Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

মরণোত্তর দেহদান: ইসলাম কী বলে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
35 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,302 পয়েন্ট)   20 জানুয়ারি "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 মরণোত্তর দেহদান: ইসলাম কী বলে? 

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

প্রবন্ধ। জানুয়ারি ২০,২০২৬ 


যা কিছু মানুষের জন্য কল্যাণকর—ধর্ম মূলত তারই পৃষ্ঠপোষক। ধর্ম মানুষকে শেখায় দয়া, সহানুভূতি ও পারস্পরিক কল্যাণবোধ। একজন মানুষ যে ধর্মের অনুসারীই হোক না কেন, ধর্মের মৌলিক দাবি হলো—সে যেন অন্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়; বরং উপকৃত হয়। মানুষের বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাই কোনো ব্যতিক্রমী বিষয় নয়; এটি মানবিকতা ও ধর্মীয় নৈতিকতার স্বাভাবিক প্রকাশ।


এই প্রেক্ষাপটে মরণোত্তর দেহদান নিঃসন্দেহে একটি কল্যাণকর কাজ।


যা আজ আমাদের কাছে স্বাভাবিক বাস্তবতা, একসময় তা মানুষের কল্পনারও বাইরে ছিল। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অগ্রগতিকে ঘিরে এখন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—এগুলো বৈধ না অবৈধ? অথচ আল্লাহ তাআলার ক্ষমতাকে যদি আমরা সঠিকভাবে অনুধাবন করি, তবে এই প্রশ্নের ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে যায়।


আল্লাহ তাআলা এমন নন যে, একটি নির্দিষ্ট দেহ ছাড়া তিনি মানুষকে পুনরুত্থিত করতে পারবেন না। যদি কোনো দুর্ঘটনায় কারো দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় এবং দেহের অংশবিশেষ পাওয়া না যায়, তাহলে কি সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন হিসাবের বাইরে থাকবে? স্পষ্টতই নয়। আল্লাহর বিচার বাহ্যিক দেহের উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল নয়।


মানুষ মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহর কাছে ফিরে যায় আত্মা, দেহ নয়। আমরা কেবল দেহ ত্যাগ করি। আর দেহকে সম্মানের সঙ্গে দাফন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির কোনো অমর্যাদা না হয় এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ও রোধ করা যায়। ইসলাম যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, তাই তার বিধানও বাস্তবসম্মত ও কল্যাণমুখী।


পবিত্র কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—মানুষের দেহ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেলেও তিনি তা পুনরায় একত্র করতে সম্পূর্ণ সক্ষম। তিনি বলেন—


“তারা বলে, আমরা যখন হাড়গোড়ে পরিণত হব এবং চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাব, এরপরও কি আমরা নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব? 

তুমি বল, তোমরা পাথর বা লোহা হয়ে গেলেও, কিংবা তোমাদের ধারণায় এর চেয়েও কঠিন কিছু হলেও—তোমাদের পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী।”

(সুরা বনি ইসরাইল: ৪৯–৫২)


চোখ, কান, হৃদয়—সবই আল্লাহর সৃষ্টি। তাঁরই দেওয়া দেহের কোনো অংশ দিয়ে যদি তাঁর আরেক বান্দার জীবন রক্ষা করা হয়, তাহলে তা নিষিদ্ধ হওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়? আল্লাহ তাআলা বলেন—


“তিনিই তোমাদের জন্য কান, চোখ ও হৃদয় সৃষ্টি করেছেন… তিনিই প্রাণ দেন ও মৃত্যু ঘটান।”

(সুরা মুমিনুন: ৭৮–৮০)


হাদিসেও অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ধারণার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। রাসুলুল্লাহ ﷺ দাজ্জালের পরিচয় বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন—


“সে এক ব্যক্তিকে হত্যা করবে, অতঃপর তাকে আবার জীবিত করবে।”

(বুখারি ও মুসলিম)


আজ চিকিৎসাবিজ্ঞানে আমরা কী দেখছি? হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর হৃদপিণ্ড সাময়িকভাবে অপসারণ করে যান্ত্রিক হৃদযন্ত্রের মাধ্যমে তাকে জীবিত রাখা হচ্ছে; আবার সদ্য মৃত ব্যক্তির সুস্থ হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করে একজন মানুষকে নতুন জীবন দেওয়া হচ্ছে। অপারেশনের সময় রোগী কার্যত মৃতবৎ অবস্থায় থাকে, পরে পুনরুজ্জীবিত হয়।


এই বাস্তবতা কি রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে বিস্ময়করভাবে মিলে যায় না?


যদি এসব চিকিৎসা-পদ্ধতি ইসলামে অবৈধ হতো, তবে রাসুলুল্লাহ ﷺ অবশ্যই আমাদের সে বিষয়ে সতর্ক করতেন। তিনি শুধু নবী নন; আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য পথনির্দেশক ছিলেন, যিনি জানতেন একসময় বিজ্ঞান কোন দিকে অগ্রসর হবে।


আমার মৃত্যুর পর যদি আমার দেহের কোনো অঙ্গ আরেকজন মানুষকে জীবন দেয়, তাকে সমাজের জন্য কল্যাণকর করে তোলে—তাহলে তা কি আমার জন্য পাপ হবে? 

বরং এটি সদকায়ে জারিয়া হওয়ার অধিক সম্ভাবনাই রাখে, যার সওয়াব চলমান থাকবে।


নিয়তই এখানে মূল বিষয়। আল্লাহ তাআলা মানুষের অন্তরের নিয়ত দেখেন। নিয়ত যদি হয় মানুষের কল্যাণ, তবে প্রতিদানও হবে কল্যাণের।


যারা আশঙ্কা করেন—মরণোত্তর দেহদানের অনুমতি দিলে লাশ চুরি বা পাচার বাড়বে—এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। চুরি, ডাকাতি ও অপরাধ সমাজে আগে থেকেও ছিল। তাই বলে একটি সম্ভাব্য অপব্যবহারের আশঙ্কায় একটি কল্যাণকর কাজকে অবৈধ ঘোষণা করা যুক্তিসংগত নয়।


আল্লাহ তাআলা চাইলে মানুষের দেহ এক খণ্ডে সৃষ্টি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি প্রয়োজন অনুযায়ী দেহকে বিভিন্ন অঙ্গে বিভক্ত করে সৃষ্টি করেছেন—যাতে একটি অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তার চিকিৎসা সম্ভব হয়। কুরআন ও সুন্নাহ উভয়ই রোগের চিকিৎসাকে উৎসাহিত করেছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ নিজেও চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন এবং অন্যকে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন।


অতএব, কারো দেহের কোনো অংশ অকেজো হয়ে গেলে সে যদি অন্যের দানকৃত অঙ্গের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠে—এ বিষয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।


সুতরাং কোনো বিষয়কে “হারাম” বা “অবৈধ” আখ্যা দেওয়ার আগে আমাদের দায়িত্ব—কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গভীরভাবে চিন্তা করা। প্রকৃত ইসলাম সবসময় মানুষের কল্যাণকেই অগ্রাধিকার দেয়।


আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে পরের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।


তথ্যসূত্রঃ

জাগোনিউজ২৪.কম

(মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০)


#মরণোত্তরদেহদান

#ইসলামওমানবকল্যাণ

#ধর্মওচিকিৎসাবিজ্ঞান

#কল্যাণইইসলাম

#ফিকহিচিন্তাimage

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 956 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19302। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3115
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


ইসলামে অনুসারে সত্যিই কি নারী সল্প বুদ্ধি সম্পূর্ণ উনমানুষ? আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  সংশয় ডটকমের লেখাটা পড়লাম। আবু সাঈদ ( রাঃ) এর হাদীস দ্বারা প্রমাণ করার চেষ্টা করল যে ' ইসলাম অনুসা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ছবি তুলা ও গান- বাজনা প্রসঙ্গে ইসলাম কি বলে❓❔ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  ১০ টার দিকে ফেইসবুকে আমার পিক দিয়ে একটা হিস্ট্রি ছাড়লাম। খেয়াল করে দেখলাম যে কিছু নাস্তিক বিষয়টা নিয়ে সমালোচন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
70 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এক পাগলে পোস্ট করছে আর সে পোস্টে বলছে যে রাসূল সাঃ নাকি বলেছে " নারী, বাড়ি ঘোড়া অশুভ" মানে নারীকে ইসলাম অশুভ বলেছে এট�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
95 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#দত্তক_নেওয়া_সম্পর্কে_ইসলামের_বিধান_কি?    আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ    দত্তক অবশ্যই একটা ভালো কাজ। কিন্তু এটার মধ্যেও কিছু মাথা- মোটা নাস্তিক খারাপ বিষয় দেখে। হাদীসের কথাকে পুরো ১০০ ড[...] বিস্তারিত পড়ুন...
70 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলাম কি সত্যিই প্রচলিত দাসপ্রথাকে সমর্থন করে   আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
102 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    83 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...