Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প : রিয়ার ভাই, পর্ব-২

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
21 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 30 ডিসেম্বর 2025 পূনঃতকমাযুক্ত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#রিয়ার_ভাই

পর্ব ২

[লেখকের অনুমতি নিয়ে আপলোড করা হচ্ছে  ]

(রিয়ার ভাইয়ের চেহারা বিশ্রি হবার প্রথম দিকের জীবন কাহিনী) 

রিয়ার ভাইয়ের যখন ১৭ বছর বয়স, তখন তার এক হিন্দু বন্ধু + প্রতিবেশীর মা মারা যায়। রিয়ার ভাইয়ের বন্ধুর নাম আমি ভুলে গেছি। লিখার সুবিধার্থে একটা নাম দিলাম ধরুন উত্তম। 

কেটে গেলো কিছুদিন। একদিন মা হারানো পাগল প্রায় উত্তম এলো রিয়ার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে রিয়াদের বাসায়। বলাই বাহুল্য উত্তম কে দেখে অসুস্থ ই মনে হয়। রিয়ার ভাই উত্তম কে নিয়ে বাড়ির ছাদে গেলো নিরিবিলি কথা বলার জন্য। উত্তম প্রথম যেই কথাটা বললো তা হলো ছোটোবেলা থেকে আমরা জানের দোস্ত। এবার তোর পরীক্ষা দেয়ার সময়। রিয়ার ভাই অবাক হয়ে বললো এগুলো কি ধরনের কথা? কিসের পরীক্ষা দিবো আমি? উত্তম বললো আমি ইন্ডিয়ার একটা বড় তান্ত্রিকের খোজ পেয়েছি, আমার মাকে পূনর্জন্ম করে দিতে পারবে, নয়তো আমার মায়ের আত্মাই আমার কাছে এনে দিবে সব সময়ের জন্য। আমি ঐ তান্ত্রিকের কাছে যাবো। কিছু টাকা খরচ হবে ঐটা কোনো বেপার না, তুই শুধু আমার সাথে যাবি। রিয়ার ভাই চমকে উঠে বললো তুই পাগল হয়েছিস, তোকে সাইক্রিয়াটিস্টের কাছে নিতে হবে, তান্ত্রিকের কাছে না। এগুলো কুসংস্কার। মানুষের মৃত্যুর পরে তার পুনর্জন্ম হয় না এবং তার আত্মাও আনা যায় না। রিয়ার ভাই কিছুতেই রাজী হলো না উত্তমের কথায়। এভাবে কেটে গেলো কিছুদিন। রিয়ার ভাই পরিবারের সবাইকে বিষয়টা জানালো। রিয়ার বাবা খুব শক্ত করে বলে দিলো ছেলেকে তুই উত্তম থেকে দূরে থাকবি। এসব তান্ত্রিকের ঝামেলায় জড়াবি না। কিন্তু রিয়ার মা যেনো পরম বন্ধু রিয়ার ভাইয়ের। সে রিয়ার ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে বললো, আহা যাক না উত্তমের সাথে। সেই সুযোগে উত্তমের খরচে ভারত ভ্রমন ও হয়ে যাবে। 

(আপনারা এখানে রিয়ার ভাইয়ের প্রতি রিয়ার বাবা মায়ের আচরন টা মনে রাখবেন) 

অবশেষে প্রায় এক বছর পরে পরিবারের পারমিশন নিয়েই রিয়ার ভাই আর উত্তম রওনা হয় ভারতে। সাথে উত্তমের মামা ও ছিলো একজন গাইড হিসেবে। 

ভারত থেকে তাদের ভাষ্যমতে তারা তন্ত্র বিদ্যা বা তন্ত্র সাধনা করে এসেছে। ভারতীয় তান্ত্রিক বাংলাদেশী একজন হিন্দু তান্ত্রিকের ঠিকানা দিয়েছে যে থাকে চট্রগ্রাম পাহাড়ী এলাকায়। 

কেটে যায় দিন। রিয়ার ভাইয়ের আচরনে পরিবর্তন। খাওয়া দাওয়ায় পরিবর্তন, সেই সাথে চেহারা ভেঙে নষ্ট হতে শুরু করলো। অনেক রাত অব্দি বাড়ির ছাদে একা একা থাকতে শুরু করলো। ভারতে থেকে আসার পর থেকে নামাজ পড়া একেবারেই ছেড়ে দিয়েছে। গোসল করে না ঠিকমতো। একি জামা কাপড় পড়ে থাকে মাসকে মাস। কি এক্টা নোংরা অবস্থা। 

একদিন রাতে বাসার সবাই ঘুমায়। রিয়া মাঝরাতে উঠেছে পানি খাবে। ডাইনিং রুমে গিয়ে দেখে রিয়ার ভাইয়ের রুমের দরজা হাল্কা ফাকা, সেখান থেকে গোঙানির মতো আওয়াজ আসছে। রিয়া ভাবলো ওর ভাই হয়তো ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে এমন করছে। রিয়া ঠান্ডা পানি মিক্সড করে খাওয়ার জন্য ফ্রিজের কাছে গিয়ে দেখে ফ্রিজের নিচে ফোটা ফোটা র****ক্ত, র****ক্তের চিহ্ন গিয়েছে ভাইয়ের ঘর পর্যন্ত, একে তো ভাইয়ের ঘর থেকে বিশ্রি গোঙানির শব্দ আসছে আবার এই র****ক্ত, রিয়ার মনে হলো সামথিং ইজ রং। রিয়া দৌড়ে দরজা ঠেলে ওর ভাইয়ের ঘরে ঢুকলো। 

রিয়া আৎকে উঠলো। ঘরে ডিম লাইটের আধো আলো ছায়ায় ও যেনো দেখলো ভাইয়ের চোখ দুইটা জলছে আর ভাই কি যেনো কামড়ে কামড়ে খাচ্ছে। রিয়া সাথে সাথে লাইট অন করে দেখলো ওর ভাই পলিথিন থেকে নিয়ে নিয়ে কাচা মাংস খাচ্ছে, রিয়া একটা বিকট চিৎকার দিলো। 

রিয়ার চিৎকারে বাড়ির বাকি সদস্যরাও উঠে পড়েছে, রিয়ার ছোটো দুই ভাই, রিয়ার চাচা, বাবা মা। 

(ভাইয়ের চোখ দুইটা যে জলতে দেখেছে, এটা রিয়া বলেছে, জোরালোভাবেই বলেছে। 

আমি বিশ্বাস করি নি। তবে আপনারা বিশ্বাস করবেন কি করবেন না, তা আপনাদের বিষয়) 

✍️ #ইমি_চৌধুরী

     #Imi_Chowdhury

চলবে,,,,,, 

পর্ব ১ 

https://www.facebook.com/share/p/XaiK4X2TuoTHL719/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2424
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#রিয়ার_ভাই     পর্ব ৩ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে  ]     রিয়ার ভাই জাতে মাতাল, তালে ঠিকাছে। সেদিনের পর থেকে রাতে আর নিজের রুমের দরজা খোলা রাখতো না। দরজা ভেতর �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[লেখকের অনুমতি নিয়ে গল্পটা এখানে আপলোড করা হচ্ছে  / মূল গল্পের লিংক নিচে পেয়ে যাবেন ] #রিয়ার_ভাই পর্ব ১  রিয়াদের বাড়ি পুরান ঢাকার একটি এলাকায়। এলাকার বাড়িগুলোও আগের আমলের।  রিয়ার ভাইক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই    পর্ব ১৩ (শেষ পর্ব)  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]  #ইমি_চৌধুরী   #Imi_Chowdhury দারোয়ান নারায়ণ এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি নড়তেও পারছি না, শরীরে কোনো শক্তি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] পর্ব ১২   #ইমি_চৌধুরী  #Imi_Chowdhury আমি আর আমার মামাতো বোন চলে আসলাম আমার মামার বাসায়। ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যার পর হলো। রাতে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]   পর্ব ১১ ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...