পারস্যের ওই ধূসর ধূলায় দম্ভের মিনার আজ ধূলিসাৎ,
জনতার ঘাতে চূর্ণ মূর্তি, নামছে আঁধারে বজ্রপাত।
রাফজি সেনার দর্প চূর্ণ, ভাঙছে দম্ভের পাষাণ তনুর লেশ,
মূর্তি ভাঙার শান্ত দৃশ্য, জুড়িয়ে দিল যে আজ এ বুক বিশেষ।
ইরাক-সিরিয়ার পবিত্র মাটি যার হাতে হলো পঙ্কিল,
সুন্নি মুসলিমের রক্ত ঝরিয়ে যে মেটালো নিজের ঝিল।
সাতটি বছর গণহত্যার যে খেলা সে খেলেছে অহরহ,
ইসরাইল-আমেরিকার জুলুমকেও হার মানালো তার বিদ্রোহ।
জালিম বাশারের অভিন্ন হৃদয়, বন্ধুত্বেরই কালো এক ছায়া,
সিরিয়ার মুসলিম শিশুদের প্রতি ছিল না যার বিন্দু মায়া।
জুলুমের যত নিকৃষ্ট পথ, চিনেছিল সেই সেনাপতি,
অসহায়দের কান্নায় যার জুড়াতো পাষাণ মন্দ মতি।
গ্যাস বোমায় নীল হয়ে গেল নিষ্পাপ কত শিশুর দেহ,
মায়ের কোলে নিথর তনু, বাঁচালো না তাদের আজ আর কেহ।
লাখো মুসলিমের হাহাকারে আকাশ-বাতাস হলো ভারী,
সেই খুনি আজ স্তব্ধ হলো, ভাঙলো তাহার অহং-তরি।
তথাকথিত ‘মডারেট’ নামধারী কিছু অন্ধ অবুঝ প্রাণ,
খুনির পায়ে সেজদা দিয়ে গায় যে আজো তাহার গান।
হাশরের মাঠে জুটুক তাদের ওই খুনি জালিমেরই দল,
জাহান্নামের কুকুরের সাথে হোক তাদের পরিণাম অমঙ্গল।
অন্যায়ের বিষবৃক্ষ শেষে উপড়ে ফেলেছে আজ জনতা,
ইতিহাস লেখে ঘৃণার কালিতে এক মহাপ্রলয় বিফলতা।
রক্তের দামে মুক্তি আসুক, আসুক আবার নতুন ভোর,
জালেমের বিনাশে ভাঙুক এবার আঁধার রাতের কঠিন ঘোর।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।