Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প: রিয়ার ভাই, পর্ব-৫

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
20 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#রিয়ার_ভাই

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]

পর্ব ৫

(রিয়ার চাচার অতীত) 

রিয়ার চাচার আর দাদা দাদীর কাহিনী জানার পরে আপনারা বুঝতে পারবেন যে এই পরিবারে ঘটেছে একটার পর একটা দূর্ঘটনা। 

আমি যতোদূর দেখেছি পুরান ঢাকাইয়া কুট্টি যারা, বিশেষ করে বনেদী রক্ষনশীল মুসলিম পরিবার যদি হয়, এইসব পরিবারের ছেলেদের এবং মেয়েদের দ্রুত বিয়ে করানো হয়, হারাম সম্পর্ক থেকে হেফাজতে থাকার জন্য এবং দ্রুত বংশের প্রদীপ দেখার জন্য। এরা সন্তানদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ার করার নামে আধা বুড়া হলে বিয়ের বিপক্ষে। বরং দ্রত বিয়ের পক্ষে। 

যদিও এখন চিত্র ভিন্ন ও হতে পারে। তবে মেক্সিমাম পরিবার একি রকম। 

তখন রিয়ার দাদা দাদী জীবিত ছিলো। 

তো রিয়ার চাচার যখন ১৭ বছর বয়স, তখন তাকে প্রথম বিয়ে করানো হয়। পাত্রীর বয়স ছিলো ১৫। দুজনেই সুন্দর এবং দুজনকেই দারুন মানিয়েছে। কিন্তু বিয়ের এক বছর পরে দূর্ভাগ্যবশত কোনো এক অমাবস্যার রাতে রিয়ার চাচা নিজেদের ডুপ্লেক্স বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। সেদিন ই দুপুরে বাড়ির সবাই জানতে পেরেছিলো যে রিয়ার চাচী প্রেগন্যান্ট। সুতরাং বাড়ির সবাই খুব আনন্দিত ছিলো। রিয়ার চাচাও খুব খুশি ছিলো। আত্মহত্যা করতে চাওয়ার কোনো কারন ই ছিলো না। 

রিয়ার চাচা গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে কোমায় থাকে ছয় মাস। ছয় মাসের ভেতরে আরেকটা দূর্ঘটনা ঘটে, রিয়ার চাচীর পেটের বাচ্চাটা নষ্ট হয়ে যায়। 

রিয়ার চাচার জ্ঞান ফেরার পরে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় কেনো সে আত্মহত্যা করতে চেয়েছে? রিয়ার চাচা বলেছিলো "আমি কিছুই জানি না। কেনো লাফ দিলাম, আমার মোটেও মরনের ইচ্ছা নেই, আমি ছাদে এমনি হাটতে গিয়েছিলাম, হঠাৎ কি মনে করে আমি লাফ দিয়েছি জানি না"

এই দূর্ঘটনায় তার শরীরের বাম সাইড পেরালাইসিস হয়ে যায়। এই পেরালাইসিস অবস্থার এক বছরের মাথায় রিয়ার চাচী নিজের আপন খালাতো ভাইয়ের সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। ঘন ঘন বাপের বাড়ী যেতো। চাচীর মা ছিলো মেয়ের এই পরকিয়া প্রেমের সাপোর্টে। একটা পর্যায়ে রিয়ার চাচীর বাড়ি থেকে তালাক নোটিশ আসে। প্রায় দুই বছর লেগেছে রিয়ার চাচার সুস্থ হতে। সাধারণত পেরালাইসিস রুগীর সুস্থ হতে অনেক সময় লাগে। রিয়ার দাদা দাদী ছেলের চিকিৎসার জন্য পানির মতো টাকা ঢেলেছে। কোনো কমতি রাখে নাই চিকিৎসায়। 

রিয়ার চাচা সুস্থ হবার এক বছরের মাথায় আকস্মিকভাবে রিয়ার দাদা দাদী মারা যায় সাপের কামড়ে। 

কি অবাক হলেন? 

হ্যা আমিও যখন রিয়ার মুখে ঘটনা শুনছিলাম, আমিও অবাক হয়েছিলাম। কোনো এক সকালবেলা রিয়ার দাদা দাদীর রুমে গিয়ে দেখা যায় দুজনের ই সারা শরীর হালকা নীল হয়ে আছে, মুখ দিয়ে ফেনা বেরোচ্ছে। চোখ আধখোলা। বাড়ির সবাই কেউ ই কিন্ত তখন বোঝে নি যে সাপে কামড়েছে। বাড়ির সবাই দুজনকে পানির ছিটা দিয়ে শরীর ঝাকিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করাতে কিছুটা সময় নষ্ট হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পরে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেছে। ডাক্তাররাও প্রথমে বোঝেনি যে সাপে কামড়েছে। অনেক পরে দুজনের কাপড়ের ভেতরে পায়ে দাগ দেখে বোঝা যায় সাপের কামড়। সাপ কিভাবে বাড়িতে ঢুকেছে, এটা একটা রহস্য। রিয়ার বাবা বন বিভাগের লোক এবং সাপুড়ে উভয়কে ডেকে সারা বাড়ীর ভেতরে তন্ন তন্ন করে খুজেও সাপ পায় নি। অন্তত সাপুড়েরা এমন কিছু করে, যার জন্য ঘরের কোথাও সাপ লুকিয়ে থাকলে তা বেরিয়ে আসে। সিনেমার মতো দৃশ্য না হলেও সাপুড়ে এবং সাপের মধ্যে কিছু রিচুয়াল আছে যা আমরা বুঝবো না। কিন্তু কোথাও কোনো সাপ ছিলো না। রিয়ার বাবার রিকোয়েস্টে বন বিভাগের কর্মী বাড়ির বাহিরে চতুর্দিকে কার্বলিক এসিড দিয়ে দেয়। 

প্রায় ১৮ বছর পরে আবার রিয়ার চাচার বিয়ে ঠিক হলো। কিন্তু রিয়ার ভাইয়ের কথা শোনার পর থেকে রিয়ার চাচার মনটা খারাপ। এটা স্বাভাবিক। সে তার হবু স্ত্রীর এলাকায় একটু খোজ খবর নেয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পাত্রীর সম্পর্কে নেগেটিভ কিছুই জানা যায় নি। অতঃপর একদিন শুক্রবার ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের দিন ধার্য হলো,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, 

✍️ #ইমি_চৌধুরী

      #Imi_Chowdhury

চলবে,,,,,,,,, 

পর্ব ৪

https://www.facebook.com/share/p/Qqkq5Nhihq5FQQ3d/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2427
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#রিয়ার_ভাই    পর্ব ১৩ (শেষ পর্ব)  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]  #ইমি_চৌধুরী   #Imi_Chowdhury দারোয়ান নারায়ণ এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি নড়তেও পারছি না, শরীরে কোনো শক্তি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] পর্ব ১২   #ইমি_চৌধুরী  #Imi_Chowdhury আমি আর আমার মামাতো বোন চলে আসলাম আমার মামার বাসায়। ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যার পর হলো। রাতে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ]   পর্ব ১১ ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] #রিয়ার_ভাই পর্ব ১০ আমাদের কে দেখেই নারায়ন মালির বৌকে ছেড়ে গোসলখানা থেকে বের হয়ে দিলো একটা দৌড়। আমি আর রিয়া তো গোসল খানা দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#রিয়ার_ভাই পর্ব ৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে এই লেখাটা ই- নলেজ আইডিয়াতে আপলোড করা হচ্ছে ] ১৮+ 18+ রিয়ার কাছে এই পর্যন্ত সবি শুনলাম। মনে আছে তো আপনাদের বলেছিলাম যে রিয়ার সুদর্শন ভাইকে চা ঢেলে দিয়েছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...