আমি আর ব্যাখ্যা লিখি না
নিজের হয়ে।
যাদের বোঝার ইচ্ছা ছিল,
তারা আগেই বুঝে নিয়েছে।
একসময় আমি
নিজেকে প্রমাণ করার খাতায়
অনেক পৃষ্ঠা নষ্ট করেছি—
কার কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য,
কোথায় একটু কম হলাম।
আজ সেই খাতাটা বন্ধ।
সব আমন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য নয়,
সব ডাক সম্মানের নয়,
সব সম্পর্ক আশ্রয় দেয় না—
কিছু শুধু ক্লান্ত করে।
আমি আর মাথা নোয়াই না
অপ্রয়োজনীয় প্রশ্নের কাছে।
আমি আর দাঁড়িয়ে থাকি না
অন্যের অনুমতির লাইনে।
এই না বলা
রাগ থেকে আসেনি,
অভিমান থেকেও নয়।
এটা এসেছে
পরিষ্কার বোঝাপড়া থেকে।
আমি জানি
আমি কে নই।
আমি জানি
কোথায় আমাকে থাকা উচিত নয়।
আজ তাই বিনীতভাবে নয়—
স্পষ্টভাবে বলছি,
এই প্রত্যাখ্যান আমার অহংকার নয়,
এ আমার আত্মরক্ষা।
সব দরজায় ঢুকতে না চাওয়াই
আমার সবচেয়ে সৎ
প্রতিউত্তর।
অর্থ / উদ্দেশ্য:
এই কবিতার উদ্দেশ্য হলো প্রত্যাখ্যানকে সাহস ও আত্মসম্মানের ভাষা হিসেবে দেখানো।
সবকিছু গ্রহণ না করাও এক ধরনের পরিপক্ব উত্তর।
নিজের সীমা বোঝা, নিজের অবস্থান জানা—এই কবিতার মূল বার্তা।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।