Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শিকড়টা ভুলে গেলে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,234 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা

শিকড়টা ভুলে গেলেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ১৯ অক্টোবর ২০২৬


একটা মণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে কখনো কি মনে হয়েছে, এই মণ্ডপটা আমাদের কাছে শুধু আজকের নয়?


এর পেছনে হয়তো বহু বছরের গল্প আছে। কোনো পরিবারের স্মৃতি আছে। কোনো পাড়ার মানুষের শ্রম আছে। কারও শৈশব আছে। কারও হারিয়ে যাওয়া মানুষ আছে। আবার আছে এমন কিছু বিশ্বাস, যা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে পৌঁছে এসেছে।


আমরা উৎসবটা পেয়েছি। কিন্তু এর ভেতরের কথাগুলো কি ঠিকভাবে পরের প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি?


দুর্গাপূজার ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, এটি কোনো একদিনে তৈরি হওয়া উৎসব নয়। এর সঙ্গে পুরাণ আছে, লোককথা আছে, পারিবারিক পূজার ইতিহাস আছে, আছে মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা বারোয়ারি পূজার ধারাও।


দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপের প্রাচীন গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা পাওয়া যায় দেবী মাহাত্ম্য-তে, যা মার্কণ্ডেয় পুরাণের অংশ। সেখানে দেবী শুধু একটি প্রতিমার নাম নন। তিনি শক্তির প্রতীক। অশুভের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রতীক। অন্যায় ও বিশৃঙ্খলার সামনে ভয় না পাওয়ার প্রতীক।


পরে বাংলায় দুর্গাপূজা নানা পরিবার ও সমাজের মধ্যে বিস্তৃত হয়েছে। রাজপরিবার, জমিদারবাড়ি, শহরের পাড়া, গ্রাম—ধীরে ধীরে উৎসবের পরিসর বড় হয়েছে।


রাজা কংসনারায়ণকে নিয়ে একটি বহুল প্রচলিত কাহিনি আছে। আবার রামের অকালবোধনের কাহিনিও দুর্গাপূজার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। কিন্তু এসব জায়গায় ইতিহাস আর ধর্মীয় ঐতিহ্যকে আলাদা করে দেখা দরকার। সব কাহিনিকে একই ধরনের ঐতিহাসিক প্রমাণ দিয়ে বিচার করা যায় না।


এই সততাটাও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ হওয়া উচিত।


কারণ নিজের ধর্মকে ভালোবাসার অর্থ নিজের ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেওয়া নয়। বরং নিজের শিকড়কে যত বেশি জানব, তত বেশি বুঝব কোনটা বিশ্বাস, কোনটা লোককথা, কোনটা ইতিহাস এবং কোনটা পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া সংস্কার।


১৭৯০ সালের গুপ্তিপাড়ার একটি পূজাকে বাংলার বারোয়ারি পূজার প্রাচীন ও বহুল আলোচিত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, বারোজন বন্ধু মিলে সেই পূজার আয়োজন করেছিলেন।


একসময় যে পূজা ছিল নির্দিষ্ট পরিবার বা অভিজাত গোষ্ঠীর আয়োজন, সেটি ধীরে ধীরে মানুষের অংশগ্রহণের উৎসবে পরিণত হলো।


এই পরিবর্তনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।


কারণ ধর্ম শুধু ঘরের ভেতরে থাকলে তার একটি ব্যক্তিগত রূপ থাকে। আবার ধর্ম যখন সংস্কৃতি, উৎসব, আচার ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার একটা সামষ্টিক রূপ তৈরি হয়।


ঢাকার পুরান এলাকায় পূজার সময় কোনো সরু গলির পাশ দিয়ে হাঁটলে সেই সামষ্টিক রূপটা এখনও বোঝা যায়। ছোট্ট একটি মণ্ডপের সামনে কয়েকজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। কেউ ফুল সাজাচ্ছে, কেউ প্রসাদের ব্যবস্থা করছে। একজন বয়স্ক মানুষ হয়তো পাশে দাঁড়িয়ে নিজের ছোটবেলার পূজার গল্প বলছেন। আর একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরটি মোবাইলে মণ্ডপের ছবি তুলছে।


দুজনের পৃথিবী আলাদা।


একজনের কাছে পূজা স্মৃতি। অন্যজনের কাছে ছবি।


কিন্তু তাদের মাঝখানে যে মণ্ডপটা দাঁড়িয়ে আছে, সেটাই দুই প্রজন্মকে এক জায়গায় এনে দিয়েছে।


প্রশ্ন হলো, এই সম্পর্কটা আমরা কতদিন ধরে রাখতে পারব?


বর্তমান প্রজন্মের কাছে সনাতন ধর্মকে ধারণ করার কথাটা তাই গুরুত্বপূর্ণ।


ধারণ করা মানে শুধু পূজার দিন নতুন পোশাক পরা নয়। শুধু মন্দিরে যাওয়া নয়। শুধু মন্ত্র মুখস্থ করাও নয়।


নিজের ধর্মের ইতিহাস জানা। নিজের সংস্কৃতির শিকড় জানা। তার দর্শনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা তৈরি করা। আর ধর্মের নামে যা কিছু প্রচলিত আছে, তার সবকিছুকেই প্রশ্নহীনভাবে সত্য ধরে না নিয়ে বোঝার চেষ্টা করা।


কারণ অন্ধ অনুকরণ কখনো গভীর বিশ্বাস তৈরি করে না।


একজন তরুণ যদি তার ধর্ম সম্পর্কে জানতে চায়, তাকে শুধু “এটা আমাদের ধর্ম, তাই মানতে হবে” বললে হয়তো সে কিছুদিন মানবে। কিন্তু কেন মানবে, কী এর অর্থ, এর দর্শন কী, মানুষের জীবনে এর মূল্য কোথায়—এসব প্রশ্নের উত্তর যদি সে না পায়, একসময় সেই সম্পর্কটা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।


শিকড় শক্ত করতে হলে শিকড়ের পরিচয়ও জানতে হয়।


আজকের প্রজন্ম প্রযুক্তির মধ্যে বড় হচ্ছে। তাদের পৃথিবী আমাদের সময়ের চেয়ে অনেক বড়। এক মুহূর্তে তারা পৃথিবীর অন্য প্রান্তের সংস্কৃতি দেখতে পারে। নতুন চিন্তা জানতে পারে। নতুন জীবনযাপন দেখতে পারে।


এটা খারাপ নয়।


বরং পৃথিবীকে জানার দরজা যত খুলবে, নিজের পরিচয়টাও তত সচেতনভাবে জানা দরকার হবে।


কারণ যে নিজের শিকড় চেনে, সে অন্যের সংস্কৃতিকেও সম্মান করতে পারে। আর যে নিজের পরিচয় নিয়েই অনিশ্চিত, সে অনেক সময় অন্যকে নকল করাকে আধুনিকতা মনে করে।


তাই বর্তমান প্রজন্মকে সনাতন ধর্ম ধারণ করতে হবে—কিন্তু সেটা ভয় থেকে নয়, অন্ধত্ব থেকে নয়, অন্যকে ছোট করার জন্যও নয়।


ধারণ করতে হবে জ্ঞান দিয়ে।


মূল্যবোধ দিয়ে।


নিজের সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দিয়ে।


আর সবচেয়ে বড় কথা, মানবিকতা দিয়ে।


দুর্গাপূজার ইতিহাস আমাদের একটা শিক্ষা দেয়। কোনো ঐতিহ্য শুধু পুরোনো হলেই বেঁচে থাকে না। মানুষ তাকে নতুন করে গ্রহণ করলে তবেই বেঁচে থাকে।


আজকের তরুণ যদি মণ্ডপে দাঁড়িয়ে শুধু ছবি তোলে, তবু তাকে দোষ দেওয়া যায় না। হয়তো কেউ তাকে কখনো গল্পটা বলেনি।


তাকে যদি বলা যায়, এই উৎসবের পেছনে কত শত বছরের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতি আছে, তখন হয়তো সেই ছবির অর্থও বদলে যাবে।


মণ্ডপ তখন শুধু ছবি তোলার জায়গা থাকবে না।


হয়ে উঠবে নিজের শিকড়ের সামনে দাঁড়ানোর একটি মুহূর্ত।


প্রতিমা বিসর্জন হবে। মণ্ডপ খুলে যাবে। আলো নিভে যাবে। মানুষ নিজের কাজে ফিরে যাবে।


কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যাবে—


আমরা কি শুধু উৎসবটা পরের প্রজন্মের হাতে তুলে দেব, নাকি তার সঙ্গে আমাদের সনাতন ধর্মের ইতিহাস, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ আর মানবিকতার শিক্ষাটাও তুলে দেব?


কারণ উৎসব একদিনের হতে পারে।


কিন্তু ঐতিহ্য বাঁচে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।


আর শিকড়টা ভুলে গেলে, একদিন হয়তো মণ্ডপ থাকবে, উৎসব থাকবে, আলোও থাকবে—শুধু তার ভেতরের অর্থটাই আর থাকবে না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1397 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28234। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4978
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নক্ষত্র নিভে গেলে মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫ নক্ষত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
555 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

স্রোতস্বিনী! ‎ফুরিয়ে গেলে বেলা, ‎বুঝবে ঠিকই— ‎করেছিলে অবহেলা। ‎ ‎খুঁজে ফিরবে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ভুলে যাওয়া মানুষের তালিকায় আমি আছি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   গদ্যকবিতা। জানুয়ারি ০þ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
507 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

প্রিয়, কিছু মানুষের নাম উচ্চারণ করতে হয় না— তাদের উপস্থিতি অনুভব করা যায়। তুমি তেমনই। তোমাকে নিয়ে ভাবতে গেলে আমি আবেগে ভেসে যাই না, আমি স্থিরতার কাছে যাই। কারণ সব সম্পর্ক উত্তেজনায় জ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
146 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা মন্ত্রের ভেতরের মানুষ মোহাম্মদ জাহিদ হো&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    630 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    6 মন্তব্য

    31 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...