Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প: রিয়ার ভাই, পর্ব-১২

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
23 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#রিয়ার_ভাই

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]

পর্ব ১২  

#ইমি_চৌধুরী 

#Imi_Chowdhury

আমি আর আমার মামাতো বোন চলে আসলাম আমার মামার বাসায়। ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যার পর হলো। রাতে আমার ঠিকমতো ঘুম হয় নি। একটার পর একটা দু:স্বপ্ন দেখেছি। অর্ধেক অর্ধেক মিনিংলেস স্বপ্ন। দেখলাম আমি কোনো গহীন বনে হাটছি, পথ ফুরাচ্ছে না। ঘন জঙ্গলে আমি হারিয়ে গেছি। হঠাৎ দুইটা প্রকান্ড বিষধর সাপ আমাকে জঙ্গলের ভেতরে তাড়া করছে। আমি বাচার জন্য দৌড়াচ্ছি, দৌড়াতে দৌড়াতে আমার ঘুম ভেঙে গেলো,,,,,,,,, 

আমি জানি স্বপ্নে সাপ দেখার অর্থ হলো শত্রুর আগমন হয়েছে জীবনে। 

আমি পরদিন রিয়ার বাসায় যাবো। রিয়ার সাথে আমার জরুরি কথা আছে। কিন্তু ভাবছি কি প্রয়োজন আমার রিয়াদের বাসায় যাওয়ার, কি কারনে নিজেকে ওদের সাথে ইনভল্ভ করছি, তাছাড়া রিয়াকে সেদিন যা বোঝাতে চেয়েছি, শুনে রিয়া অনেক বাজে ভাবে রিয়েক্ট করেছে। কাল গিয়ে যদি জরুরি কথা বলা শুরু করি রিয়া হয়তো চিৎকার চেচামেচি করে আমাকে বাসা থেকেই বের করে দিবে। তবুও আমার রিয়ার ভাই এর জন্য মায়া হয়। আহা বেচারা,,,,,,, 

সিদ্ধান্ত নিলাম রিয়াকে মুখে কিছু বলবো না, যা বলার লিখে বলবো, অর্থাৎ চিঠি। চিঠি নিয়ে ওর বাসায় যাবো, বলবো আমি যাওয়ার পরে কাগজটা খুলে পড়বি, আমি ওদের বাড়ি থেকে বের হবার পরে তো আর রিয়া আমার সাথে কোনো রিয়েক্ট করতে পারবে না। শুরু করলাম লেখা। 

"রিয়া তুই যদি তোর বড় ভাই আর চাচাকে ভালোবাসিস, যদি তাদের জীবনের মঙ্গল চাস, তাহলে আমার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করিস। আচ্ছা তোর বড় ভাই আর চাচার যদি কখনও বিয়ে না হয়, যদি তাদের কোনো সন্তান না হয়, তারা নি:সন্তান মারা গেলে, তোদের সকল সহায় সম্পত্তি কে পাবে জানিস? তোর মায়ের পেটের ছোটো দুই ভাই। যদি তোর মা কট্টর হিন্দু নারী হয়ে থাকেন, তাহলে এই সম্পত্তির কিছুই তুই পাবি না, কারন হিন্দু শাস্ত্রমতে মেয়েরা পিতার সম্পত্তির ভাগ পাবে না। যদিও তোর বাবা মুসলিম। তার সম্পদ মুসলিম আইনে বন্টন হলেও, তুই চলে যাবি বিয়ের পরে শশুরবাড়ী। সুতরাং তোদের পরিবারে এই পর্যন্ত যা কিছু হয়েছে সব কিছুই তোর মা করেছে নিজের দুই ছেলের জন্য।এখন প্রশ্ন করতে পারিস কিভাবে? আমি শুধু ধারনা দিতে পারি, শোন তোর মা বহু আগে থেকেই তোর চাচা এবং ভাইয়ের উপরে জাদু টোনা করতো, হয়তো এটা তোর দাদা বা দাদী টের পেয়ে যায় বা বুঝতে পারে। তাই তাদেরকে দুনিয়া থেকে সড়ানোর প্রয়োজন ছিলো। তোর মায়ের কাছে একদিন দারোয়ান নারায়ণ আর মালির বৌয়ের পরকিয়া ধরা পড়ে যায়। এই সুযোগ টা তোর মা নেয়। সে তাদের ব্লাকমেইল করে তার কাজ করিয়ে নেয়। তাছাড়া দারোয়ানদের চাকরি তোর মা দিয়েছে। সুতরাং নারায়ণ এমনিতেই ছোটো মালিকিনের সব আদেশ পালন করবে। 

হয়তো নারায়ন কে দিয়েই সাপুড়ে বা সাপ এনে ঘুমের ভেতরে তোর দাদা দাদীকে সাপের ছোবল দিয়ে হত্যা করা হয়। বাড়ির বাকি সবাই তখন গভীর ঘুমে ছিলো। হয়তো তোর মা সবাইকে গভীর ঘুমে রাখার জন্য খাবারে কিছু মিশাতেও পারে। আমি নিশ্চিত তোদের বাসায় তোর মা আমাকে যেই মধু খেতে দিয়েছে, সেটা কোনো সাধারন মধু নয়। এমন কোনো ফুলের মধু যা মানুষ কে নেশাগ্রস্থ করে বা তন্দ্রাচ্ছন্ন করে। তোর মা এখনও তোর ভাই এবং চাচার উপরে কালো জাদু করছে। তোর ভাইয়ের ঘরে যেই মধু আর বারান্দায় যেই ফুল, এগুলো কালো জাদুর ই অংশ। কিন্তু প্রশ্ন হলো ঐ পাকিস্তানী হুজুর তদবির বা রুকিয়াহ চিকিৎসা করার পরেও কেনো তোর মায়ের করা জাদু তোর ভাই আর চাচার উপরে প্রভাব ফেলছে, তা আমি জানি না। এখন প্রশ্ন করতে পারিস, তোর ভাই আর চাচাই যেহেতু তোর মায়ের পথের কাটা, তাহলে এই দুজনকে হত্যা না করে তোর দাদা দাদীকে কেনো হত্যা করলো? যদি এই দুজনকে হত্যা করতো তাহলে হয়তো তোর দাদা দাদী বুঝে যেতো যে খুনী কে? তাই তোর মা প্রথমে তোর দাদা দাদীকে হত্যা করলো। তারপরে স্লো পয়জনিং বা কালো জাদু দ্বারা তোর ভাই আর চাচাকে হত্যা করবে বা তাদের কখনও বিয়ে এবং সন্তান হতে দিবে না, যেনো কেউ কখনও কোনো সন্দেহ করতে না পারে। আমি জানি এই কথাগুলো শুনে তোর ইচ্ছা করছে আমাকে টুকরা টুকরা করতে। কিন্তু এটাই সত্যি হতে পারে বোন। তুই অনেক রেগে যাবি, এজন্যই আমি কথাগুলো তোকে লিখে জানালাম। তুই হয়তো আমার সাথে রাগ করে আর কোনো যোগাযোগ ই রাখবি না, তবুও আমি তোর ভালোর জন্য ই তোকে বিষয়গুলো বললাম। এখন তোর অনেক কিছু করার আছে। তুই যদি তোর ভাই আর চাচাকে বাচাতে চাস, তাহলে এদের দুজনকে তোর মায়ের থেকে অনেক দূরে রাখতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি এই দুজন দেশের বাহিরে চলে যায়। তোর ভাই তন্ত্র সাধনা ছেড়ে এখন নিজের ধর্ম কর্ম পালন করছে। তাই পশ্চিমা দেশে তার যাওয়া হয়তো হুজুর রাজী হবে না। কারন এই বয়সের যুবক একটা ছেলে পশ্চিমে গেলে আবার ধর্ম কর্ম থেকে দূরে সড়ে যেতে পারে। তাই বেস্ট অপশন হচ্ছে এই দুজনকে যদি কোনো আরব দেশে পাঠানো যায়। তোর বাবা রাজী হবে না, কারন মিডেল ইস্টে বাংলাদেশ থেকে গেলে একেবারেই শ্রমিক পর্যায়ে কাজ করতে হয়। কিন্তু তোদের তো সহায় সম্পত্তির অভাব নেই। চেষ্টা করলেই তোর ভাই আর চাচা ওখানে কোনো একটা বিজনেস দাড় করাতে পারবে। মূল কথা হলো যেভাবেই হোক তুই তোর বাবাকে কনভিন্স করে তোর বড় ভাই আর চাচাকে বিদেশে পাঠিয়ে দিবি। তোর মায়ের নাগাল থেকে অনেক দূরে থাকতে হবে এদের। এখন জিগেস করতে পারিস, তোর ভাই আর চাচার জন্য আমি এতো দরদী হলাম কেনো? এর কারন আমি জানি না। হয়তো বেচারাদের জন্য আমার করুনা কাজ করছে। আমার উপরে রাগ করে থাকিস না সই। হ্যা আরেকটা কথা তোর মাকে নিয়ে আমি যা বলেছি তা তোদের কাহিনী জেনে এবং পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে বিবেচনা করে বলেছি। আমার সন্দেহ ভুল ও হতে পারে। অর্থাৎ তোর মা নির্দোষ ও হতে পারে, কিন্তু তুই যেভাবেই হোক তোর বাবাকে রাজী করে বড় ভাই আর চাচাকে বিদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা করবি"। 

চিঠিটা নিয়ে পরদিন বিকালে আমি একা রওনা হলাম রিয়াদের বাড়ির দিকে। গেটের কাছে এসে দেখি, আজও নারায়ণ ডিউটিতে। আমি গেটের ভেতরে ঢুকলাম। আমার কেমন যেনো আজ একটু অস্থির লাগছে, ভয় লাগছে। মনে হচ্ছে যদি পারতাম একটা দৌড় দিয়ে কাগজ টা রিয়ার হাতে দিয়েই, আবার দৌড় দিয়ে যদি এই রহস্যময় বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে পারতাম,,,,,,,,,,,, চারিদিকে কেমন যেনো একটা সুনসান নিরবতা। দারোয়ান বিষ্ণু, মালি, মালির বৌ কাউকেই বাগানের আশেপাশে দেখা যাচ্ছে না। আমি বাগানের ভেতর দিয়ে হেটে রিয়াদের বিল্ডিংয়ের দিকে আগাচ্ছি। হঠাৎ আমার পেছনে নারায়ণ এসে বললো "দিদিমনি বাগানের ঐ পাশে আছে। ঘরে নাই।আমার সাথে আসেন, আপনি একা যাইতে পারবেন না"। অর্থাৎ নারায়ণ রিয়ার কথা বলেছে, রিয়া বাগানের ঐ দিকে আছে। আমি শুনে খুশি ই হলাম। ভাবলাম ভালোই হলো রিয়াদের বাসার ভেতরে আজ আমার ঢোকা লাগবে না। বাগানেই রিয়ার হাতে চিঠিটা দিয়ে আমি দ্রুত চলে যাবো। দারোয়ান নারায়নের সাথে সাথে আমি বাগানের ঐ পাশে যাচ্ছি। রিয়াদের বাগান এরিয়া টা অনেক বড়। আগে খেয়াল করি নি, বিভিন্ন ধরনের বড় বড় ফল আর ফুলের গাছে বাগান ভরা। এমনকি তাল আর সুপারি গাছ ও আছে। একপাশে ছোট্র করে আছে বাশঝাড়। বাশ বাগানের পাশে দিয়ে একটা চিকন গলি দিয়ে নারায়ন আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। আমি পেছন ফিরে তাকিয়ে খেয়াল করলাম, বাড়ির মেইন গেইট, মূল ফটক আর বিল্ডিং পাড় হয়ে আমরা অনেকটা দূরে চলে এসেছি। আমি নারায়ন কে জিগেস করলাম রিয়া আর কত দূরে আছে? এ তো দেখি একেবারে ঘন জঙ্গল। নারায়ন হাত দিয়ে খানিকটা দূরে একটা টিনের ছাপড়ি ঘর দেখিয়ে বললো, দিদিমনি ঐখানে আছে। আমি ভাবলাম আসর নামাজের ওয়াক্ত শেষ, মাগরিবের সময় ছুই ছুই করছে, এমন সময়ে রিয়া জঙ্গলের ভেতরে ঐ ঘরে করেটা কি? নারায়নের সাথে আমি হাটছি, নারায়ন একটু পিছে পড়েছে, আমি আগে আগে হাটছি।

ঐ ভাঙা টিনের ঘরের কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ কে যেনো পেছন থেকে একটা রুমাল দিয়ে আমার নাক মুখ চেপে ধরলো, আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, শ্বাস নিতে পারছি না, চোখ খোলা রাখতে পারছি না, আবছা আবছা চোখ খুলে দেখছি দারোয়ান নারায়ন আমার নাক মুখ চেপে ধরেছে, আর পা দিয়ে একটা লাথি দিয়ে টিনের ঘরের দরজাটা খুলে ফেললো, আমাকে ধাক্কা দিয়ে ঐ ঘরের ভেতরে ছুড়ে ফেললো। টিনের ঘরটার ফ্লোর হলো মাটির। আমি ঠাস করে ঘরের ভেতরের অপর প্রান্তে মাটিতে ছুড়ে পড়লাম, আমি বেহুশ হয়ে যাচ্ছি, নিশ্চয়ই রুমালে অজ্ঞান করার মতো কিছু ছিলো, আমি চিৎকার করতে চাইছি, কিন্তু পারছি না, আমার কোনো শক্তি নেই, চিৎকার করলেও এতো দূর থেকে আমার আওয়াজ রিয়াদের বাড়ির ভেতরে যাবে না। আমি দেখছি নারায়ন ঘরে ঢুকেছে, ঘরের দরজা টা লাগাচ্ছে, দরজাটা ভাঙাচোরা একটা কাঠের হালকা দরজা। 

নারায়ন আমার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে, আমি তো পড়েই আছি মাটিতে, নড়াচড়া করতে পারছি না, নারায়ন এগিয়ে আসছে আর জানোয়ারের মতো হিংস্র মুখ করে বলছে "ছোটো মালিকিনের হুকুম তোরে খতম করতে হবে, কিন্তু আমি নারায়ন চিন্তা করলাম তোরে খতম করার আগে একটু প্রেম পিরিতী করে নেবো, আমি খুব মজা দিতে পারি পিরিতী করার সময়, এই কারনেই তো মালির বৌ দিওয়ানা হইয়া থাকে আমার পিরিতী সোহাগ পাওয়ার জন্য। আজ একটু তোরেও সোহাগ করবো,,,,, 

আমি আবছা চোখে দেখছি এই জানোয়ার গায়ের শার্ট প্যান্ট খুলতে খুলতে আমার দিকে এগিয়ে আসছে,,,,,,,,,,,,,,,,, 

✍️ #ইমি_চৌধুরী

       #Imi_Chowdhury

চলবে,,,,,,,,,,,

পর্ব ১১

https://www.facebook.com/share/p/96EsQfHzDGXBTwU8/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2434
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#রিয়ার_ভাই    পর্ব ১৩ (শেষ পর্ব)  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]  #ইমি_চৌধুরী   #Imi_Chowdhury দারোয়ান নারায়ণ এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি নড়তেও পারছি না, শরীরে কোনো শক্তি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]   পর্ব ১১ ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই পর্ব ১০ আমাদের কে দেখেই নারায়ন মালির বৌকে ছেড়ে গোসলখানা থেকে বের হয়ে দিলো একটা দৌড়। আমি আর রিয়া তো গোসল খানা দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই পর্ব ৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] ১৮+ 18+ রিয়ার কাছে এই পর্যন্ত সবি শুনলাম। মনে আছে তো আপনাদের বলেছিলাম যে রিয়ার সুদর্শন ভাইকে চা ঢেলে দিয়েছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই  পর্ব ৮  রিয়ার ভাই হুশ ফিরে চোখ খুলেই বলেছিলো "গুলফাম আমার গুলফাম।  এবার আসুন ঘটনা কি হয়েছিলো দেখি।  আপনারা তো জা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...