জরিপ দেখলেই ‘ভুয়া’ বলো, আইডি ভাবো বট,
বাস্তবতায় শূন্য তুমি, মগজে কেবল জট।
পাঁচ-পাঁচটা ছাত্র ভোটে নাকে খত যে দিলে,
লজ্জা কি আর অবশিষ্ট আছে তোমার তিলে?
জাহেদ নামের জ্ঞানীর বুলি— ‘পাবে না ভোট কেউ’,
ডাকসু শেষে মিলিয়ে গেল সেই মিথ্যে গর্জনের ঢেউ।
এখন আবার গুলশানেতে দিচ্ছো বড়ই হাঁক,
আসল খবর জানো না যে, ভরাডুবিতে থাক।
নেকাব নিয়ে নোংরা কথা, নেতার মুখে বিষ,
পরাজয়ের কফিনে আজ বাজছে মরণ-শীষ।
নুরুল কবিরও তাল মেলান ঐ জনবিচ্ছিন্ন সুরে,
পতন তোমাদের দাঁড়িয়ে আছে অতি নিকটে দূরে।
গ্রামের মানুষ বেঁধে মারে চোর-বাটপার নেতা,
বখাটেদের দোসর হয়ে বাড়াও শুধু ব্যথা।
ভোট চাইবে কার কাছে ভাই? মেয়েরা তোমায় ডরে,
অযোগ্যদের পাল্লায় পড়ে দলটা যে আজ মরে।
জামায়াত-নওমুসলিম-আন্দোলন আজ হয়েছে একাট্টা,
৪৪ শতাংশে তারা— থামাও তোমার ঠাট্টা।
৫০ যখন পেরিয়ে যাবে, শেষ হয়ে যাবে খেলা,
গেম ওভারের ঘণ্টা বাজে, ফুরিয়ে আসছে বেলা।
১৭ ভাগ দোদুল্যমান, তাদের করো জয়,
নইলে তোমার দম্ভ কেবল ডাকসু-রাকসু হয়।
গুপ্ত বলে গাল দিলে আজ আর হবে না পার,
দেয়াল লিখন পড়ো এবার— আসন্ন হার হার!
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।