Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প : রিয়ার ভাই, পর্ব-৮

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
22 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]

#রিয়ার_ভাই

 পর্ব ৮ 

রিয়ার ভাই হুশ ফিরে চোখ খুলেই বলেছিলো "গুলফাম আমার গুলফাম। 

এবার আসুন ঘটনা কি হয়েছিলো দেখি। 

আপনারা তো জানেন রিয়ার ভাইয়ের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। আইসিউতে কোমায় ছিলো। রিয়ার বাবা পাগল প্রায় হয়ে যায় ছেলের জন্য। তিনি এলাকার মসজিদে গিয়ে সেজদাহ্ দিয়ে কান্নাকাটি করলেন দুই দিন। মসজিদের ইমাম সব শুনে একজন রুকিয়াহ কারী হুজুরের ঠিকানা দিলেন। 

হুজুরের বাড়ী নদীর ওপারে। খুবই নাম ডাক এই হুজুরের তার এলাকায়। হুজুর পাকিস্তানি। বয়স প্রায় আশির উপরে। হুজুরের গায়ের রঙ ধবধবে সাদা। চুল ও সাদা। এ যেনো অন্য এক নূরানী চেহারা। অসাধারণ। 

১৯৬০ সালে তিনি এই বাংলা ভূখণ্ডে এসেছিলেন পাকিস্থানী মালিকানাধীন একটি স্কুলের আরবী শিক্ষক হয়ে। নিশ্চয়ই জানেন তখন বাংলাদেশ ছিলো পাকিস্তানের একটি স্টেট। ১৯৭১ এর পরে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ আলাদা হবার পরে যখন রক্ষিবাহিনী গঠিত হয় বাংলাদেশে, তখন এই হুজুর এবং তার পরিবারের উপরে অনেক অত্যাচার করা হয়, রক্ষিবাহিনীর কাছে নিরীহ হুজুরের দোষ ছিলো একটাই, তিনি উর্দু ভাষী এবং পাকিস্তানী। 

হুজুরের মূল বাড়ি ছিলো যাত্রাবাড়ী, রক্ষিবাহিনীর অত্যাচারে হুজুর যাত্রাবাড়ী ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ১৯৭১ এ যুদ্ধের সময়ে তিনি চাইলে বাংলাদেশ থেকে নিজ ভূমি পাকিস্তানে চলে যেতে পারতেন, কিন্তু ঐ স্কুল ছেড়ে তিনি যান নি। অন্য কোনো সময় আপনাদের এই হুজুরের জীবন কাহিনী না হয় বলবো। 

আইসিউ রুমের বাহিরে দাড়িয়ে ছিলো রিয়ার মা, রিয়া, রিয়ার এক ফুফু, রিয়ার ভাইয়ের আপন খালা, রিয়ার চাচা আরো আত্মীয় কয়েকজন যারা এই পুরান ঢাকার ই বাসিন্দা। 

রিয়ার বাবা বয়বৃদ্ধ হুজুরকে নিয়ে এলেন হাসপাতালে রিয়ার ভাইয়ের কাছে। হুজুর তো বৃদ্ধ মানুষ। হুজুরের সাথে তার একজন বিহারী খাদেম ছিলো। 

হুজুর আইসিউ রুমে ঢোকার আগে বাহিরে দাড়ানো সবার দিকে একবার তাকালেন। প্রায় এক মিনিটের মতো দাড়িয়ে হুজুর এক এক করে সবাইকে দেখেছিলেন। তারপরে ভেতরে ঢুকেই রিয়ার ভাইয়ের মাথায় আর বুকে হাত রাখলেন। রিয়ার ভাইয়ের হাত ধরে হুজুর চোখ বন্ধ করে দাড়িয়ে ছিলেন কিছুক্ষন। তারপরে তিনি রিয়ার বাবাকে বললেন তাকে রিয়াদের বাড়িতে নিতে। তিনি বাড়িতে এসে সব ঘরে ঢুকলেন, ছাদে গেলেন, তারপরে রিয়ার বাবাকে বললেন আপনার ছেলে জাদুগ্ৰস্থ। শুধু আপনার ছেলেই না, আপনার ভাই, এমনকি আপনার উপরেও জাদু করা হয়েছে। জাদু এমনভাবে করা হয়েছে যেনো আপনার হাতেই আপনার ছেলে আর ভাইয়ের মৃত্যু হয়। রিয়ার বাবা শুনে হতবিহ্বল হয়ে পড়লেন। বললেন কে করেছে হুজুর? হুজুর বললেন এটা আমরা বলি না কখনও। কারন সঠিক তথ্য জানাটা খুবই কঠিন। 

জাদুর পেছনে লেলিয়ে দেয়া শয়তান কখনও কখনও দোষীকে বাচাতে নির্দোষের নাম নেয়। তবে আপনি নিজেই অনুমান করুন। কে করতে পারে আপনাদের ক্ষতি। হুজুর রিয়ার বাবার কাধে হাত রাখলেন, বললেন আপনারা তো নবাবের বংশধর। আপনাদের ধন সম্পত্তি তো কম না। ঝামেলা আছে কারো সাথে মনে করার চেষ্টা করুন। রিয়ার বাবা বললো আমার আব্বা বেচে থাকতেই ওয়াসিওত করেছিলেন। আব্বার অবর্তমানে সবকিছু সমান দুই ভাই পাবো সেভাবে ওসিওত তৈরি করেছেন। আব্বার সাথে আমার বাকি চাচাদের সাথে সম্পদ নিয়ে কোনো দন্দ্ব নাই। আত্মীয় স্বজন কারো সাথে আমাদের কোনো দন্দ্ব নেই। 

হুজুর রিয়ার বাবাকে কিছু রিচুয়াল দিলেন, বাড়ি বন্ধ করলেন। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন বাড়ি বন্ধ করা কি বিষয়। বাড়ি বন্ধ করা হলো কোরানের আয়াত সমূহের মাধ্যমে বাড়ীর চতুর্দিকে একটা অদৃশ্য সেফটি করে দেয়া যেনো এই বাড়িতে আর জীন শয়তানের উপদ্রব না থাকে। জাদু টোনা যেনো নষ্ট হয়ে যায়। হুজুর রিয়ার বাবাকে বললেন ছেলের সেবা করার জন্য সর্বদা একজন মাহরাম নারীকে রাখবে। তবে সেই মাহরাম নারী র****ক্তের সম্পর্কের হতে হবে। খবরদার যতোদিন ছেলে অসুস্থ থাকবে র****ক্তের সম্পর্ক ছাড়া কোনো মাহরাম নারী যেনো তার কাছে না যায়। 

রিয়ার বাবা রিয়ার ভাইয়ের আপন খালাকে রাখলেন ছেলের কাছে। রিয়ার বাবা ভেবেচিন্তে দেখলেন রিয়ার ভাইয়ের মা অর্থাৎ রিয়ার বাবার প্রথম স্ত্রী বাপের বাড়ি থেকে কোনো সম্পত্তি নেন নি। অতএব তার বোনেরা কোনো হিংসা বিদ্বেষ ছাড়াই রিয়ার ভাইকে ভালোবাসে। তাছাড়া রিয়ার ভাই মা মরা একমাত্র ভাগ্নে তাদের। অনেক আদরের ছিলো ছেলেটা তাদের কাছে। 

এবার খেয়াল করুন। রিয়ার মা রিয়ার ভাইয়ের সৎ মা। সৎ মা অবশ্যই মাহরাম। কিন্তু র****ক্তের সম্পর্কের নয়। রিয়ার মাকে কিছুতেই ঘরে রাখা যায় না। সে হাসপাতালে রিয়ার ভাইয়ের কাছে যাবেই। তার একটাই কথা আমার বড় ছেলে হাসপাতালে, আমি ঘরে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবো না। প্রতিদিন একবার আমি ছেলেকে দেখতে যাবোই। রিয়ার বাবা রিয়ার মাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে তোমার সাথে তো ছেলের র****ক্তের সম্পর্ক নাই। এখন ছেলের তদবীর চলছে। তোমার হাতের তৈরি কিছু সে খেতে পারবে না। রিয়ার মা বললো আমি খাবার তৈরি করে খাওয়াবো না। শুধু প্রতিদিন একবার দেখতে যাবো, নয়তো শান্তি পাবো না। 

আপনাদের আরেকটি বিষয় জানিয়ে দেই। রিয়ার ভাইকে নাকে পাইপ দিয়ে খাবার দেয়া হতো। তার তো সেন্স ছিলো না। মুখ দিয়ে খেতে পারতো না। 

রিয়ার মা প্রতিদিন পূজা দিতেন রিয়ার ভাইয়ের নামে। পূজার ফুল নিয়ে প্রতিদিন একবার ছেলের কাছে যেতেন। প্রতিদিন একটি করে ফুল বেহুশ ছেলের কপালে ছোয়াতেন। তারপর ফুলটা ছেলের মাথার কাছে রেখে আসতেন। রিয়ার ভাইয়ের খালা দেখতেন সবকিছু। খালা প্রতিদিন নামাজ পড়ে ভাগ্নে কে ফু দিতেন। আর মা পূজা দিতেন। হয়তো সবার দোয়া এবং আশির্বাদে আল্লাহর রহমত হয়েছে এবং নয়মাস পর ছেলের জ্ঞান ফিরেছে। 

এবং চোখ খুলেই প্রথম কথা বলেছে "গুলফাম আমার গুলফাম, গুলফামকে আমার কাছে নিয়ে আসো"। 

সেন্স ফিরে আসায় সবাই আনন্দিত। সবাই রিয়ার ভাইয়ের সামনে আসলো, রিয়া, রিয়ার চাচা, রিয়ার বাবা মা, ছোটো দুই ভাই। 

রিয়ার ভাইয়ের খালা জিগেস করলো গুলফাম কে বাবা, কোথা থেকে নিয়ে আসবো? 

রিয়ার ভাই বললো পানি খাবো, তাকে পানি দেয়া হলো। সে পানির গ্লাসের দিকে তাকিয়ে বললো গুলফাম আমার স্ত্রী।

সবাই কিছুটা অবাক হলো। রিয়ার বাবা ছেলের কাছে এসে বললেন, বাবা তুই বিশ্রাম নে। আমরা পরে এই বেপারে আলাপ করবো। 

কিন্তু রিয়ার ভাই আবার বললো আমি বেচে থাকি না মরে যাই, তার কোনো ঠিক নাই। তোমরা শুনে রাখো, গুলফাম আমার স্ত্রী। সে একজন শাহজাদী। তার বাবা জীন রাজ্য কোহেকাফের রাজা।

রিয়ার কাছে এই পর্যন্ত শুনে, না চাইতেও আমার একটু খটকা লাগলো। খটকা লাগার কারন হলো বাংলাদেশে জীনদের দেশ বা রাজধানী হিসেবে কোহেকাফ নামটির প্রচলন রয়েছে। কিন্তু আদৌ সেখানে জীন থাকে কিনা এমন কিছু কোরান বা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কোরআনে জীনের কোনো আলাদা দেশ উল্লেখ করা হয় নি। জীন দুনিয়ার সর্বত্র ই বিরাজমান। আর ইবলিশ খারাপ জীনদের সর্দার। 

✍️ #ইমি_চৌধুরী

     #Imi_Chowdhury

চলবে,,,,,,,,,,,,, 

পর্ব ৭

https://www.facebook.com/share/p/rxKZpaUtffzkG98P/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2430
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#রিয়ার_ভাই    পর্ব ১৩ (শেষ পর্ব)  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]  #ইমি_চৌধুরী   #Imi_Chowdhury দারোয়ান নারায়ণ এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি নড়তেও পারছি না, শরীরে কোনো শক্তি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] পর্ব ১২   #ইমি_চৌধুরী  #Imi_Chowdhury আমি আর আমার মামাতো বোন চলে আসলাম আমার মামার বাসায়। ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যার পর হলো। রাতে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]   পর্ব ১১ ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই পর্ব ১০ আমাদের কে দেখেই নারায়ন মালির বৌকে ছেড়ে গোসলখানা থেকে বের হয়ে দিলো একটা দৌড়। আমি আর রিয়া তো গোসল খানা দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই পর্ব ৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] ১৮+ 18+ রিয়ার কাছে এই পর্যন্ত সবি শুনলাম। মনে আছে তো আপনাদের বলেছিলাম যে রিয়ার সুদর্শন ভাইকে চা ঢেলে দিয়েছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...