[লেখকের অনুমতি নিয়ে গল্পটা এখানে আপলোড করা হচ্ছে / মূল গল্পের লিংক নিচে পেয়ে যাবেন ]
#রিয়ার_ভাই
পর্ব ১
রিয়াদের বাড়ি পুরান ঢাকার একটি এলাকায়। এলাকার বাড়িগুলোও আগের আমলের।
রিয়ার ভাইকে আমি দুইবার দেখেছি। সে আমাকে দেখে নি। কারন আমি পর্দায় ছিলাম। প্রথম যেদিন রিয়ার ভাইকে দেখি, বিশ্বাস করেন আমার বমি চলে এসেছিলো তার শরীর থেকে আসা বিশ্রি গন্ধে। আমি রিয়াদের ড্রয়িং রুমে বসে চা খাচ্ছিলাম, আর রিয়ার ভাই একশো হাত দূরে বসে টিভি দেখছিলো, তবুও আমি তার শরীর থেকে র***ক্ত পচা বিশ্রি বিকট গন্ধ পাচ্ছিলাম। দানবের মতো লম্বা একটা লোক। ফর্সা রঙের শরীর যেনো অযত্নে অবহেলায় গাড় বাদামী রঙ ধারন করেছে। চোখগুলো কোটরে, ডার্ক সার্কেল। দেখে মনে হয় ঘুম কি জিনিস তা বোধহয় এই লোক জানে না। প্রথম কেউ দেখলে মনে করবে লোকটা ড্রাগ এডিক্ট, কিন্তু আসলে তা নয়। আমার এতো মায়া লাগলো যে আপনাদের বলে বোঝাতে পারবো না। বান্ধবীর ভাই না হয়ে যদি আমার আপন মায়ের পেটের ভাই হতো, আমি জোর করে বাথরুমে ঢুকাতাম গোসল করার জন্য। জোর করে বলতাম ঘুমানোর জন্য।
এই একি মানুষকে আমি আবার দুই বছর পরে দেখি টোটালি পরিবর্তন। আমি অবাক হয়ে গেলাম। মানুষটার রুপ সৌন্দর্য যে কোনো নারীকে মুগ্ধ করার মতো। যেমন ফর্সা, তেমন লম্বা, শরীর থেকে যেনো অন্য ভুবনের কোনো ঘ্রানে সারা টা ড্রয়িং রুম মোহিত। আমি আর আমার মামাতো বোন রিয়াদের ড্রয়িং রুমে রিয়ার সাথে কথা বলছি। রিয়ার ভাই অন্য দিকে বসে টিভি দেখছে, আমাদের দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না। আমি বেহায়ার মতো এক কাপ চা ঢেলে রিয়ার ভাইয়ের সামনে গিয়ে বলি, ভাইয়া নিন চা খান। সে আমার দিকে একবার ও তাকায় নি। নিচে চোখ রেখে বলছে, আমি আগে চা খেতাম, এখন খাই না। এ যেনো রপকথার ডালিমকুমার। রুপ বেয়ে পড়ছে।
এই পরিবর্তনের কারন রিয়ার কাছে জানতে চেয়েছি। রিয়া নিয়ে গেলো আমাদের ওর রুমে। তারপরে শুরু করলো বলা ওর ভাইয়ের গল্প।
আমি ধৈর্য্য সহকারে লিখছি, আপনারা ধৈর্য্য সহকারে শুনুন, পড়ুন,,,,,,,,,,
✍️ #ইমি_চৌধুরী
#Imi_Chowdhury
চলবে,,,,,,,,,,,
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।