#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim
সিরিজ পর্ব-৫৩
আপনার কাছ থেকে আমার বিজ্ঞান শিখতে হইব না , বিজ্ঞান কি সেটা আমি ভালো করেই জানি! আর জানা টা স্বাভাবিক কারন বিজ্ঞান নিয়েই পড়েছি
সংক্ষিপ্ত আকারে বলি বলি তাহলে বিজ্ঞান হলো" বিশেষ জ্ঞান "( বি+ জ্ঞান =বি-বিশেষ: জ্ঞান - বিদ্যা= বিশেষ বিদ্যা) যেমনটা নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বই এর প্রথম অধ্যায়ে উল্লেখ আছে এবং ষষ্ঠ শ্রেণির কৃষি শিক্ষা বই এর প্রথম অধ্যায় এর প্রথম প্যারাতে বলা আছে...
আর রিজাল শাস্ত্র এমন এক বিজ্ঞান যা দিয়ে সত্য মিথ্যা নির্ণয় করা যায় নির্ভুল ভাবে
আপনি কখনো রিজাল শাস্ত্র না পড়লে এই বিদ্যার সাধ পাবেন না। এক সময় আমার মাথাতেই অনেক প্রশ্ন উদয় হতো
যেমন-
মুহাদ্দিসরা কিভাবে বুঝল কোনটা সহীহ কোনটা যঈফ
তারা সহীহ বললেই সহীহ হবে তার কি মানে আছে?
১০০ বছর পরে জন্ম গ্রহণকারী ব্যক্তিরা একটা হাদীস ডুনার পর কিভাবে বলে দেই যে এটা নবীজির কথা নাকি বানোয়াট কথা।
একটা মানুষের সাথে ২০ বছর সংসার করেও বলা যায় না যে তার চরিত্র কি রকম কিন্তু মনে মুহাদ্দিসরা কিভাবে অন্যের উপর জারাহ তাদীল করে?
এক হাদীস সম্পর্কে কেও যঈফ বলে কেও সহীহ বলে তো কার কথা সঠিক?
রিজাল শাস্ত্র যে সকল জ্ঞান এর রাজা তা বুঝার জন্য শুধু এতটুকু জানলেই হবে যে এই বিদ্যা দিয়ে একজন মানুসের সকল কর্ম এর সত্য মিথ্যা নির্ণয় করা যায়..
আপনার পদার্থ বিজ্ঞান , মেডিকেল বিজ্ সহ যত জড় বিজ্ঞান আছে সব বিজ্ঞান কে একত্র করেও এটা জানতে পারবেন না যে কে সত্য কথা বলছে আর কে মিথ্যা বলছে আজ থেকে ১০০ বা ১০০০ বছর কোনো ব্যক্তি এর নামে ....
তারপর যখন জাহাঙ্গীর স্যার এর " হাদীসের নামে যালিয়াতি " বইটা পড়ি তখন আমি অবাক হয়ে যায় উক্ত বই এর প্রথম পর্বটা পড়ে যেখানে তিনি ১০০+ পৃষ্ঠা ভরে হাদীস যাছাই - বাছাই এর পদ্ধতি উদাহরণ সহ বর্ণনা করে, কিভাবে মুহাদ্দিসরা সত্য মিথ্যা যাছাই করতেন তা উদাহরণ থেকে দেখিয়ে দেন, তার পর থেকেই উসূলে হাদীসে আমার পিপাসা জন্মাই। এর পর পরে পড়ে ফেলি " রিজাল শাস্ত্র ও জাল হাদীসের ইতিবৃত্ত "। এরকম করে এই শাস্ত্র সম্পড়কে যত পরছি ততই অবাক হচ্ছি। যারা রিজাল শাস্ত্র এর ক, খ ও জানে না তারা এই বিষয় নিয়ে উল্টা মন্তব্য করে যা হাস্যকর....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।