Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

দুর্গা ষষ্ঠী : দেবীপক্ষের মহিমান্বিত সূচনা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
215 বার প্রদর্শিত
করেছেন (22,802 পয়েন্ট)   28 সেপ্টেম্বর 2025 "হিন্দু" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় চেতনার এক মহোৎসব। মহালয়ার মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা হলেও, ষষ্ঠীর দিন থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দেবী দুর্গার আবাহন, আদিবাস ও চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠী হয়ে ওঠে দেবীপূজার প্রথম দ্বার। বাঙালির সমাজ-সংস্কৃতিতে ষষ্ঠীর দিনটি তাই একদিকে ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ, অন্যদিকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলার দিন।


পুরাণ ও শাস্ত্রে ষষ্ঠীর মাহাত্ম্য


মার্কণ্ডেয় পুরাণে বর্ণিত আছে দেবী মহাত্ম্যম্‌ বা শ্রীশ্রীচণ্ডী, যেখানে মহিষাসুর বধের কাহিনি দেবী দুর্গার অসীম শক্তি ও মহিমা প্রকাশ করে। শাস্ত্রমতে, ষষ্ঠীর দিন দেবী কৈলাস ত্যাগ করে মর্ত্যে আগমন করেন। তিনি কন্যারূপে, মাতৃরূপে আগমন করে ভক্তদের মাঝে আবির্ভূত হন।

চণ্ডীপাঠে বলা হয়েছে— দেবী অশুভ শক্তির বিনাশ করতে এবং ভক্তের হৃদয়ে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা করতে আবির্ভূত হন। ষষ্ঠীর আবাহন অনুষ্ঠান সেই আবির্ভাবেরই প্রতীক।


ষষ্ঠীর প্রধান আচার-অনুষ্ঠান


১. আবাহন – দেবীর আগমন আহ্বান। পুরোহিত মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবীকে আহ্বান করেন এবং মর্ত্যে তাঁর উপস্থিতি প্রতিষ্ঠিত করেন।

২. আদিবাস – পূজার পূর্বদিন দেবীকে স্থান দানের আচার। দেবীর প্রতিমায় প্রতীকীভাবে “স্থাপন” করা হয়।

৩. চক্ষুদান – ষষ্ঠীর বিশেষ আচার। দেবীর মূর্তিতে চক্ষুদানের মাধ্যমে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, প্রতিমার চোখ স্বয়ং শিল্পী আঁকেন না; দেবী নিজে তাঁর দৃষ্টিকে অর্পণ করেন।

৪. কালপরম্পরা – ষষ্ঠীর দিন থেকেই মণ্ডপ সাজানো, আলোকসজ্জা, ধুনুচি নাচ ও ঢাকের বেজে ওঠা শুরু হয়। এটি সমাজে উৎসবের পরিবেশ তৈরি করে।


গ্রামীণ বাংলায় ষষ্ঠীর দিনে কাশফুলে ভরে ওঠে মাঠ। মানুষ নতুন পোশাক পরে পূজামণ্ডপে আসে, শুভেচ্ছা বিনিময় করে। নগরবাংলায় ষষ্ঠীর দিনেই বিশাল মণ্ডপ উদ্বোধন হয়, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। শিশুদের জন্য এটি আনন্দের সূচনা, আর প্রবাসী বাঙালির কাছে ষষ্ঠী হলো আবেগের দিন— যেদিন থেকে পূজার পরিবেশ প্রকৃত অর্থেই শুরু হয়।


ষষ্ঠীর মাধ্যমে দেবী দুর্গা কেবল অসুরবিনাশিনী নন, তিনি জননী, তিনি শক্তির আধার। ষষ্ঠী হলো তাঁর মাতৃমূর্তির প্রকাশ— যিনি সন্তানদের রক্ষা করেন, অশুভকে দূর করেন এবং সমাজে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা ঘটান। নারীর মধ্যে এই শক্তির প্রতিফলনই ষষ্ঠীর অন্তর্নিহিত বার্তা।


আজকের দিনে ষষ্ঠী কেবল ধর্মীয় রীতি নয়, এটি সামাজিক সংহতি, মিলন ও আনন্দের দিন। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী সবাই পূজামণ্ডপে মিলিত হয়। শিল্প-সংস্কৃতি, সাজসজ্জা ও সামাজিক সম্প্রীতি ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে বিজয়া দশমী পর্যন্ত চলতে থাকে। তাই ষষ্ঠী বাঙালির জীবনে এক অনন্য সাংস্কৃতিক উৎসব।


দুর্গা ষষ্ঠী দেবীপক্ষের দ্বার উন্মোচন করে। এটি ভক্তির, ঐতিহ্যের, সমাজের এবং আনন্দের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। মহালয়ার পর যে প্রতীক্ষা, ষষ্ঠীর দিন সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটায়। দেবী দুর্গার আবাহনের মধ্য দিয়ে ভক্তরা অশুভকে বর্জন করে শুভশক্তির স্বাগত জানান। তাই বলা যায়— ষষ্ঠী কেবল এক ধর্মীয় দিন নয়, এটি বাঙালির আত্মার উৎসবের সূচনা।


তথ্যসূত্র


Sri Sri Chandi (Devi Mahatmyam, Markandeya Purana) – Gita Press, Gorakhpur.


Swami Jagadiswarananda, Devi Mahatmyam: English Translation – Sri Ramakrishna Math, Chennai, 1953.


Brown, C. MacKenzie, The Triumph of the Goddess: The Canonical Models and Theological Visions of the Devi-Bhagavata Purana – SUNY Press, 1991.


Gupta, Shakti M., Festivals, Fairs and Fasts of India – Clarion Books, 1991.


Chakrabarti, Kunal, Religious Process: The Puranas and the Making of a Regional Tradition – Oxford University Press, 2001.image

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1129 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22802। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
"নিজস্ব আইডিয়া"
Enolej ID(eID): 1097
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
‎হে মহিমান্বিত প্রেম! ‎আমার ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের জনপদে ‎তুমি আর পদচারণা কোরো না। ‎ ‎এ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
319 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  সিরিজ পর্ব-৪১২  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এই লোক একটা ফটোকার্ড শেয়ার করে, তো ফটোকার্ড এতে একটা হাদীস উল্লেখ করে এবং সেটার উপরে লেখে যে -  " সনা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
189 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কুকুরের পেটে যেমন ঘি হজম হয় না, তেমনি হি*ন্দুদের মধ্যে অশ্লী**লতা ব্যাতিত ভালো জিনিস আসা করা যায় না  বিভিন্ন ধর্মে শূকর মাংস খাওয়া প্রসঙ্গে  পৃথিবীর প্রধান চার ধর্ম হলো, খ্রিষ্টান,মুসলিম, হিন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
76 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সনাতন ধর্ম নারীকে দিয়েছে দেবীর সম্মান নাকি দাসীর সম্মান❔❓ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  হিন্দুদের কমন একটা ডায়লগ হলো " নারীদেরকে নাকি তাদের ধর্ম দিয়েছে দেবীর সম্মান"। এই কথাটা ১০০% ভেজা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
108 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শাস্ত্র অনুসারে হিন্দুরা বাংলাদেশে বাস করতে পারবে না -  মনুসংহিতা ৪/৬০ এতে বলা হয়েছে যে -  " যে গ্রামে বহুসংখ্যক অধার্মিক লোকের বসতি, সেখানে বাস করবে না "  আবার এর পরবর্তীতে শ্লোক এতেও বলা হচ্ছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
151 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. মাইদুল ইসলাম মুকুল

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...