#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_Muslim
সিরিজ পর্ব-১১৩
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
এদের সাথে করব তর্ক? যারা দলীল কি? কিভাবে গ্রহণ করতে হয়, কোনগুলো দলীল আর কোনগুলো দলীল না তাই জানে না। এসব বেদআতিদের সাথে কথা বলাটাও এক ধরনের মূর্খামি। এই ভাই ভালো রকম কপি পেস্ট করে। কখনো কোনো কিছু যাছাই করে নাকি সন্দেহ ! । তার রেফারেন্স এর মধ্যে একটা রেফারেন্স উল্লেখ করে। তার কপি পেস্ট লেখাতে আছে যে " ইবনে কাছীর নাকি তার বই এতে ২৭ তারিখ এর কথা উল্লেখ করছে " মানে ইবনে কাছীর ২৭ রজব এর সার্পোটার। যাইহোক এখন এই ভাইয়ের কপি পেস্ট লেখার ছোট একটা পোস্ট মর্টেম করব ইনশাআল্লাহ ।
তার কপি পেস্ট লেঝাতে উক্ত কথার রেফারেন্স উল্লেখ করা হয়, আল বিদয়া ওয়ান নিহায়া -৩/১০৯
মজার ব্যাপার আল বিদয়া ওয়ান নিহায়া তৃতীয় খন্ডের ১০৯ পৃষ্ঠাতে এরকম কিছুই নেই বরং সেই পৃষ্ঠাতে " মুশরিকদের দাবিদানা বিভিন্ন নিদর্শন নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে..."। এটার সঠিক রেফারেন্স হবে ২০৯ পৃষ্ঠা ! । লেখক মনে হয় ১০৯ আর ২০৯ এতে পার্থক্য বুঝে নাই। যাইহোক পয়েন্ট এতে আসি। আপনারা যদি পৃষ্ঠাটা পড়েন তাহলে দেখতে পাবেন যে ইবনে কাছীর ওইখানে বিভিন্ন ব্যক্তির মত নিয়ে এসেছেন, যেগুলো সহীহ যঈফ মিশ্রিত। বিভিন্ন মত এর সাথে ২৭ রজব এর মতটা ইবনে কাছীর হাফেজ আব্দুল গণী এর সিরাতের বরাতে উল্লেখ করেন। এবং আব্দুল গণী যে হাদীস দিয়ে ২৭ রজব দলীল নেন সেই হাদীসকে ইবনে কাছীর সরাসরি যঈফ বলে যেটা আপনারা screenshots এতে দেখতেই পাচ্ছেন। আর ইবনে কাছীর এরকম বিভিন্ন মত নিয়ে আসার পর বলেন যে " আল্লাহই ভালো জানেন"।
মূল কথা হলো এসব বেদআতিরা ইবনে বই এতে ২৭ রজব শব্দটা দেখেছে আর সেটাকেই ইবনে কাছীর এর মত বলে চালিয়ে দিছে, আগে পিছের কথা কাট ছাট করে৷
আর বাকি রেফারেন্স গুলোও এটার মতো ভূয়া! তা আশা করি বুঝাতে হবে না। আমি তাকে বার বার বলেছি পারলে কোনো সাহাবী থেকে দলীল নিয়ে আসেন, কিন্তু সেটা আনতে সে অক্ষম ! । রাসূল সাঃ এর মৃত্যুর কয়েকশো বছর পর জনৃম নেওয়া ব্যক্তিদের নিজস্ব মতকে দেখি টরা দলীল বলে চালিয়ে দিচ্ছে যা হাস্যকর....।
পরবর্তী কাউন্টার লিংক-
https://www.facebook.com/share/p/14rNhjBAPb/
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।