আদর্শের লড়াই ও সংশোধনবাদের মরণ
জিন্নাহ-মুজিব-শেরে বাংলা, ছিলেন নীরব ক্ষণে ক্ষণে,
পিছু হটা মানে হারিয়ে যাওয়া নয়, শক্তি মেপে রণঙ্গনে।
সঠিক সময়ের অপেক্ষায় যারা নীরব থাকতে জানে,
ইতিহাসের পাতায় তারাই বিপ্লব শেষমেশ টেনে আনে।
আগস্ট শেষে জাগল যারা, অতি-সজাগ সস্তা চালে,
আদর্শকে দিচ্ছে বলি—রাজনীতির এই জঞ্জালে।
সংকট নয়, সুযোগ পেলেই ভোল পাল্টায় যারা আজ,
বিপ্লব ছেড়ে বেছে নিয়েছে সংশোধনবাদীর লাজ।
সব বিষয়েই মন্তব্য আর সব বিষয়েই চাই দখল,
সস্তা তালি আর খ্যাতির পিছে ছুটছে সবাই আজ পাগল।
আদর্শ আজ তুচ্ছ অতি, রাজনীতিই বড়ো ধাঁধা,
লিবারেলদের অন্ধ মোহে পরছে পায়ে দাসের বাধা।
প্রতিক্রিয়াশীল চেয়েও ঘাতক—শঠ এই সংশোধনবাদী,
ভিতর থেকে কুরে খায় যারা আদর্শ নিরবধি।
ইনক্লুসিভিটির মুখোশ পরে করছে যারা আপস আজ,
ইতিহাসের ডাস্টবিনে তাদের জুটবে কেবল ঘৃণ্য সাজ।
আকিদা আর মানহাজ তরে অটল থাকো বীরের বেশে,
সুবিধাবাদীর নাম নিশানা থাকবে না তো দিনের শেষে।
দাড়ি-টুপি আর আলখেল্লায় শঠতার ওই দালালি,
আনবে না কভু উম্মাহর কোনো সফল বিজয়-দিওয়ালি।
নীরব থাকা হার মানা নয়, আড়ালে থাকেই বড়ো ঝড়,
সংশোধনবাদীর পতন নিশ্চিত—আদর্শই তো বড় ঘর।
হুঙ্কার দাও তৌহিদী বলে, ভাঙো ভণ্ডামির এই কারাজাল,
সত্যের পথে অবিচল থাকো, আসুক ধেয়ে মহাকাল।
কবিতার মূল বার্তা:
এই কবিতায় আমি আপনার লেখার সেই মূল সুরটি ধরার চেষ্টা করেছি—যেখানে আপনি বলেছেন যে, ইসলামের নামে যারা রাজনীতি করতে গিয়ে নিজেদের মূল আদর্শ বা আকিদা বিসর্জন দিয়ে "সংশোধনবাদী" বা "লিবারেল" হয়ে যাচ্ছে, তারা আসলে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েই নিক্ষিপ্ত হবে। এবং কৌশলী নীরবতা যে পরাজয় নয়, বরং চূড়ান্ত বিপ্লবের প্রস্তুতি—সেটিও এখানে ফুটে উঠেছে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।