কিন্তু জীবনের কঠিন সময়ে তিনি পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।


তাই পিতৃস্মরণকে শুধু বংশপরম্পরার হিসাব দিয়ে বোঝা যায় না। এর মধ্যে সম্পর্কের ঋণও আছে।


আর এই স্মরণের পরেই যখন দেবীপক্ষ শুরু হয়, তখন অনুভূতিটা বদলে যায়।


অতীতকে মনে করার পর সামনে আসে নতুনের আহ্বান।


বিষাদের ভেতর থেকে উৎসবের আলো দেখা দেয়।


মহালয়ার ভোরে তাই আনন্দ আর বিষাদ পাশাপাশি থাকে। মহিষাসুরমর্দিনীর স্তোত্র শুনে কারও মনে হয়, মা আসছেন। আবার সেই একই সুর অন্য কারও মনে করিয়ে দেয় এমন একজন মানুষকে, যিনি আর কোনোদিন পূজার ভিড়ে দাঁড়াবেন না।


কারও কাছে মহালয়া আনন্দের শুরু।


কারও কাছে এটি পুরোনো স্মৃতির দরজা খুলে দেওয়া একটি সকাল।


দুটো অনুভূতিই সত্যি।


কারণ ধর্মীয় উৎসব মানুষের জীবন থেকে আলাদা কোনো জগতে তৈরি হয় না। মানুষের আনন্দ, বেদনা, সম্পর্ক, মৃত্যু আর স্মৃতি—সবকিছু মিলেই তার ধর্মীয় অনুভূতির একটা অংশ তৈরি হয়।


এই কারণেই বাঙালি সংস্কৃতিতে মহালয়া শুধু একটি ধর্মীয় তিথি নয়। শরতের আকাশ, কাশফুল, শিউলি আর ভোরের স্তোত্রের সঙ্গে এটি বহু প্রজন্মের স্মৃতিতে মিশে আছে।


ছোটবেলায় যে সন্তান বাবার পাশে বসে মহালয়ার অনুষ্ঠান শুনেছে, বড় হয়ে সেই সন্তানই একদিন বাবাকে ছাড়া একই অনুষ্ঠান শুনতে পারে। তখন সুরটি আর শুধু সুর থাকে না। তার সঙ্গে মিশে যায় একটি মানুষ, একটি ঘর, একটি হারিয়ে যাওয়া সময়।


একটি পরিচিত সুর বহু বছর পর হঠাৎ আমাদের এমন একটি জায়গায় ফিরিয়ে নিতে পারে, যেখানে আমরা আর বাস্তবে ফিরে যেতে পারি না।


মহালয়া সেই ফিরে দেখার সুযোগ দেয়।


তবে ফিরে দেখা মানে অতীতে আটকে থাকা নয়। নিজের শিকড়কে মনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়া। যাঁরা আমাদের আগে ছিলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জীবনের পরের অধ্যায়ে পা রাখা।


আমরা যাঁদের হারিয়েছি, তাঁদের জন্য সবসময় বড় কিছু করার সুযোগ থাকে না। কিন্তু তাঁদের কথা মনে রাখা যায়। তাঁদের শেখানো কোনো ভালো কথা নিজের জীবনে ধরে রাখা যায়। তাঁদের কোনো একটি ভালো অভ্যাস নিজের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখা যায়।


আর কোনো এক মহালয়ার ভোরে, ঘুমজড়ানো চোখে রেডিও কিংবা মুঠোফোনে মহিষাসুরমর্দিনীর সেই পরিচিত সুর বাজতে থাকলে, হঠাৎ মনে পড়ে যেতে পারে সেই মানুষটির কথা, যার পাশে বসে একদিন প্রথম এই সুর শুনেছিলাম।


তখন হয়তো ঘরে আর সেই মানুষটি নেই।


শুধু সুরটা আছে।


আর সেই সুরের ভেতর দিয়ে, কয়েক মুহূর্তের জন্য, হারিয়ে যাওয়া মানুষটিও যেন ফিরে আসে।


মহালয়া হয়তো সেই ফিরে আসারই একটি সকাল।


একবার অতীতের দিকে তাকিয়ে, তারপর নতুন দিনের দিকে হাঁটার সকাল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1393 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28153। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4949
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
খুব সুন্দর লিখেছেন 
করেছেন (35 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে প্রতিক্রিয়া প্রদান

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
যে ক্লান্তি দেখা যায় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফিরে আসার ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ২৪ আগস্ট ২০২৬ সেদিন বিকেল থেকে বৃষ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
52 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ফিরে এলাম ফিরে এলাম বহুদিন পর তোমাদের মাঝে, নীরবতার গল্প নিয়ে পুরোনো সেই সাজে। সময়ের ধুলো মেখে ক্লান্ত পথের শেষে, ফিরে এলাম হারানো কিছু অনুভূতির দেশে। কল্পনার কলম আজ স্মৃতির পাতায় কাঁদ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
55 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ফিরে এলাম বহুদিন পর তোমাদের মাঝে ফিরে এলাম বহুদিন পর তোমাদের মাঝে, চেনা সেই পথ, চেনা বাতাস, চেনা শহর-গাঁয়ে। কত ঋতু পেরিয়ে গেল নীরবতার ঘোরে, কত কথা জমে ছিল বুকের গভীর ঘরে। যে পথে একদিন হেঁটে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
54 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কখনো কি চাঁদের আলোয় কারও চোখে হারিয়ে গিয়েছো? চাঁদের আলোয় দেখা মোহাম্মদ জাহিদ হোসে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
78 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    549 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    4 মন্তব্য

    27 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    63 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...