আট ঘণ্টার ঘামে ভিজে, ২৩ কেজির বোঝা বয়ে রে,
১৭৮ টাকার শিকলে বাঁধা—এ কোন ন্যায়ের দেশে রে!
এক কেজি কম হলেই কাটে, সাত টাকার খড়গ নেমে রে,
শ্রমের দামে রক্ত ঝরে—দানব হাসে, মানুষ থেমে রে।
ছাব্বিশ দিনে মাস গড়ালে, হিসাব নামাও কাগজে রে,
চার হাজার ছয়শো আটাশ—স্বপ্ন মরে এই লাজে রে।
মাছ-মাংসের স্বাদটা শুধু, ইচ্ছের পাতায় লেখা রে,
পেটে নয়, চোখে নামে—ক্ষুধা থাকে একা রে।
একশো টাকায় বিলাসিতা—কলা, বিস্কুট, নুডলস রে,
এই যদি সুখের সংজ্ঞা হয়, তবে সভ্যতা লজ্জার রে।
ওরা টাকা লুটে না শুধু, স্বপ্ন চুরি করে রে,
সন্তানের আগাম কালটা গিলে, মর্যাদাকে মাড়ে রে।
নিরিহ রক্ত চুষে খায় যে, সেই দানবের নাম রে—
সিন্ডিকেট! শোষণের শিরা, লোহার মতো ঠান্ডা রে।
সিন্ডিকেট ভাঙা মানে কি ব্যবসা ধ্বংস? না রে!
সিন্ডিকেট ভাঙা মানে ন্যায়—মানুষ ফেরে, মাথা রে।
তরুণ কণ্ঠে আগুন জ্বালো, বজ্রধ্বনি তোলো রে,
ন্যায্য মজুরির দাবিতে আজ একসাথে হাঁটো রে।
প্রতিবাদের ঢেউ উঠুক আজ, মাঠে-ঘাটে-ঘরে রে,
জনতার ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি—এই সত্য ধরে রে।
ঘাম যার, দাম তার—এই শ্লোগানে দিন রে,
২৩ কেজির শৃঙ্খল ভেঙে মানবতার জয় গান দিন রে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।