বিবেক যেখানে নির্বাসিত
শালীনতা আজ ডুকরে কাঁদে, নীতি যেথায় মৃত,
রক্তের টানেও বিষ ঢুকেছে, সমাজ কলুষিত।
হাসপাতালের ওই রুগ্ন ঘরে, যে দৃশ্য আজ চেনা—
হায়ার চাদরে লজ্জাবোধের হয় যে বেচাকেনা।
স্ত্রীর পাশে এক তরুণী বোন, অন্যপাশে কে?
দুলাভাই আর শালী কেন একই চাদর ঢেকে?
রোগীর পাশে পাহারাদার, নাকি কামের নেশা?
পবিত্র সম্পর্কের আড়ালে এ এক বীভৎস পেশা।
বিবেক তোমার ঘুমিয়ে কোথায়? ঈমান কি আজ নেই?
পরপুরুষের পরশ নিচ্ছ আপন ভেবেই?
বোনটা কেন অন্ধ সতী? স্বামী কি তবে বিভল?
ব্যভিচারের এই গোপন আঁধার ঘিরছে যে গৃহতল।
প্রতিবাদে যখন জাগল মানুষ, বাড়ল যেথায় রাগ,
পাপী তখন মুখ ফিরিয়ে দেখায় অনুরাগের দাগ।
মহিলা ওয়ার্ডে পুরুষ কেন? আইন যেথায় তুচ্ছ,
নফস আম্মারার হাতে বন্দী কামনার সেই গুচ্ছ।
আগুন নিয়ে করছো খেলা, পুড়বে তোমরাই একা,
আমলনামায় উঠবে যে সব জঘন্য সব লেখা।
শালীনতা যে নারীর ভূষণ, পুরুষের ওই ঢাল,
তা না থাকলে সমাজটা হয় নরকের এক খাল।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।