Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প: রিয়ার ভাই, পর্ব-৯

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
19 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#রিয়ার_ভাই

পর্ব ৯

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]

১৮+ 18+

রিয়ার কাছে এই পর্যন্ত সবি শুনলাম। মনে আছে তো আপনাদের বলেছিলাম যে রিয়ার সুদর্শন ভাইকে চা ঢেলে দিয়েছিলাম। খায় নি। আমার দিকে তাকায় নি। তারপরে রিয়ার ঘরে আসলাম আমি আর আমার মামাতো বোন রিয়ার ভাইয়ের কাহিনী শোনার জন্য। 

তো এতোখন সব শুনে, আমি আবার রিয়ার উপরে গোয়েন্দা গিরি শুরু করলাম। রিয়া বিরক্ত হয় অবশ্য। কিন্তু কি আর করা বলেন সেদিন যদি ঐ পরিবারের উপরে একটু গোয়েন্দা গিরি না করতাম, তাহলে আপনাদের এই কাহিনী কিভাবে জানাতাম,,,,,,,, 

তো আমি রিয়াকে জিগেস করলাম, সাপের কামড়ে তোর দাদা দাদী মারা গেলো, সাপুড়ে আর বন বিভাগের কর্মী এনেও যেহেতু ঘরে বা বাড়ির আশেপাশের কোথাও সাপ পাওয়া যায় নি, তোর বাবার তো উচিত ছিলো পুলিশ কে জানানো। পুলিশ যদি তদন্ত করতো, খুনী হয়তো বের হতো। 

রিয়া অবাক হয়ে বললো তুই এটা খুন ভাবছিস? 

আমি বললাম খুন ছাড়া আর কি? 

রিয়া আমাকে বললো তোর মাথাটা গেছে। খুন হবার কোনোই সম্ভাবনাই নেই। কারন এপার্টমেন্টের দরজা ভেতর থেকে লক করা ছিলো। নিচে মেইন গেটে আমাদের দুজন দারোয়ান থাকে। খুনি আসলে আমাদের ফ্লাটের দরজা খোলা থাকতো আর দারোয়ান দুজনের কেউ না কেউ তো দেখতো। 

এবার আমি বললাম তাহলে তো হিসাব আরো সহজ রিয়া। ঘরের মানুষ ই জড়িত। 

এবার রিয়া একরকম নাক মুখ চোখ খিচিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসলো, বললো তোর এতো বড় সাহস তুই আমাদের খুনী বলছিস? এজন্যই নিজেদের কথা কখনও বাহিরের মানুষ কে বলতে হয় না। তোকে আমাদের পরিবারের কথাটা বলাই আমার ভুল হয়েছে।

রিয়াকে শান্ত করার জন্য বললাম চল্ তোদের বাগান টা ঘুরে আসি। আপনাদের তো বলেছি রিয়াদের ডুপলেক্স আলিশান বাড়ি। নিচে বাগানের ভেতরের দিকে কতগুলো এক তালা রুম। উপরে টিন। ঘরগুলোতে থাকে বাগানের মালি, দারোয়ান, কাজের বুয়া। শুধু বুয়া ঘরের কাজ করার জন্য উপরে উঠতে পারে, আর কারো উপরে ওঠার অনুমতি নেই, কোনো কাজে ডাক পড়লে উপরে যেতে পারে পুরুষ কাজের লোকেরা। বুয়া আর বাগানের মালি স্বামী স্ত্রী। এরা মুসলিম। রিয়ার দাদার সময় থেকে আছে। দারোয়ান দুজন হিন্দু। রিয়ার মা দারোয়ানদের চাকরি দিয়েছে। খুবই বিশ্বস্ত সব কাজের লোকগুলো। আমি প্রথমে মালির ঘরে ঢুকলাম, মালির বৌ ঘরে নাই। হয়তো উপরে কাজে আছে। মালিকে বললাম বাগানে সাপ খোপ থাকে, আপনার মালিক মারা গেলো সাপের কামড়ে। আপনারাও সাবধানে থাকবেন। মালি কোনো কথা বললো না, পরে জানতে পারলাম লোকটা বোবা। 

গেলাম দারোয়ান দুজনের ঘরে। এদের একজনের নাম বিষ্ণু, অন্যজনের নাম নারায়ন। নারায়নের আজ দিনে ডিউটি, বিষ্ণুর রাতে। বিষ্ণু দুপুরে খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠেছে। খেয়ে আবার ঘুমাবে। যেনো সারা রাত ডিউটি করতে পারে। বিষ্ণু আর নারায়ণ দুজনেই মধ্যবয়সী। তবে লম্বা চওড়া শক্তিশালী। বড়লোকের দারোয়ান হতে হলে হয়তো পালোয়ান হতে হয়।

বিষ্ণু তার ঘরে আমাকে আর রিয়াকে দেখে একটু ভেবাচেকা খেলো। বলদের মতো হাসলো, রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললো দিদিমনি কষ্ট করে কেন আসলেন, আমাকে ডাকতেন। আমি বললাম যেদিন আপনাদের মালিক আর তার স্ত্রী সাপের কামড়ে মারা গেলো আপনি কি আশেপাশে কোনো সাপ দেখসিলেন? 

বিষ্ণু বললো অনেক বছর আগের ঘটনা গো দিদিমনি। 

আমি তো ঐ ঘটনার সময়ে এখানে ছিলাম না। ছোটো মালিকিন আমারে তার বাপের বাড়ি পাঠাইসিলো, গাছের আম, কাঠাল আর পুকুরের মাছ আনতে। ছোটো মালিকিন বলতে রিয়ার মাকে বুঝিয়েছে। রিয়ার দাদী ছিলো তাদের বড় মালিকিন। 

আপনাদের বলে রাখি রিয়ার নানা বাড়িও পুরান ঢাকাতেই, কিন্তু যেহেতু অনেক পুরান বাড়ি, তাদেরও অনেক গাছ গাছালি আছে, ফল ফুল হয়। বিশাল বড় দীঘির মতো পুকুর আছে। সেখানে তারা মাছ চাষ করে। 

আমি আবার তাকালাম বিষ্ণুর দিকে। বললাম আপনি ফিরেছেন কবে? বিষ্ণু নিচের দিকে তাকিয়ে বললো আমি নারায়ন দারে ফোন দিসিলাম, চইলা আসবো নাকি, এটা ছোটো মালিকিন রে জিগেস করার জন্য। নারায়ন দা বললো বড় মালিক আর মালিকিনরে গাড়িতে উঠাইতেসে, তাগোরে সাপে কামড়াইসে, এখন নারায়ন দা অনেক ব্যস্ত, কথা বলতে পারবে না, এই কইয়া ফোন কাইটা দিসে। আমি ফিরসি তার পরের দিন। 

এবার আমি রিয়ার দিকে তাকালাম, বললাম হাসপাতালে নেয়ার আগে তো তোরা কেউ বুঝিস নাই যে সাপে কামড়াইসে, তাহলে নারায়ন হাসপাতালে নেয়ার আগেই গাড়িতে উঠানোর সময়ে বিষ্ণু রে মোবাইলে কিভাবে বললো যে সাপে কামড়াইসে? নারায়ন আগে কিভাবে জানতো?? এবার আমি রিয়ার চোখে মুখে স্পষ্ট একটা ভয় দেখতে পেলাম। হয়তো রিয়া নিজেও এখন বুঝতে পেরেছে ডালমে কুছ কালা হে। কিন্তু আমি রিয়াকে বললাম তোরা বাড়ির কেউ কাজের লোকগুলোরে কিছু জিগেস করিস নাই কেনো আগে। একটা বাড়ির ভালো মন্দ সব খবর থাকে কাজের লোকের পেটে। রিয়া বললো আমরা ভাই বোনেরা কাজের লোকদের সাথে বেশি একটা কথা বলি না। আব্বা আর চাচা কিছু জিগেস করেছে কিনা জানি না। তবে বাড়িতে সাপ আছে কিনা এটা দেখার জন্য সাপুড়ে আর বন বিভাগের কর্মী যে সেইদিন আনা হয়েছিলো, সাপুড়ে নিয়া এসেছিলো নারায়ন আর বন বিভাগের কর্মীকে চাচায় ফোন দিয়া আনে। আমি বললাম চল্ তো এবার নারায়নের কাছে যাই। বাগানের ভেতর থেকে আমি আর রিয়া বের হলাম। যাবো সামনের মেইন গেটে দারোয়ান নারায়নের সাথে কথা বলতে। গিয়ে দেখি দারোয়ান মেইন গেইটে নাই। আমি রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম কিরে তোদের বিশ্বস্ত দারোয়ান তো মস্ত ফাকিবাজ, ডিউটি রাইখা কৈ গেছে? রিয়া বললো হয়তো বাথরুমের দিকে গেছে, আমি বললাম চল ঐ দিকে। রিয়া নাক মুখ কুচকে বললো আরে ধ্যাৎ ঐদিকে নর্দমা, কাজের লোকদের টয়লেট, গোসল খানা, ঐ দিকে আমরা যাই না ঘৃনা করে। আমি রিয়ার হাত টেনে বললাম আরে চল্ তো। 

আমরা মেইন গেট থেকে ফেরত এসে বাগানের অপর পাশে যাচ্ছি, সেই দিকেও ছোটো খাটো গাছ পালা, ঝোপ ঝাড়। তার ভেতরে একটু দূরে দেখা যাচ্ছে কাজের লোকদের টয়লেট আর গোসলখানা। আমরা যেতে যেতে 

তাদের গোসল খানার সামনে আসলাম, গোসলখানার দরজা আধা খোলা হয়ে আছে, তার সামনে যেতেই রিয়া আর আমি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম আর একটা অপ্রত্যাশিত নোংরা বিষয় দেখে ধাক্কা খেলাম। 

দেখলাম ভেজা শরীর অর্ধ নগ্ন অবস্থায় মালির বৌ আর ডিউটি রত পোশাকে দারোয়ান নারায়ন, দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে রঙ্গলীলা করছে। 

চিন্তা করেন কী অবস্থা ,,,, বুয়া হইলো মালির বৌ, কিন্তু মধু খাওয়াচ্ছে দারোয়ান কে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, 

✍️ #ইমি_চৌধুরী

      #Imi_Chowdhury

চলবে,,,,,,,, 

পর্ব ৮ 

https://www.facebook.com/share/p/mrktpaKLz8cEZ1dY/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2431
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#রিয়ার_ভাই    পর্ব ১৩ (শেষ পর্ব)  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]  #ইমি_চৌধুরী   #Imi_Chowdhury দারোয়ান নারায়ণ এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি নড়তেও পারছি না, শরীরে কোনো শক্তি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] পর্ব ১২   #ইমি_চৌধুরী  #Imi_Chowdhury আমি আর আমার মামাতো বোন চলে আসলাম আমার মামার বাসায়। ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যার পর হলো। রাতে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]   পর্ব ১১ ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই পর্ব ১০ আমাদের কে দেখেই নারায়ন মালির বৌকে ছেড়ে গোসলখানা থেকে বের হয়ে দিলো একটা দৌড়। আমি আর রিয়া তো গোসল খানা দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই  পর্ব ৮  রিয়ার ভাই হুশ ফিরে চোখ খুলেই বলেছিলো "গুলফাম আমার গুলফাম।  এবার আসুন ঘটনা কি হয়েছিলো দেখি।  আপনারা তো জা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...