গলার রগটা ফুলিয়ে হুজুর, মারেন যখন হাঁক,
সুদের খাতায় বাড়ছে টাকা, থাকছে না আর ফাঁক।
‘ডাইরেক্ট একশন’ স্লোগান শুনে, কাঁপছে পাড়া-গাঁ,
হুজুর নিজেই গিলছেন সুদ, লজ্জা কি আর পায়?
হারাম বলে ফেনা তোলো, জিহ্বা করে লাল,
নিজের বেলায় হালাল সেটা? ছিঁড়ব ভন্ডর ছাল!
আমি খেলে চামড়া নিতো, ছিঁড়তো আমার হাড়,
লেবাসধারী শয়তানেরা, পার পেয়ে যায় পার।
পাথর মারার ফতোয়া দাও, জেনার বিচার চেয়ে,
তুমিই আবার ধরা পড়ো, পরকীয়াতে গিয়ে!
বউকে রেখে অন্যের সাথে, রসিয়ে করো আলাপ,
জনগণ সব অন্ধ নাকি? ঘুচবে না এই পাপ।
মেয়ের মাথায় কাপড় নাই, তাই জ্বলে তোর গা,
তলে তলে করছিস কি? কেউ কি জানে না?
অন্যের মেয়ে জাহান্নামি, ফতোয়া দিবি তুই?
আয়না দেখ মুখটা কালো, ভন্ডামিতেই ছুঁই।
গদি পেলেই সব শুধরাবে, ভাবছ বোকার দল?
সুদের টাকার লোভ সামলানো, নয় তো অতো জল।
মুখের কথায় সমাজ বদলায়? কাজটা বড়ই শক্ত,
অন্ধ হয়ে থাকিস না আর, ওরে হুজুর ভক্ত।
খোদা সাজার ভানটা ছাড়ো, মানুষ হয়ে বাঁচো,
পাপের বোঝায় ডুবছ তুমি, মিথ্যে কেন নাচো?
ফেরেশতা কেউ নই রে ভাই, সবাই পাপী আজ,
নিজের পাপের খবর রাখো, ওটাই আসল কাজ।
অন্যের পাপে দিচ্ছো নজর, সাধু সাজার ছলে,
তোমার পাপের বাটখারাতে, নিজের ওজন গলে।
ধর্ম বেচে খাচ্ছো যারা, করছি তাদের ঘৃণা,
মানুষ বড়, মুখোশ নয়— এই কথাটা চিনা।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।